শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে তিনি মাদরাসায় পৌঁছান। সফরকালে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ইচ্ছা ছিলো তাঁর।সে আলোকেই তার এ সফর। ‘জ্ঞানী ও ইলমি ব্যক্তিদের কাছে গিয়েই দোয়া নিতে হয়।’ তিনি বলেন, তাঁদের (হেফাজতের) সমালোচনাকে তাঁরা পরামর্শ হিসেবে দেখেন এবং সেই পরামর্শ নিয়েই সামনে পথ চলবেন।
এ অঞ্চলের মুসলমানদের বড় একটি অংশ হানাফি মাজহাবের অনুসারী উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হবে।তবে মাদরাসায় হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাতে কী কী বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
এর আগে গত ৯ আগস্ট একই মাদরাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজতের শীর্ষ আলেমদের মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হেফাজতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছিল।
এদিকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগকে কেন্দ্র করে গত ২৪ ও ২৫ আগস্ট বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের জরুরি বৈঠকের খবরও প্রকাশিত হয়।ওই বৈঠকে নতুন প্রতিমন্ত্রীর নিয়োগ নিয়ে আপত্তি ও উদ্বেগের বিষয়টি আলোচনায় আসে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছিল।
এর পর পরই ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর এই সফর হলো।


