সোমবার, ডিসেম্বর ১, ২০২৫
সোমবার, ডিসেম্বর ১, ২০২৫
21 C
Dhaka

এবার মেসেঞ্জারেও এডিট করা যাবে পাঠানো মেসেজ

0

হোয়াটসঅ্যাপের পর এবার মেসেজ পাঠিয়ে এডিট করা যাবে মেসেঞ্জারেও। সম্প্রতি এই ফিচার আনল মেটার মালিকানাধীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। ইতিমধ্যে ব্যবহারকারীরা এই ফিচার উপভোগ করতে শুরু করেছেন।

নতুন এই ফিচারের আওতায় কাউকে মেসেজ পাঠিয়ে সেই মেসেজ পড়ার আগেই এডিট করা যাবে। এমনকি অপরপক্ষ মেসেজটি পড়লেও এডিট করা যাবে। তবে মেসেজের উপরে লেখা থাকবে এডিটেড ট্যাগ।

মেসেঞ্জারে এডিট করার এই সুবিধা মিলবে মেসেজ পাঠানোর ১৫ মিনিটের মধ্যে। ১৫ মিনিট পর আর এডিট করা যাবে না।

পাঠানো মেসেজ এডিট করার এই সুবিধায় একটুখানি শর্তও জুড়ে দিয়েছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। তারা জানিয়েছে এডিট করার এই ফিচারের যাতে অপব্যবহার না হয় সেজন্য কেউ এডিটেড মেসেজে রিপোর্ট করলে তাকে আগের মেসেজটি দেখানো হবে।

আজ বাঙালির বিজয়ের দিন, গর্বের দিন

0

আজ ১৬ ডিসেম্বর। মহান বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির গৌরবময় বিজয়ের দিন, গর্বের দিন। জাতির বহু কাঙ্ক্ষিত বিজয়ের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ আবারও ফিরে এসেছে। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বরে এসেছিল চূড়ান্ত বিজয়। এই বিজয়ে আনন্দে উদ্বেলিত হয়েছিল গোটা বাঙালি জাতি। বাঙালি জাতি আজ পালন করছে ৫৩তম মহান বিজয় দিবস। ৫২ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবগাঁথা বিজয় অর্জন করেছিল। ঢাকায় দখলদার পাক হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে এই দিনেই স্বাধীনতার রক্তিম সূর্যালোকে উদ্ভাসিত হয়েছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ৭১’র ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে স্বাধীনতার স্পৃহায় জেগে ওঠে বাঙালি জাতি। আর এই স্বাধীনতার তৃষ্ণায় তৃষ্ণার্ত জাতিকে স্তব্ধ করতেই ২৫ মার্চ কালো রাতে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরা মেতে উঠেছিল ইতিহাসের জঘণ্যতম গণহত্যাকাণ্ডে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশেই নির্বিচারে চালানো হয়েছিলো হত্যাকাণ্ড। সেই গণহত্যাযজ্ঞের মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষের ভাগ্যাকাশে নেমে এসেছিল ঘোর অমানিশা। তবে গণহত্যার মাধ্যমে বাঙালি জাতিকে সেদিন দমিয়ে রাখতে পারেনি পাক হানাদার বাহিনী। বরং ওই হত্যাকাণ্ডের শোককে তারা শক্তিতে পরিণত করে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অবশেষে এদেশের আকাশে উদিত হয় স্বাধীনতার সূর্য।

’৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলার আকাশে দেখা দেয় স্বাধীনতার রক্তিম সূর্য। অবশেষে ঘনিয়ে আসে বিজয়ের সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়াদী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজির নেতৃত্বে আত্মসমর্পণ করে ৯১ হাজার ৫৪৯ হানাদার সেনা। বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে মুজিবনগর সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারের উপস্থিতিতে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল জ্যাকবের তৈরি করা আত্মসমর্পণ দলিলে সই করেন পাকিস্তানের পক্ষে লে. জেনারেল নিয়াজি এবং মিত্রবাহিনীর পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। আর অবিস্মরণীয় সেই মুহূর্তেই বিশ্ববাসীকে অবাক করে পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। বাঙালি জাতি পায় লাল-সবুজের একটি জাতীয় পতাকা, জাতীয় সঙ্গীত এবং মানচিত্র। রক্তাক্ত পথ ধরে মুক্তিযুদ্ধের এই বিজয় অর্জন ছিল ইতিহাসের অনিবার্য পরিণতি।

মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিক সংগ্রাম: ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে চুড়ান্ত বিজয় অর্জন করে বাঙালি জাতি। পৃথিবীর মানচিত্রে নতুন করে স্থান লাভ করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। তবে হঠাৎ করে ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে গর্জে ওঠেনি তারা। এর পেছনে কাজ করেছে দীর্ঘদিনের অন্যায়, শোষণ, বঞ্চনা, লাঞ্ছনা আর বৈষম্য। যার সূচনা হয়েছিল ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের পর। দেশ বিভাগের মাত্র এক বছর পরই প্রথম আঘাত আসে ভাষার প্রশ্নে। বাঙালি জাতির মায়ের ভাষা, প্রাণের ভাষাকে পরিবর্তন করে শাসক শ্রেণীর ভাষাকে চাপিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করা হয়। সেই থেকে বাঙালির সচেতনতার সূচনা। এরপর একে একে ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৬’র ৬ দফা, ৬৯’র গণঅভূত্থ্যান, ৭০’র নির্বাচন এবং ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ। যা বাঙালি জাতিকে জাগিয়ে তুলে। বঙ্গবন্ধুর সেদিনের সেই ভাষণ এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম শিহরিত করে তোলে গোটা বাঙালি জাতিকে। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে মূলত সেদিন থেকেই গোটা জাতির মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা শুরুর পর মধ্যরাতে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন দেশের স্বাধীনতা। ধানমণ্ডির বাসভবন থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেফতারের আগমুহূর্তে বঙ্গবন্ধু তার স্বাধীনতার ঘোষণায় শত্রুসেনাদের বিতাড়িত করতে শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই চালিয়ে যেতে দেশবাসীকে অনুরোধ ও নির্দেশ দেন। শুরু হয় হানাদারদের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার চূড়ান্ত প্রতিরোধ লড়াই, মুক্তিযুদ্ধ। ৯ মাস ধরে চলা সেই মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্বিচার গণহত্যা, নারী ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ আর লুটতরাজের কলঙ্কিত অধ্যায়ের বিপরীতে রচিত হয়েছিল ইতিহাসের আরেকটি মহান অধ্যায়। সেই অধ্যায়ে ছিল মুক্তিকামী বাঙালির অসম সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ের বীরত্বগাথা। ১৭ এপ্রিল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রেসিডেন্ট করে গঠিত হয় গণপ্রজাতন্ত্রী স্বাধীন বাংলা প্রবাসী সরকার। অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয় ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে হানাদার বাহিনীর আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে। জন্ম নেয় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

আজ বিজয়ের দিন:
আজ সেই ঐতিহাসিক বিজয়ের দিনে কৃতজ্ঞ জাতি বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে দেশের পরাধীনতার ঘানি মোচনে প্রাণ উৎসর্গ করা বীর সন্তানদের। সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে নামবে জনতার ঢল। শ্রদ্ধার সাথে তারা শহীদের উদ্দেশে নিবেদন করবেন পুষ্পাঞ্জলি। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সব প্রান্তের মানুষ অংশ নেবে বিজয় দিবসের নানা আয়োজনে। কি শহর? কি গ্রাম? রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সর্বত্রই আজ চলবে বিজয় দিবসের উদযাপন।

জাতীয় পর্যায়ে এদিন ঢাকায় প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তববক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে উপস্থিতিতে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। বাংলাদেশে অবস্থনরত বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দ, মুক্তিযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণকারী আমন্ত্রিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যগণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

দিবসটির তাৎপর্য্য তুলে ধরে পত্রিকাগুলো প্রকাশ করেছে বিশেষ সাময়িকী এবং টেলিভিশনে প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠান। আর দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে নানা অনুষ্ঠান। বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে পৃথক পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিজয় দিবস সরকারি ছুটির দিন। সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। রাজধানীসহ দেশের বড় বড় শহরগুলোর প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপ জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হবে। রাতে গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনায় করা হবে আলোকসজ্জা। হাসপাতাল, কারাগার ও এতিমখানাগুলোতে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হবে। বিজয় দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

কাতার সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

0

তিন দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। কাতারে অনুষ্ঠিত ‘কাতার গ্র্যান্ড প্রিক্স-২০২৩’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) তিনি ঢাকায় পৌঁছান।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ‘কাতার গ্র্যান্ড প্রিক্স-২০২৩’-এ সেনাবাহিনী প্রধানের উপস্থিতি সেখানে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের অনুপ্রাণিত করেছে। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করে পারস্পরিক ক্রীড়া উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান এই সফরে ১২ ডিসেম্বর কাতার সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল সালেম বিন হামাদ বিন মোহাম্মেদ বিন আকিল আল নাবিতের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক বাংলাদেশ ও কাতার এর মধ্যে সম্পাদিত সমঝোতা স্বারক বাস্তবায়নে এবং দুদেশের মধ্যকার পারস্পরিক সামরিক সম্পর্কন্নোয়নের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়ক হবে। এছাড়াও তিনি দোহাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক আয়োজিত ‘বিজয় দিবস মেলা’ উদ্বোধন করেন এবং সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান গত ১২ ডিসেম্বর কাতার অলিম্পিক কমিটির ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং কাতার ভারোত্তলন ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মেদ ইউসেফ আলমানার আমন্ত্রণে সরকারি সফরে কাতারে যান।

রোববার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন সিইসি

0

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী রোববার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। সাক্ষাৎকালে সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, সাক্ষাতের জন্য রাষ্ট্রপতি সিইসিকে রোববার সকাল ১১টায় সময় দিয়েছেন। সিইসির সঙ্গে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমের যাওয়ার কথা রয়েছে।

গত ১১ ডিসেম্বর ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, রাষ্ট্রপতি অনুমতি দিলে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৩ দিনের জন্য তাঁরা ভোটের দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

গ্রাম কাউন্সিলের বৈঠকে গ্রেনেড মারলেন ডেপুটি কাউন্সিলর

0

ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে গ্রাম্য কাউন্সিলের বৈঠকে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটেছে। গ্রেনেড হামলা করেছেন ডিপুটি কাউন্সিলর নিজেই। খবর বিবিসি

স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় জাকারপাত্তিয়া অঞ্চলের কেরেতস্কি গ্রাম কাউন্সিলের দপ্তরে এই হামলা হয়। কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো কিছু জানায়নি।

গ্রাম্য ওই বৈঠকে তিনটি গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। এতে বৈঠকে অংশ নেয়া ২৬ জন আহত হয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।

গ্রেনেড হামলার সময় বৈঠকটি সরাসরি ফেসবুকে সম্প্রচার করা হচ্ছিল। এতে দেখা যায়, বৈঠক চলাকালে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে উত্তপ্ত আলোচনা হচ্ছিল। এ সময় এক ব্যক্তি সেখানে প্রবেশ করে তিনটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন।

এ বিষয়ে পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘গ্রেনেড নিক্ষেপের ফলে ২৬ জন আহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা গুরুতর।’ চিকিৎসকেরা গ্রেনেড হামলাকারীকে স্বাভাবিক অবস্থায় আনার চেষ্টা করছেন বলেও পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

তবে এ হামলায় রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের কোনো সম্পর্কে আছে কিনা সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

রিজার্ভে যোগ হলো ১০৮৯ মিলিয়ন ডলার

0

দেশের রিজার্ভে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দেয়া ৬৮৯.৮৩ মিলিয়ন ডলার যোগ হয়েছে। এ ছাড়া শুক্রবার রিজার্ভে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ৪০০ মিলিয়ন ডলারও যোগ হয়। এতে করে রিজার্ভ বেড়ে ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক শুক্রবার রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত বুধবার দিন শেষে রিজার্ভ ছিল ১৯ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। যদিও আইএমএফ ও এডিবির ঋণের টাকা যোগ হওয়ার পর রিজার্ভ কতো তা দু’একদিন পরে জানা যাবে বলে জানান মুখপাত্র।

 

প্রথমবার একসঙ্গে জুটি বাঁধলেন ফেরদৌস-পরীমণি

0

দুই প্রজন্মের দুই তারকা ফেরদৌস আহমেদ ও পরীমণি। দুজনেই নিজের সময়ে চলচ্চিত্রে আলোচিত তারকা। প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধছেন তবে চলচ্চিত্রে নয়, একটি বিজ্ঞাপনে একসঙ্গে দেখা যাবে তাদেরকে। এটি নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্র পরিচালক ইফতেখার চৌধুরী।

বিএফডিসির ৭নং ফ্লোরে আইসি ফিল্মসের ব্যানারে বিজ্ঞাপনচিত্রটির দৃশ্যধারণের কাজ হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) মধ্যরাত পর্যন্ত শুটিংয়ে অংশ নেন তারা।

এ প্রসঙ্গে ইফতেখার বলেন, বিজ্ঞাপনচিত্রটি আমরা সিনেমার আদলে নির্মাণ করেছি। প্রচার শুরু হলে দর্শকরা নড়েচড়ে বসবে। কারণ নতুন কিছু দেখতে পাবে তারা। এর আগেও সিনেমার আদলে বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মিত হলেও সেগুলো ছিল কোনো একটা দৃশ্যকে কেন্দ্র করে। তবে আমরা এই বিজ্ঞাপনচিত্রে পুরো সিনেমাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।

ফেরদৌস বলেন, পরীমণির সঙ্গে কখনো কাজ করা হয়নি। এবার তার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা হলো। আশা করছি, আমাদের এই বিজ্ঞাপনটি প্রচারে এলে সবার ভালো লাগবে।

পরীমণি বলেন, প্রথমবারের মতো ফেরদৌস ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করেছি। এর আগে একটি টিভি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলাম। তবে স্ক্রিন শেয়ার করা হয়নি। প্রথমবার একসঙ্গে আমাদের বিজ্ঞাপনে পাওয়া যাবে।

ইরানি পুলিশের ওপর পাকিস্তানি গোষ্ঠীর হামলা, নিহত ১১

0

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের সশস্ত্র গোষ্ঠী জইশ আল আদিল ইরানের সিস্তান-বেলুচিস্তানের রাস্ক শহরের একটি পুলিশ পোস্টে হামলা চালিয়ে। এতে ১১ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছে, আহত হয়েছেন আরও ৭ পুলিশ সদস্য। অন্যদিকে ইরানি পুলিশ সদস্যদের গুলিতে কয়েকজন হামলাকারীও নিহত হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) প্রেসটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন বলা হয়েছে, এদিন সকালের দিকে ঘটা এ হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের পাল্টা গুলিতে বেশ কয়েকজন যোদ্ধাও নিহত হয়েছে। তবে নিহত যোদ্ধাদের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। ইতোমধ্যে হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে জইশ আল আদিলের হাইকমান্ড।

ভৌগলিক বিচারে ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রদেশ সিস্তান-বেলুচিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত রয়েছে। ইরানের সিস্তান-বেলুচিস্তান শিয়া মুসলিম অধ্যুষিত। অন্যতিকে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশের অধিকাংশ মানুষই সুন্নি মুসলিম। গত কয়েক বছর ধরে এই দুই অঞ্চলের সীমান্ত শহর ও গ্রামগুলোতে বেশ ঘন ঘন সাম্প্রদায়িক সংঘাত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দুই দেশের অস্ত্র ও মাদক সরবরাহকারীদের কাছেও রুট হিসেবে সিস্তান-বেলুচিস্তান ও বেলুচিস্তানের সীমান্তপথ বেশ জনপ্রিয়।

শরিকদের ৭ আসনের বেশি ছাড় দেয়া আ.লীগের জন্য সম্ভব নয়: কাদের

0

জোটের শরিকদের জন্য ৭টি আসনের বেশি ছাড় দেওয়া আওয়ামী লীগের জন্য সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

শরিকদের সাথে সাথে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা সবাই আসন সমঝোতা নিয়ে কথা বলেন, এখানে আমরা এই সময়ে আমাদের এই এলায়েন্সটাকে যতটা রাজনৈতিক মূল্য দিচ্ছি, এখানে আসনের বিষয়টা মূখ্য না। এখানে মূখ্য হচ্ছে রাজনীতি। জঙ্গীবাদী শক্তির বিরুদ্ধে আমাদের এই ইলেকশন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটি থেকে এই অপশক্তি কে আমাদের পরাজিত করতে হবে। নির্বাচনে আসেনি। তারা নাশকতা করছে, কতদিন করবে? নাশকতা জনগণ সমর্থন করে না। বিএনপিকে এই নাশকতার জন্যেই তাদের আন্দোলনে জনসম্পৃক্ত করতে পারেনি।

এই সময় তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, তাদের আন্দোলনে জনগণ ছিল? তাদের কর্মীরা ছিল? সামনের দিকে তাদের এ জনবিচ্ছিন্নতা আরও বাড়বে।

শরিকদের আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিযোগিতা হউক, এখানে পক্ষপাতিত্বের কি আছে? আমরা জোর করে কারো বিজয় ছিনিয়ে আনবো না। আমরা কাউকে বিজয়ের গ্যারান্টি দিতে পারব না।

তিনি বলেন, আমি পার্টির সাধারণ সম্পাদক, আমার বিরুদ্ধেও চার জন আছে। এখন কেউ যদি জিতে যায়, তাহলে তো আমাকেও হার মানতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা, প্রতিযোগিতা যেটা আছে সেটা আমরা মেনে নিয়েছি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে একদিকে সন্ত্রাস সহিংসতা হচ্ছে, অন্যদিকে ভয়ঙ্কর গুজবের ডালপালা বিস্তার করা হচ্ছে। মানবাধিকারের প্রবক্তা টিআইবি বিএনপির ভাবাদর্শের প্রবক্তা হয়ে চোখ থাকতে অন্ধ হয়ে আছে। টিআইবি বিএনপির শাখা সংগঠন হয়ে গেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচন গণতন্ত্রের প্রাণ। সরকারি দল হিসেবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক করাই আওয়ামী লীগের দায়িত্ব। যে কোনো মূল্যে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করে রেকর্ড করতে চায় আওয়ামী লীগ।

তিনি আরও বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে নির্বাচন কমিশনের নেওয়া ব্যবস্থাকে স্বাগত জানাচ্ছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করার ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ সমর্থন করেছে। নির্বাচন কমিশনকে কোনোভাবে প্রভাবিত করছে না আওয়ামী লীগ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন— আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দফতর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ। h