রোববার (১১ জানুয়ারি) দুই দলের মধ্যে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে খেলা হয় ১২ ওভার। দৈর্ঘ্য কমে আসা
ম্যাচে জয় হলো স্বাগতিকদেরই।
ঘরের মাঠ ডাম্বুলায় রোববার ১২ ওভারে শ্রীলঙ্কা করে ১৬০ রান। জবাব দিতে নেমে ১৪৬ রান পর্যন্ত করে সফরকারীরা। পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা ১২ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেও ব্যর্থ হন অন্যরা।
এই জয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৪ বছরের খরা কাটল শ্রীলঙ্কার। ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২০১২ সালের পর এই প্রথম জয় পেল তারা। ওই বছরের অক্টোবরে কলম্বোয় তারা পাকিস্তানকে হারিয়েছিল ১৬ রানে।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে এদিন প্রথম ওভারেই পাথুম নিসাঙ্কাকে হারায় শ্রীলঙ্কা। আরেক ওপেনার কামিল মিশারা ৩ চার ও এক ছক্কায় ৮ বলে ২০ রান করে আউট হন পরের ওভারে। ৪টি চারে ১৫ বলে ২২ রান করেন ধানাঞ্জায়া ডি সিলভা। আর ২টি করে চার ও ছক্কায় ১৬ বলে ৩০ রান করেন কুশল মেন্ডিস।
সাবেক অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা ১৩ বলে ২১ রান করে আউট হন। স্বাগতিকরা রান পায় মূলত দাসুন শানাকা ও জানিথ লিয়ানাগের ১৫ বলে ৫২ রানের বিস্ফোরক জুটিতে। ৩ চার ও এক ছক্কায় ৮ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন লিয়ানাগে। ৯ বলে ৫ ছক্কায় ৩৪ রান করেন শানাকা। শেষ ওভারে ২৪ ও শেষ ৬ ওভারে ৯৮ রান করে লঙ্কানরা।
জবাব দিতে নেমে পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব তেমন প্রভাব রাখতে পারেননি। ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ১২ বলে ৪৫ রান করেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান। মোহাম্মদ নওয়াজ (১৫ বলে ২৮) ও খাজা নাফে (১৫ বলে ২৬) রান পেলেও তা যথেষ্ট দ্রুতগতির ছিল না। তাতে ১৪ রানের হার দেখে সফরকারীরা। ম্যাচ ও সিরিজসেরা হন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।


