বুধবার, মার্চ ১১, ২০২৬
বুধবার, মার্চ ১১, ২০২৬
26 C
Dhaka
Homeখেলাঅস্ট্রেলিয়া রাজনৈতিক আশ্রয় দিলো ইরানের ৫ নারী ফুটবলারকে

অস্ট্রেলিয়া রাজনৈতিক আশ্রয় দিলো ইরানের ৫ নারী ফুটবলারকে

প্রকাশ: মার্চ ১০, ২০২৬ ৯:৩৪

ইরানের ৫ নারী ফুটবল খেলোয়াড়কে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া একই তথ্য নিজের সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেছেনযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে তিনিই অস্ট্রেলিয়াকে আহবান জানিয়েছিলেন, যাতে তারা ইরানের এই নারী ফুটবল খেলোয়াড়দের আশ্রয় দেয়। তবে বাকি ইরানি নারী ফুটবল খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন আছে বৈশ্বিক সংগঠন ফিফপ্রো।

জাতীয় সঙ্গীত গাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ইরানের ফুটবলারেরা। এএফসি নারী এশিয়ান কাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে এই ঘটনা ঘটে। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম আইআরআইবি এটি অসম্মানের চরম পর্যায় হিসেবে বর্ণনা করেছে। তবে হুমকি বা বোধোদয়ের কারণে, পরের ম্যাচে তারা ঠিকই জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছিলেন।

ইরানে পরিস্থিতি তীব্র; যেখানে দেশটি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িত, সেখানে নিজ দেশের ফুটবলারদের রাষ্ট্রের প্রতি অপমান বা অবজ্ঞা কি ইসলামিক প্রজাতন্ত্র মেনে নেবে এই আশঙ্কা থেকেই টুর্নামেন্ট শেষে ৫ ফুটবলারের ইরানে ফিরে যাওয়া হয়নি। তারা অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন এবং পেয়েছেনও। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন, পাঁচজন ফুটবলার সেখানে নিরাপদে থাকবেন।

অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্কে বলেন, ইরানি নারী ফুটবল খেলোয়াড়দের অস্ট্রেলিয়ায় স্বাগতম। এখানে তারা নিরাপদ এবং নিজেদের বাড়ির মতোই অনুভব করবে। আমরা তাদের হৃদয়ে ধারণ করেছি। তারা এখন এখানে বেশ জনপ্রিয়।

নিজের সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ অফিসিয়ালে একই তথ্য জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রতি আহবান জানিয়েছিলেন যেনো ইরানের নারী ফুটবল খেলোয়াড়দের আশ্রয় দেয়া হয়। তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে নিজ দেশে তারা হত্যার শিকার হতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, মানবাধিকার কর্মী এবং হ্যারি পটারের লেখিকা জে কে রোলিংও ইরানি ফুটবল খেলোয়াড়দের রক্ষায় সোচ্চার হয়েছেন।

তবে বাকিদের ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটি অনিশ্চিত। ইরানে ফিরে না গেলে পরিবারের ক্ষতি হবে এমন হুমকিও পেয়েছেন ওই নারী ফুটবলাররা। বিষয়টি নিয়েই উদ্বিগ্ন আছে বৈশ্বিক সংগঠন ফিফপ্রো।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর