বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাদের কাছে সন্তোষজনক জবাব চেয়ে শোকজ করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন, কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন, মো. জুবায়ের মাহমুদ, ফরিদ আহম্মদ, নেপাল চন্দ্র দাস ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী মো. বিল্লাল হোসেন।
শোকজ চিঠিতে বলা হয়, অভিযুক্তরা সরকারি চাকুরী করে বিএনপির পক্ষে নির্বাচনি কাজে অংশ গ্রহণ করছেন বলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক মাওলানা শিবলী নোমানী ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ে লিখিত ভাবে অভিযোগ দাখিল করেছেন।
যেহেতু ইতোমধ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের ২০ (খ) ধারা মোতাবেক সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী কোন রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ ও প্রচার/প্রচারণায় অংশগ্রহণ নিষেধ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রচার প্রচারণার অভিযোগ করার প্রেক্ষিতে অভিযুক্তরা সরকারি নির্দেশ অমান্য করেছেন। এমতাবস্থায় তাদের এহেন কর্মকাণ্ডের জন্য কেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট সুপারিশ করা হবে না তার সন্তোষজনক জবাব পত্র প্রাপ্তির তিন কর্মদিবসের মধ্যে দাখিল করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান ভূইয়া বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি জেলার সিভিল সার্জনকে জানানো হয়। এরই প্রেক্ষিতে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ৬ কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং তিন কর্মদিবসের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দাখিল করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।


