শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬
শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬
29.2 C
Dhaka
Homeআন্তর্জাতিকইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল মার্কিন ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে

ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল মার্কিন ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে

আপডেট: জুন ৫, ২০২৬ ৯:১১
প্রকাশ: জুন ৫, ২০২৬ ৯:১০

ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ওমান উপসাগরে দুটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার (যুদ্ধজাহাজ) লক্ষ্য করে ‘সতর্কতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র’ ছুড়েছে। এর ফলে জাহাজ দুটি ওই এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৫ জুন) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছ। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

ইসলামি প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার প্রচারিত একটি বিবৃতি অনুযায়ী, ইরানি বাহিনীর সতর্কতামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর দুটি ডেস্ট্রয়ার ওমান উপসাগর ছেড়ে চলে যায়।

ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই অভিযানটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ‘সন্ত্রাসী’ নৌবাহিনী কর্তৃক সামুদ্রিক অসদাচরণ ও হয়রানিসহ বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেল ট্যাঙ্কার ‘হাইজ্যাক’ করার একটি প্রতিক্রিয়া।

তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটার কথা অস্বীকার করেছে। তারা জানায়, ইরানি বাহিনী মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজে কোনো আক্রমণ বা গুলি করেনি। এমনটা করা হলে তা যুদ্ধবিরতির চরম লঙ্ঘন হতো।

সেন্টকম আরও বলেছে যে, তাদের বাহিনী আঞ্চলিক জলসীমায় অবাধে কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রেখেছে এবং ইরানি বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন পাল্টা-অবরোধ কার্যকর করছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানকে নিশানা করে হামলা চালানোর মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর, গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। এই যুদ্ধবিরতি মূলত ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইসরায়েলের মধ্যকার শত্রুতা অনেকাংশে থামিয়ে রেখেছিল; তবে সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি সেই যুদ্ধবিরতিকে ঝাঁকুনি দেওয়ার মতো সর্বশেষতম পর্ব।

সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রচেষ্টা এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুধবার বলেছেন, ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে আর কোনো ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না, কারণ ইরানের ওপর মার্কিন হামলা ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ হয়ে গেছে।

রুবিও আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিমানবাহিনীর যা কিছু অবশিষ্ট ছিল তা ধ্বংস করার পাশাপাশি তাদের নৌবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ আরোপ করে রেখেছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চলকে ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী একটি কৌশলগত জলপথ। পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানি বন্দরগুলোর ওপর নিজস্ব অবরোধ আরোপ করে। শান্তিকালীন সময়ে বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই সংকীর্ণ জলপথ বা চোকপয়েন্ট দিয়ে পরিবাহিত হতো।

আরও পড়ুন
spot_img

জনপ্রিয় খবর