শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। ম্যাচ শুরু হবে সকাল ১১টায়।
সিরিজ শুরুর আগে আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান নবম স্থানে। তাদের রেটিং পয়েন্ট ৭৯। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড আছে অনেক এগিয়ে ১১৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষের দিকে অবস্থান করছে কিউইরা।
এই সিরিজের ফলাফল র্যাঙ্কিংয়ে বড় পরিবর্তন না আনলেও বাংলাদেশ যদি নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারে, তাহলে দলটির রেটিং পয়েন্টে কিছুটা উন্নতি ঘটবে এবং অবস্থান আরও শক্ত হতে পারে। তিন ম্যাচের সবগুলো জিতলে বাংলাদেশের রেটিং বাড়তে পারে প্রায় ৬ পয়েন্টের কাছাকাছি, যা তাদের মোট পয়েন্টকে ৮৫-এর আশেপাশে নিয়ে যাবে। তবে এতে র্যাঙ্কিং অবস্থান পরিবর্তন নাও হতে পারে, নবম স্থানেই থাকার সম্ভাবনা বেশি।
অন্যদিকে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতলে বাংলাদেশের পয়েন্ট কিছুটা বাড়বে, আর ১-২ ব্যবধানে হারলেও সামান্য কমে যেতে পারে। তবে বড় ধরনের পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
ইংল্যান্ড বর্তমানে ৮ নম্বরে আছে ৮৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে। বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভালো ফল করলে তাদের সঙ্গে ব্যবধান কমে আসবে, যা ভবিষ্যতে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে সহায়ক হতে পারে।
নিউজিল্যান্ড যদি সিরিজে ক্লিন সুইপ করে, তাহলে তাদের রেটিং পয়েন্টে খুব সামান্য পরিবর্তন হবে। তবে উল্টোভাবে, যদি তারা হোয়াইটওয়াশ হয়, তাহলে কিছু পয়েন্ট হারাতে পারে, যদিও অবস্থান খুব বেশি বদলাবে না।
আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, ৩১ মার্চের র্যাঙ্কিং বিবেচনায় আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার দল নির্ধারণ করা হবে। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সরাসরি অংশ নেবে। বাকি সেরা আট দল র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে সরাসরি বিশ্বকাপে যাবে। স্বাগতিক নামিবিয়া পূর্ণ সদস্য না হওয়ায় তাদের বাছাইপর্ব খেলতে হবে।
সব মিলিয়ে নিউজিল্যান্ড সিরিজ তাই বাংলাদেশের জন্য শুধু আরেকটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নয়, বরং বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পাওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।


