আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, তারেক রহমান মাত্র ১ হাজার ৪৪ ভোট পেয়েছেন। এই আসনে বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা ২ হাজার ৪৪৪টি, অর্থাৎ তিনি বাতিল হওয়া ভোটের অর্ধেক পরিমাণ ভোটও সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তিনি তার জামানত হারিয়েছেন।
নির্বাচনি বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট কাস্ট হওয়া ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ (১/৮ অংশ) পেতে হয়। অন্যথায় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা রাখা জামানত বাজয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়।
ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আজ সকাল সাড়ে ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ আসনের ফল ঘোষণা করেন।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা-১২ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাইফুল আলম। তিনি ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ২২ হাজার ১৮০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ‘কোদাল’ প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট। এছাড়া ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৬৯ ভোট।
ঢাকা-১২ আসনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩২০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৪৯ এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬৮ জন। নির্বাচনে সব মিলিয়ে বৈধ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ২৬৮টি, যা মোট ভোটের ৩৭ দশমিক ৪২ শতাংশ।


