রবিবার, মে ৩, ২০২৬
রবিবার, মে ৩, ২০২৬
26 C
Dhaka

পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থেকে নির্বাচিত কৃষকদের হাতে এই বিশেষ কার্ড তুলে দেবেন।

জানা গেছে, এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি প্রণোদনা সরাসরি এবং স্বচ্ছ উপায়ে গ্রহণ করতে পারবেন। প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইলসহ ১০টি জেলাকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে, যা পরবর্তী সময় সারা দেশে সম্প্রসারিত হবে।

বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ চলছে

0

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ভোটগ্রহণ চলবে।

বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতের আবিদুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বগুড়া জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপনির্বাচনে দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া ভোটগ্রহণে নিয়োজিত রয়েছেন ২ হাজার ৬৫৫ জন কর্মকর্তা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন করা হয়েছে ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্য, প্রায় ২ হাজার আনসার সদস্য, ৮ প্লাটুন বিজিবি, ১০ প্লাটুন র‍্যাব, সেনাবাহিনী এবং ডগ স্কোয়াড।

মোট ১৫১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এদিকে শেরপুর-৩ থেকে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতের মাসুদুর রহমান এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মাকসবাদী) প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

দুই উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত আসনটিতে ১২৮টি ভোটকেন্দ্র এবং ৭৫১টি ভোট কক্ষে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরমধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ২৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৬৯টি।

চুক্তি না মানলে ইরানে আরও ভয়াবহ, আরও শক্তিশালী গোলাবর্ষণ শুরু হবে: ট্রাম্প

0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের সময় বুধবার (৮ এপ্রিল) ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ইরানকে এই হুমকি দেন।

চুক্তি মানা বা না মানা প্রসঙ্গে ট্রাম্প লিখেন, যদি কোনো কারণে তা না হয় (চুক্তি মানা না হয়)— তেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, তাহলে ‘গোলাবর্ষণ শুরু হবে’ এবং তা হবে আরও বড়, আরও ভয়াবহ এবং আরও শক্তিশালীভাবে, যা আগে কেউ কখনও দেখেনি।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ফারসি ভাষার এক বিবৃতিতে দেশটি তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, যেকোনো চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা হবে।

সূত্র: রয়টার্স

হাদি হত্যা মামলার রায় ঘোষণা

0
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন।

গত রোববার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। তখন পালানোর চেষ্টাকালে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত এ মামলায় জামিনে ছিলেন ফয়সাল করিম। এরপর ওসমান হাদি হত্যার ঘটনার পর থেকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি তাকে। এর মধ্যে গত মাসে ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা: ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড

0

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে চাকরিচ্যুত এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজনের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাবেক ভিসি হাসিবুর রশিদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, সাবেক এডিসি মারুফ হোসেনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড, সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামানের ১০ বছরের, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নুর আলমকে ৫ বছরের, ছাত্রলীগের পদধারী ৬ জনকে ৩ বছরের, সাবেক প্রক্টর শরীফুল ইসলামকে ৫ বছরের, বেরোবির গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান ও লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল ওরফে আসাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রিপোর্ট পাল্টে দেওয়ার অভিযোগে ডা. সরোয়াত হোসেনকে ৫ বছরের কারদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বহুল আলোচিত আবু সাঈদ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয় ২০২৫ সালের ২৪ জুন। তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই শেষে ৩০ জুন ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন। ওই দিনই অভিযোগটি আমলে নিয়ে ৩০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর শুনানি করেন প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এরপর ৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেয়া হয়। সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে বিচার শুরু হয় ২৭ আগস্ট। এর পরদিন থেকে শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন শহিদ আবু সাঈদের বাবা মুকুল হোসেন।

দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে চলা সাক্ষ্যগ্রহণের সমাপ্তি ঘটে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি। এ সময়ে তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনসহ মোট ২৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালে। তাদের মধ্যে অন্যতম সাক্ষী হাসনাত আবদুল্লাহ। যিনি জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক। তার সাক্ষ্য মামলার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো স্পষ্ট করতে সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।

সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০ জানুয়ারি শুরু হয় যুক্তিতর্ক, যা চলে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। ওই দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। পরে ৫ মার্চ রায়ের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ঘোষণা হয়েছে আলোচিত এ মামলার রায়।

এদিকে, রায় ঘোষণা ঘিরে ট্রাইব্যুনালের আশপাশ এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তৎপর রয়েছেন পুলিশ-র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে ট্রাইব্যুনালের এজলাসে ঢোকার সময় আবু সাঈদের মেজো ভাই আবু হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আজ এ মামলার রায় হবে। আমরা চাই আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ সাজা ফাঁসি হোক। আর এখনও যারা পলাতক রয়েছেন, তাদের দ্রুত সময়ে গ্রেপ্তার করে যে রায় হবে তা যেন কার্যকর করে সরকার।

বড় ভাই রমজান আলী বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে সন্তুষ্ট। দেখা যাক রায় কি হয়। আমাদের পরিবার থেকে চাওয়া আমার ভাইয়ের হত্যাকারীদের যেন সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড হয়।

ভয়ংকর কালবৈশাখী ধেয়ে আসছে,যেসব অঞ্চলে চালাতে পারে তাণ্ডব 

0
ধেয়ে আসছে ভয়ংকর কালবৈশাখী
ধেয়ে আসছে ভয়ংকর কালবৈশাখী

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একাধিক ফেসবুক পোস্টে এই বার্তা দিয়েছে সংস্থাটি।

বার্তায় বিডব্লিউওটি জানিয়েছে, আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে বৃষ্টিবলয় গর্জন। ইতোমধ্যেই দেশের অধিকাংশস্থানে এর প্রভাবে বজ্রবৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার মধ্যে আবারও দেশের ৮ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। সঙ্গে থাকতে পারে কালবৈশাখী ঝড় এবং শিলাবৃষ্টি।

বিডব্লিউওটির বার্তায় আরও বলা হয়েছে, ভারতের ঝাড়খণ্ডের ওপর তৈরি বজ্রমেঘ সন্ধ্যার দিকে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে প্রকাণ্ড কালবৈশাখী ঝড়ে পরিণত হতে পারে। আর রাতের দিকে এটি বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে প্রবেশ করতে পারে। এর প্রভাবে আগামী ১২-২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অধিকাংশ এলাকায় বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

এ অবস্থায় রাত্রিকালীন নৌপথে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে বিডব্লিউওটি। এছাড়া, নদীপথের জলযানগুলোকে ঝড়-বৃষ্টির আলামত দেখে নিরাপদে চলাচলেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ঢাকাসহ সারাদেশে অন্তত দুই দিনব্যাপী ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরও।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। এ সময়ে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড় ও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা (১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এ সময়ে।

পরদিন শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড় ও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এ সময়ে।

এছাড়া, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেইসঙ্গে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

পরদিন রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া, দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এ সময়ে।

 

নামাজের ভিতর ভিন্ন চিন্তা আসলে সাহু সিজদা দিতে হবে?

0

হাদিসেও একাধিকবার নামাজ আদায়ের কথা এসেছে। সেই সঙ্গে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে ওয়াক্তমতো নামাজ আদায়ের ওপরও। এমনকি খোদ মহান আল্লাহর কাছে যথাসময়ে সালাত আদায় করা অধিক প্রিয় একটি আমল।

আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, একবার আমি রাসুল (সা.) কে জিজ্ঞাসা করলাম, কোন আমল আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়? তিনি (নবীজি সা.) বললেন, যথাসময়ে সালাত আদায় করা। ইবনু মাসঊদ (রা.) পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? নবীজি (সা.) বললেন, এরপর পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার। ইবনু মাসঊদ (রা.) আবারও জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? রাসুল (সা.) বললেন, এরপর আল্লাহর পথে জিহাদ বা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ্। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০২)

তবে সালাত শুদ্ধ হওয়ার জন্য এর মধ্যে থাকা রোকনগুলো সঠিকভাবে আদায় করা জরুরি। কেননা, উবাদাহ্ ইবনুস্ সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ৫ ওয়াক্ত সালাত আল্লাহ তা’য়ালা (বান্দার জন্য) ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি এ সালাতের জন্য ভালোভাবে অজু করবে, সঠিক সময়ে আদায় করবে এবং এর রুকু ও খুশুকে পরিপূর্ণরূপে করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা রয়েছে যে, তিনি তাকে ক্ষমা করে দেবেন। আর যে তা না করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তিনি ক্ষমা করে দিতে পারেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তিও দিতে পারেন। (মেশকাত, হাদিস: ৫৭০)

এ ক্ষেত্রে নামাজে কোনো ওয়াজিব ছুটে গেলে সাহু সিজদা দিতে হয়। সাহু সিজদা আদায়ের নিয়ম হলো- শেষ বৈঠকে ‘আত্তাহিয়্যাতু’ পড়ে ডান দিকে সালাম ফেরানোর পর আবারও দু’টি সিজদা করতে হবে। পাশাপাশি দ্বিতীয় সিজদা সম্পন্ন হওয়ার পর আবারও বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ এবং দোয়ায় মাসুরা পড়ে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করতে হবে। তবে প্রশ্ন হলো- নামাজের মধ্যে অমনযোগী হলে বা ভিন্ন চিন্তা আসলে সাহু সিজদা দিতে হবে কি?

ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর মতে, নামাজের মধ্যে অনেক সময় অমনযোগী হয়ে ভিন্ন চিন্তা আসায় কেউ কেউ ভুলে যান কত রাকাত সালাত আদায় হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সাহু সিজদা দিতে হবে। এজন্য যত রাকাতের ব্যাপারে প্রবণ ধারণা হবে, সেটি ধরে নিয়ে পুরো নামাজ সাহু সিজদাসহ আদায় করতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, ৪ রাকাত নামাজে ভিন্ন চিন্তা আসার পর কেউ যদি কত রাকাত পড়া হলো সেটি ভুলে যান, তাহলে যদি ৩ রাকাত পড়া হয়েছে এমন প্রবল ধারণা হয়, তবে এটি ধরে নিয়েই বাকি নামাজ আদায় করতে হবে এবং শেষে সাহু সিজদা দিতে হবে। আর যদি দ্বিধা থাকে যে ৩ রাকাতও আদায় হতে পারে, ২ রাকাতও হতে পারে, সে ক্ষেত্রে কমটি ধরে নিয়ে বাকি নামাজ আদায় করে সাহু সিজদা দিয়ে নামাজ শেষ করতে হবে। অর্থাৎ, ৩ রাকাত বা ২ রাকাত নিয়ে দুটোর দিকেই সমান সন্দেহ হলে, কম হিসেবে ২ রাকাত ধরে নিয়ে বাকি নামাজ আদায় করে সাহু সিজদা দিতে হবে।

হাদিসেও এমনটাই এসেছে। যায়েদ ইবন আসলাম (রহ.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যদি তোমাদের কেউ নামাজের মধ্যে সন্দেহে পতিত হয় এবং সে এরূপ দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করে যে, সে ৩ রাকাত আদায় করেছে, তখন সে যেন চতুর্থ রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে তা সিজদা সহকারে আদায় করে তাশাহহুদ পাঠের নিমিত্তে বসবে। এরপর তাশাহহুদ পাঠের পর বসা অবস্থায় দু’টি সিজদা দেবে এবং সবশেষে সালাম ফিরাবে (অর্থাৎ, সাহু সিজদা দেবে)। (সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ১০২৭)

ঢাবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢামেক চিকিৎসকদের সংঘর্ষ,বন্ধ জরুরি বিভাগ 

0
ঢাকা মেডিকেল
ঢাকা মেডিকেল

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ওষুধ পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, ওষুধ কেনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। চিকিৎসক নেতারা জানিয়েছেন, দায়িত্বরত অবস্থায় চিকিৎসকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার এবং কর্মস্থলের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা জরুরি সেবা চালু করবেন না। অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা চলছে।

 

২৪ ঘণ্টায় ১০ শিশুর মৃত্যু হল হামের উপসর্গ নিয়ে

0
হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে পাঠানো এক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত এই প্রাণহানির ঘটনাগুলো ঘটেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৪৮ শিশু। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৮৯ জনের।

এদিকে, একদিনের মৃত্যুর তথ্যানুযায়ী এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ১৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামে মারা গেছে ২১ শিশু। এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত মোট শিশুর সংখ্যা ১ হাজার ৫৯৯। আর সন্দেহজনক হাম নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৫৭৭। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পাওয়া রোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ২৪১।

 

৭ ফুটবলার ‘পালালেন’ জাতীয় দলের ম্যাচ শেষ করেই 

0
ইরিত্রিয়া জাতীয় ফুটবল দল
ইরিত্রিয়া জাতীয় ফুটবল দল

দেড় যুগ পর ২০২৭ সালের আফকনে অংশ নিতে বাছাইপর্বে অংশ নিয়েছে ইরিত্রিয়া। কিন্তু চিত্র বদলায়নি, দেশের বাইরে খেলার সুযোগ পেয়েই দেশটির ৭ ফুটবলার পালিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আফ্রিকান এই দেশটি দেশের বাইরে সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিল ২০১৯ সালে। অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে দুই লেগেই হেরেছিল তারা। তবে, সেই সময়ও কয়েকজন ফুটবলার পালিয়ে গিয়ে উগান্ডা আশ্রয় নিয়েছিল।

এই ঘটনার পর আর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি ইরিত্রিয়া। ৮ বছর পর গত ২৫ মার্চ আফকনের বাছাইপর্বে এসওয়াতানিয়ার বিপক্ষে প্রথম লেগের ম্যাচে ২-০ গোলে জয় পায় ইরিত্রিয়া। পরে ৩১ মার্চ দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে ২-১ গোলে জয় পায় দেশটি।

দ্বিতীয় লেগের ম্যাচটি ছিল ইরিত্রিয়ার হোম ম্যাচ। কিন্তু নিজ দেশে আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম না থাকায় এই ম্যাচটি হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়। ম্যাচ শেষে আর দেশে ফেরেননি ৭ জন ফুটবলার।

রয়টার্সকে ইরিত্রিয়া জাতীয় দলের কোচ হিশাম ইয়াকান বলেছেন, ‘পলাতক ফুটবলারদের বেশিরভাগ বদলি খেলোয়াড়। আমার মনে হয় না তারা আর ফুটবল খেলা চালিয়ে যাবে। আমার বিশ্বাস, তারা অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার জন্য উন্নত দেশে সুযোগ খুঁজবে।’

এ বিষয়ে জানতে ইরিত্রিয়ার তথ্যমন্ত্রী ইয়েমেন গেব্রেমেসকেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে রয়টার্স। তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে ই-মেইল করা হলে, তারাও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

ইরিত্রিয়া ফুটবল ফেডারেশনের একটি সুত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ‘পালিয়ে যাওয়া ফুটলাররা গরিব। প্রথমবার তারা দলের সঙ্গে বিদেশ গিয়েছিল। তারা কাজের মাধ্যমে জীবনযাত্রায় উন্নতি আনতে চায়।’