শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যার দিকে এই ঘটনা ঘটে। কিশোরীর মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। ওই কিশোরের মায়ের দাবি, আসিফা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
আসিফার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানো কিশোরের নাম ইমরান হোসেন (১৭)।সে পেশায় একজন জিপ গাড়ির হেলপার। তিনি হাটহাজারী উপজেলার কাটিরহাট এলাকার মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে পশ্চিম মির্জাপুরের মুনসুরাবাদ, সরকারহাট এলাকায় বসবাস করেন।
ইমরানের পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দেড় মাস আগে মুঠোফোনে আসিফার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পরিচয়ের প্রায় এক মাসের মধ্যে আসিফা বাড়ি ছেড়ে ইমরানের বাসায় চলে যায়। ইমরানের মা নাসিমা আক্তার জানান, আসিফা ও ইমরান বাড়ি ছেড়ে একসঙ্গে এলেও তাদের বিয়ের চূড়ান্ত কাগজপত্র সম্পন্ন হয়নি। আসিফার পরিবারের কেউ তাদের বাসায় না গেলেও তার খালার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ হতো বলে দাবি করেন তিনি।
নাসিমা আক্তারের ভাষ্য, শুক্রবার সন্ধ্যায় আসিফা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। তবে এ বিষয়ে অন্য কোনো পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আসিফার মৃত্যুর পর থেকে ইমরান পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
হাটহাজারী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হান্নান মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


