সোমবার (১২ জানুয়ারি) আগে ব্যাট করতে নেমে ১৩১ রানে অলআউট হয় ঢাকা ক্যাপিটালস। জবাব দিতে
নেমে ২৩ বল এবং ৭ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় রাজশাহী।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঝড়ো শুরু করেন রাজশাহীর দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও মুহাম্মদ ওয়াসিম। তোফায়েল আহমেদের করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ১৭ রান তোলেন তারা। ৩৮ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে ওয়াসিমের আউটে ।
১৩ বলে ২২ রান করেন মুহাম্মদ ওয়াসিম। একই ওভারে নাসিরকে দারুণ ছক্কা হাঁকান তানজিদ হাসান তামিম।তামিমের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতেই ৬০ রান তুলে ফেলে রাজশাহী। ব্যর্থ হন শান্ত, করেন ১২ বলে ৫ রান।
তবে দারুণ খেলতে থাকা তানজিদ হাসান তামিম ফিফটি তুলে নেন মাত্র ২৯ বলে। এরপর দারুণ ব্যাটিংয়ে এগিয়েছেন। ১৩তম ওভারে ২ চার ও ১ ছক্কা হাঁকান তামিম। শেষ পর্যন্ত ইমাদ ওয়াসিমের শিকার হন তামিম। ৪৩ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ৭৬ রান করেন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ওপেনার।
বাকি কাজটা অনায়াসেই সারেন জিমি নিশাম ও মুশফিকুর রহিম। ২৩ বল হাতে রেখেই জয় পায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। ১০ বলে ১ চার ও ২ ছক্কায় ১৪ রানে অপরাজিত ছিলেন জিমি নিশাম। ১৮ বলে অপরাজিত ১২ রান করেন মুশফিকুর রহিম।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিল দুই ওপেনার উসমান খান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। দুইজনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে তোলে ৫৪ রান। এরপর উসমান খানকে সাজঘরে ফিরিয়ে রাজশাহীকে প্রথম উইকেট এনে দেন আবদুল গাফফার সাকলাইন। ২৭ বলে ৪১ রান করেন উসমান খান।
এরপর থেকে নিয়মিত উইকেট হারিয়েছে ঢাকা। একে একে সাজঘরে ফিরেছেন সাইফ হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ মিঠুনরা। গোল্ডেন ডাকের শিকার হন সাইফ। অধিনায়ক মিঠুনের ব্যাট থেকে আসে ১৩ রান। এরপর ইমাদ ওয়াসিম, নাসিররা চেষ্টা করলেও বড় হয়নি ঢাকার পুঁজি।
একটি করে চার ও ছক্কা হাঁকান নাসির। ২৭ বলে ২৪ রান করে বিনুরা ফার্নান্দোর শিকার হন এই ব্যাটার। ভালো করতে পারেননি শামীম পাটোয়ারী। শেষদিকে সাব্বিরের ১৪ রানের পরও বড় হয়নি ঢাকার সংগ্রহ। ১৩১ রানে অলআউট হয় তারা।


