আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নেমেছিলেন তিনি। শেষ বাঁশির পর চোখে জমেছিল অশ্রু, কাঁপছিল কণ্ঠ, আর সেই কান্না ছড়িয়ে পড়েছিল গ্যালারি পেরিয়ে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। সতীর্থরা কেঁদেছেন, গ্যালারিতে কেঁদেছেন অচেনা মানুষ, আর টেলিভিশনের পর্দার ওপারে কোটি কোটি মেসিভক্ত নীরবে মুছে নিয়েছেন চোখের জল।
একজন ফুটবলার, একজন জাদুকরের বিদায়কে কেন্দ্র করে পৃথিবী যেন একই আবেগে বাঁধা পড়েছিল। ভাষা আলাদা, দেশ আলাদা, সময়ের ব্যবধান আলাদা…তবু অনুভূতিটা ছিল একটাই। কারণ তিনি শুধু আর্জেন্টিনার নন, তিনি হয়ে উঠেছিলেন এক প্রজন্মের শৈশব, কৈশোর, স্বপ্ন আর ভালোবাসার অংশ।
এলএম টেনের সেই শেষ রাত তাই কেবল একটি ম্যাচের গল্প নয়। এটি একটি যুগের পর্দা নামার গল্প। মেসির চোখের জল, সতীর্থদের আলিঙ্গন আর বিদায়ের প্রতিটি মুহূর্ত যেন বলে দিচ্ছিল কিছু গল্প শেষ হয়, কিন্তু কিংবদন্তিরা কখনো বিদায় নেন না।
সেই ঐতিহাসিক বিদায়ের স্থিরচিত্রগুলোতেই ফিরে দেখা যাক মেসির শেষ অধ্যায়ের আবেগমাখা মুহূর্তগুলো…
উপসংহারেও ছাড় নেই একবিন্দু, ক্যারিয়ারজুড়েই অপ্রতিরোধ্য মেসি
সন্তানদের সঙ্গী করে মেসি নামলেন মাঠে। তাদের সান্নিধ্যে সেই বিশেষ মুহূর্ত লাভ করল আবেগ ও সৌন্দর্যের এক অন্য মাত্রা
মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা মেসির ভাস্কর্যের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয় সবাই!
গ্যালারিতেও লেগেছিল একই রঙের ছোঁয়া। মেসির ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে তরুণদের চোখমুখে ছিল বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
মেসির এই হাসিমুখটাই তো বিশ্বজুড়ে ভালোবাসার প্রতীক হয়ে আছে…মেসি হাসলে যে হাসে পুরো পৃথিবীও!
শেষ অধ্যায়েও গোলের আঁকিবুঁকি। উল্লাসে মেতে ওঠার মুহূর্ত তো এটিই!
শহরের রাস্তায় মেসির গ্রাফিতি…রঙের ছটায় মেসি যেন এক জীবন্ত রংধনু!
রাতের আকাশে তারার মতো দ্যুতি ছড়িয়েছেন মেসি, আলো ঝলমলে ড্রোন শোতেও উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল এলএমটেনের
শেষবারের মতো দুহাত শূন্যে তুলে কৃতজ্ঞতা জানালেন মেসি


