আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের তারকা জাহানারা আলম তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চারটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে অভিযোগ করেন জাহানারা, প্রাথমিকভাবে যার দুটির সত্যতা পাওয়া গেছে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের হাতে প্রতিবেদন জমা দেয় স্বাধীন তদন্ত কমিটি। প্রতিবেদনে প্রমাণিত হওয়া দুটি অভিযোগই সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। মঞ্জুরুলের বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণ ও হয়রানির প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর পেসার জাহানারা একটি ইউটিউব চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ তোলেন। অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি তারিক উল হাকিমকে প্রধান করে বিসিবি একটি কমিটি গঠন করে।
বিসিবি জানিয়েছে, এ ব্যাপারে আইনজীবীদের মাধ্যমে হয়রানি ও অসদাচরণের বিষয়ে বিসিবির ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একইসঙ্গে বিসিবি তাদের প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার করেছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটতে পারে।
সাবেক নির্বাচক মঞ্জুরুল ইসলামকে নিয়ে আলোচিত সেই সাক্ষাৎকারে জাহানারা বলেছিলেন, ‘উনি একদিন আমার কাছে আসলেন, আমার কাঁধে হাত রেখে বলছিলেন, তোর পিরিয়ডের কতদিন চলছে? পিরিয়ড শেষ হলে বলিস, আমার দিকটাও তো দেখতে হবে। পিরিয়ড শেষ হলে, যখন ডাকব চলে আসিস।’
মঞ্জুরুল ইসলামকে নিয়ে অন্য এক অভিযোগে জাহানারা বলেন, ‘বিশ্বকাপের কিছু ম্যাচে, যখন আমরা লাইনে হ্যান্ডশেক করি, তখন তিনি (মঞ্জুরুল) হ্যান্ডশেক না করে জড়িয়ে ধরতেন।’


