শুক্রবার (২২ মে) বেলা দুইটার পর ঝিনাইদহ পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভাইরাল হওয়া ভিডিও সূত্রে জানা যায়, জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর হঠাৎ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করা হয়। এর পরপরই সেখানে চরম উত্তেজনা ও হট্টগোল শুরু হয়।
ছড়ানো ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যে এক যুবক পকেট থেকে অস্ত্রসদৃশ বস্তু বের করেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই পাশ থেকে আরেক যুবক তার হাত চেপে ধরে তাকে বিরত রাখেন। তবে সেটি কি ধরনের অস্ত্র, তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বোঝা যায়নি।
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, হামলার সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চারপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ‘ভাইকে সেইফ করেন, ভাইকে সেইফ করেন’ বলে চিৎকার করতে থাকেন এবং তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন।
এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ বা অস্ত্রধারী যুবকের পরিচয় জানা যায়নি।
হামলার ঘটনার বিষয়ে বেলা ৩টা ১০ মিনিটে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের ঠিক বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমআর নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা শুরু করে। প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে এবং এনসিপির যুগ্ম সদস্য তারেক রেজাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।’
হামলাকারীরা মুঠোফোন, ক্যামেরা ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে গেছে অভিযোগ করে ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা বর্তমানে থানায় অবস্থান করছি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ছাত্রদল, যুবদল, বিএনপি আবার থানার সামনে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।


