সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) তিনি বলেন, বিসিসিআই আরও কৌশলী হলে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে সৃষ্ট বর্তমান অস্থিরতা এড়ানো যেত। খবর নিউজ ১৮-এর।
আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে মুস্তাফিজুর রহমানের চুক্তি বাতিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই একের পর এক অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যার চূড়ান্ত পরিণতিতে ‘নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ’ দেখিয়ে আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ। এরপর বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকেই বাদ দেয় আইসিসি। এরই প্রতিক্রিয়ায় টুর্নামেন্টের গ্রুপপর্বে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ সরকারি নির্দেশে বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান।
আইসিসিতে দায়িত্ব পালন শেষে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) মিডিয়া ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করা বার্নির মতে, মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়ার বিষয়ে কারণ উল্লেখ না করে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকতে পারত বিসিসিআই।
পিটিআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বার্নি বলেন, ‘ক্রিকেট প্রশাসকরা বা যারা খেলাটির দায়িত্বে আছেন, তারা যদি একটু সতর্ক হতেন এবং প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য এড়িয়ে চলতেন যে বাংলাদেশি এক খেলোয়াড়কে (মুস্তাফিজ) ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে বাদ দেয়া হচ্ছে; তাহলে বিষয়টি সহজেই এড়ানো যেত।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিসিসিআই চাইলে বিষয়টি প্রকাশ্যে না এনে ব্যক্তিগতভাবে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে (কেকেআর) খেলোয়াড়কে ছেড়ে দিতে বলতে পারত। তাহলে কেউ জানতই না কী ঘটেছে, আর সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে যেত।’
বার্নির ভাষায়, ‘কখনও কখনও এমন বক্তব্য দেয়া হয়, যার বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। ৩ জানুয়ারির সেই ঘোষণা পুরো পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করে ফেলেছে।’


