রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফটিকছড়ি উপজেলার ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ মাঠে বিশাল গণমিছিলের কর্মসূচির সমাপ্তিতে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিকেল সাড়ে চারটা থেকেই মিছিলের পর মিছিলে সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অতীতের রেকর্ড ভেঙে বিবিরহাট বাজার পরিণত হয় এক জনসমুদ্রে। মানুষের উপচে পড়া ভিড়, স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে মুখরিত হয়ে ওঠে বিবিরহাট বাজারের প্রধান সড়ক ও আশপাশের এলাকা।
গণমিছিলটি ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ মাঠ থেকে শুরু হয়ে বিবিরহাট বাজার প্রদক্ষিণ শেষে আবার কলেজ মাঠে এসে শেষ হয়।
গণমিছিল চলাকালে স্থানীয় ব্যবসায়ী, তরুণ সমাজ, শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
মিছিল শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফটিকছড়ি জোন পরিচালক মামুনুর রশীদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শিবিরের সভাপতি শওকত আলী, মহানগর শিবির নেতা খুররম মুরাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সমন্বয়ক ও ১১দলীয় নেতা একরামুল হক, ফটিকছড়ি উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ইসমাঈল গণি, উপজেলা জামায়াতের আমির নাজিম উদ্দীন ইমু, সাবেক সচিব গোলাম হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন,
“মানুষের এই ভালোবাসা ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে ফটিকছড়ির মানুষ পরিবর্তন চায়। একটি ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়েই আমরা আগামীর ফটিকছড়ি গড়ে তুলতে চাই।”
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন বলেন,
“এই বিশাল গণমিছিল ফটিকছড়ির নির্বাচনী মাঠে নতুন গতি সঞ্চার করেছে। ইনসাফ ও উন্নয়নের রাজনীতির পক্ষে জনমতের শক্ত অবস্থান আজ স্পষ্ট।”
তিনি ভোটার ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আরও বলেন,
“আপনারা কষ্ট করে ভোটের আগের রাতে ভোট কেন্দ্র পাহারা দেবেন। ভোট গ্রহণ শেষে প্রতিটি কেন্দ্র থেকে ভোটের হিসাব বুঝে নিয়ে তারপর ঘরে ফিরবেন। জনগণের রায় রক্ষায় আমাদের প্রধান দায়িত্ব।”


