সোমবার, মে ৪, ২০২৬
সোমবার, মে ৪, ২০২৬
26 C
Dhaka

র‍্যাব, এসবি ও সিআইডির প্রধান পদে পরিবর্তন

0

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান পদে পরিবর্তন এনেছে সরকার।সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ এর উপসচিব তৌছিফ আহমদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে পরিবর্তনের এ আদেশ জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) এবং পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (এইচআরএম) সরদার নুরুল আমিনকে বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

একইসঙ্গে অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদকে সিআইডি প্রধান করা হয়েছে।

এছাড়া অতিরিক্ত আইজিপি (সিআইডি) মো. ছিবগাত উল্লাহকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি পদমর্যাদা) মো. শওকত আলীকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার এবং এসবির ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি করা হয়েছে।

সরকারি দফতর ও শপিংমলগুলোতে চলছে বিদ্যুৎ অপচয়ের মহোৎসব

0

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ যখন কঠিন সমস্যায় পড়েছে, তখনও খোদ সরকারি অফিস এবং বাণিজ্যিক শপিংমলগুলোতে বিদ্যুৎ অপচয়ের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। যেন চলছে অপচয়ের মহোৎসব। দিনের আলোয়ও বাতি জ্বলছে এবং খালি কক্ষে ফ্যান ঘুরছে। রাত নামলে সেই অপচয় যেন আলোকসজ্জার নামে আরও দৃঢ় হয়ে উঠছে।সরেজমিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রধান ভবন ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নীতির মধ্যেই দিনের আলোতেই জ্বলছে সারি সারি লাইট, ঘুরছে ফ্যান। এমনকি ফাঁকা কক্ষেও বিদ্যুৎ অপচয়ের দৃশ্য চোখে পড়ে। একই চিত্র দেখা যায় অন্যান্য সরকারি দফতরেও।

অফিস ছুটির পর রাত নামলেও সরকারি দফতরে বিদ্যুৎ অপচয় থামে না। অনেক অফিসে জ্বলতে থাকে অসংখ্য বাতি। বেসরকারি খাতও পিছিয়ে নেই; জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও রাজধানীর বিভিন্ন শপিংমলে আলোকসজ্জার নামে বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে।

সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, দেশ টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব যখন ব্যবসায়ী ও অন্যান্য নেতারা ঠিকভাবে পালন করতে ব্যর্থ হন, তখন সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়।

প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের উদাহরণ স্থাপন করলেও, রাতের বেলায় সরকারি দফতরের আলোর ঝলকানি সেই উদ্যোগকে অনেকটা ম্লান করে দিয়েছে। প্রশাসনের একাংশের উদাসীনতার কারণে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সেই মহতী উদ্যোগ। পাশাপাশি এই দায়িত্বহীন অপচয় দেশের জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ওপরও হুমকি সৃষ্টি করছে।

সাধারণ মানুষ বলছেন, দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি রয়েছে। যদি সরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যুৎ অপচয় করে, তাহলে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষও যথেষ্ট বিদ্যুৎ পাবে না। শেষ পর্যন্ত যদি নিজেরা শুদ্ধাচরণ না করি এবং নির্দেশনাগুলো ঠিকভাবে অনুসরণ না করি, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর একক নির্দেশনাও কার্যকর হবে না। তাই তার দেখানো পথটা প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে দেশের সব অফিস ও আদালতে বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় এখন জাতীয় অগ্রাধিকার। এই অবস্থায় অপচয় রোধে দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অবস্থা খুবই নাজুক এবং চলতি বছর নতুন একটি সংকট দেখা দিয়েছে। তাই শুধু সচেতনতা বাড়ানোই যথেষ্ট নয়; কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজন পদক্ষেপ নেয়া ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া, যা একটি সুসংহত নীতিমালার মধ্যে আনা দরকার।

এয়ারবাস কেনার বিষয়ে যে বার্তা দিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত

0

ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জঁ-মার্ক সেরে-শারলে বলেছেন, দেশটি থেকে এয়ারবাস কেনার বিষয় এখনো আলোচনাধীন রয়েছে।সোমবার (১৬ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

এয়ারবাস কেনার বিষয়ে বর্তমান সরকার বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।এসময় ঢাকার সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।

এদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, এই মুর্হূতে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। তবে, জ্বালানি সহযোগিতায় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে যারা আসতে চাচ্ছেন তাদের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিশেষ ফ্লাইট এবং নিরাপদ অবস্থানের ব্যবস্থা করছে।

দেশে চালু হতে পারে ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’

0
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর

নাগরিকদের সব ধরনের তথ্য ও সুযোগকে একটি কার্ডের মাধ্যমে নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

সোমবার (১৬ মার্চ) ঢাকা নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে উন্নয়ন ও বিনিয়োগ নিয়ে কথা বলার পর তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ভারতের আধার কার্ডের অভিজ্ঞতা নিয়ে, দেশেও ‘ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড’ চালুর বিষয়ে চিন্তা করছে সরকার।এছাড়া ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ ও ব্যবসা বাড়াতেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, চীন ও ভারতের সঙ্গে ঋণ নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের সংস্কৃতি চালু করতে চাই। ঋণ নয়, এখন থেকে বিনিয়োগে জোর দেবে সরকার।

জ্বালানি বিষয়ে হওয়া চুক্তি বিষয়ে তিনি বলেন, অতীতের সরকার জ্বালানি বিষয়ে যেসব চুক্তি করেছিল সেগুলো অসম চুক্তি ছিল। ভারতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জ্বালানি বিষয়ে কী ধরনের চুক্তি করলে সেটি লাভজনক হয়, এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

আগের সরকারের চুক্তিগুলোর পুনরাবৃত্তি না করে, বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষিত হয় এমনভাবেই চুক্তি করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।

চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা বিষয়ে তিনি বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে এর আগে। বিশেষ করে ২০১৬ সালে চীনের সঙ্গে ২০ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা কী, তার অগ্রগতি পর্যালোচনা করে কীভাবে কৌশল নির্ধারণ করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতি হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ

0
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সভাপতি হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটিতে নিয়োগ পেতে; ম্যানেজিং কমিটি ও গভর্নিং বডিতে স্থান পেতে বেসলাইন হবে স্নাতক পাস। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সব প্রতিষ্ঠানের জন্যই এই নিয়ম থাকবে।’সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আজ আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিচ্ছি। গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান বা প্রেসিডেন্ট হওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের বেসলাইন হবে স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) ডিগ্রি।’

তিনি বলেন, ‘শুধু এটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকছি না; যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে আরও বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে। আমরা চাই যোগ্য ও দক্ষ মানুষদেরই এই কাঠামোর উচ্চতর স্তরে নিয়ে আসতে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় যে বিধান ছিল, সেখানে বলা হতো সিনিয়র শিক্ষক হতে হবে বা হেডমাস্টার হতে হবে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সুযোগ সীমিত ছিল।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, তখন অনেক সময় নেপোটিজম ও ফেভারিটিজমের অভিযোগও উঠত এবং বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে আলোচিত হতো না। আমরা মনে করি, সেই ধারা থেকে বের হয়ে সবার জন্য সুযোগের ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাধ্যমে একটি ন্যায্য ও কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।’

 

পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: প্রধানমন্ত্রী

0
সাহাপাড়ায় খাল খনন পরবর্তী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সাহাপাড়ায় খাল খনন পরবর্তী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আগামী ৫ বছরে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে, জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘উজান থেকে যখন পানি আসে তখন নদীর পাশের মানুষ ও পশুর ক্ষতির পাশাপাশি ঘরবাড়ি নষ্ট হয়। খাল খননের পর বর্ষার সময়ে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখব। উজান থেকে নেমে আসা পানি ধরে রাখতে পারলে সবাই উপকৃত হবেন।’সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর মৌজার সাহাপাড়ায় খাল খনন পরবর্তী আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুষ্ক কিংবা বর্ষা মৌসুমে কৃষকের পানি সরবরাহ করা যেতে পারে। কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। এত মানুষের খাবার বিদেশ থেকে আনা সম্ভব নয়। তাই কৃষির ওপরে গুরুত্ব দিতে হবে। পানির সঠিক ব্যবহার করতে হবে। মাটির নিচের পানি রিজার্ভ হিসেবে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, কৃষক বাঁচলে, দেশ বাঁচবে। খালগুলো খনন না হওয়ার কারণে ভরাট হয়ে গেছে। নদীও ভরাট হয়ে গেছে। বর্ষার মৌসুমের অনেক খরা হয়। পানি পাওয়া যায় না। আমরা এই বর্ষার পানিতে কাজে ব্যবহার করতে চাই। আমরা এমনভাবে পানি ব্যবহার করতে চাই, যাতে করে সমগ্র এলাকার মানুষ উপকার পায়।

সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে অনেক কথা বলেছি। আমরা ওয়াদা করেছি, সেগুলো আমরা এরই মধ্যে শুরু করেছি। খাল কাটার কাজ শুরু করেছি। আমরা বলেছি, সারা দেশে ৪ কোটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অনেক মানুষ কাজ করে। তাদের বিষয়ে আমরা চিন্তা করছি। তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অর্থনীতির ওপর চাপ পড়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী মাস থেকে কৃষকদের কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মধ্য কৃষকরা কার্ড পাবেন। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া কৃষকদের বন্ধু ছিলেন। আমরা কৃষকদের বন্ধু। কৃষক, কৃষাণী ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকব। তাদের ভালো রাখতে চাই। বাংলাদেশের কৃষকদের শক্তিশালী ভিত্তির ওপর রাখতে চাই।

‎তিনি বলেন, আমরা এমন একটি দল করি। যেই দলের কাজ হচ্ছে সাধারণ মানুষের উপকারের কাজ। যেই কাজ করলে সাধারণ মানুষ খুশি হয়, আমরা সেই কাজ করি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সাহাপাড়া খাল খনন শুরু হলো, ১২ কিলোমিটার খাল খনন শেষ হলে ৩১ হাজার কৃষক উপকৃত হবে। এই খাল থেকে কৃষকরা পানি নিয়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দিতে পারবে। সাড়ে ৩ লাখ মানুষ সুবিধার আওতায় আসবে। সবচেয়ে বড় বিষয় এই এলাকার কৃষকরা যে ফসল উৎপাদন করছে, তার থেকে ৬০ হাজার টন বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারবে। এই খালের দুপাশে রাস্তা নির্মাণসহ ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে। খাল খনন শেষ হলে আমি আবার পুনরায় দেখতে আসব, ইনশাআল্লাহ।

‎প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উত্তরাঞ্চল কৃষক প্রধান এলাকা। উত্তরাঞ্চল থেকে কৃষিভিত্তিক ইন্ডাষ্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সেখানে কৃষকদের সন্তান চাকুরি পাবেন। ১৯৭১ সালের যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। ২০২৪ সালে সাধারণ মানুষ ও ছাত্রজনতা স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চাহিদার দ্বিগুণ খাদ্য উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করেছিলেন। আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে। তবে সজাগ থাকতে হবে। কারা বিশৃঙ্খলা করতে চায় । তাদের বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। এই কাজগুলো আমার পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজগুলো করতে হবে। নির্বাচনে আপনাদের সমর্থনে যেমন আমরা সরকার গঠন করেছি। তেমনি আপনাদের সমর্থন ছাড়া কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণ হচ্ছে সকল ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মালিক জনগণ। আপনারা যদি আমাদের সঙ্গে থাকেন তাহলে যে কোনো পরিকল্পনা কাজ বাস্তবায়ন করতে পারব। ‎ ‎দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সমাজকল্যাণ ও নারী ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, দিনাজপুর-৪ আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের এমপি সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাহারোল উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক আলারুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক বাবু চৌধুরী।

খুলনার কয়রায় সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ

0

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের গ্রাজুয়েট স্কুলের পেছনে লোকা গ্রামের বেলায়েত হাওলাদারের বাড়ি থেকে লোকার হামকুরুর মোড় পর্যন্ত সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে এই সড়ক নির্মাণকাজ চলছে বলে জানা যায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কের বেডে মানসম্মত পাথরের খোয়া ব্যবহারের পরিবর্তে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। এতে সড়কটির স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

লোকা গ্রামের বাসিন্দা আরশাদ আলী বলেন, “নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করলে অল্পদিনের মধ্যেই তা নষ্ট হয়ে যাবে। এতে একদিকে সরকারি অর্থের অপচয় হবে, অন্যদিকে আমাদের ভোগান্তি বাড়বে।”

আরেক বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম বলেন, “আমরা চাই সঠিক মান বজায় রেখে কাজটি করা হোক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়মিত তদারকি করলে একটি টেকসই ও মানসম্মত সড়ক নির্মাণ সম্ভব।”

এ বিষয়ে এলাকাবাসী দ্রুত তদন্ত করে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার বন্ধ এবং কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তবে সড়ক নির্মাণকাজের সাথে জরিত ঠিকাদার আজিজুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, তিনি এখনো কাজের স্থানে যাননি। সম্ভবত ভাটা থেকে কিছু নিম্নমানের ইট সরবরাহ করা হয়েছে। যদি ইটের খোয়া নিম্নমানের হয়, তাহলে তা পরিবর্তন করা হবে।

এ বিষয়ে কয়রা উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবুল ফজল বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং নিম্নমানের খোয়া সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, “নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হলে তা পরিবর্তন করতে হবে। নিয়ম না মেনে কাজ করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন প্রকল্পটি প্যাকেজ আকারে হচ্ছে দুটি সড়কের কাজের মূল্য দুই কোটি ১৭ লক্ষ টাকা।”

অঘোষিত ফাইনালে টস হেরে ব্যাটিংয়ে টাইগাররা

0

রোববার (১৫ মার্চ) মিরপুরে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছে পাকিস্তান।তৃতীয় ম্যাচেও বাংলাদেশে একাদশে পরিবর্তন আনেনি। তবে একাদশে ৩ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে  পাকিস্তান।

এই ম্যাচ দিয়ে পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক হতে যাচ্ছে গাজী ঘোরি এবং সাদ মাসুদের। ইনজুরির কারণে হুসাইন তালাত বাদ পড়েছেন, আর নেই শামিল হোসেনও। এ ছাড়াও মোহাম্মদ ওয়াসিমের পরিবর্তে খেলছেন আবরার আহমেদ।

বাংলাদেশ একাদশ: তানজীদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, তাওহীদ হৃদয়, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক) রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা।

পাকিস্তান একাদশ: সাহিবজাদা ফারহান, মাজ সাদাকাত, গাজী ঘোরি, মোহাম্মদ রিজওয়ান, সালমান আলী আঘা, সাদ মাসুদ, আবুদল সামাদ, ফাহিম আশরাফ, শাহিন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, হারিস রউফ।

জামায়াত আমিরকে থামালেন স্পিকার

0

রোববার (১৫ মার্চ) সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এই ঘটনা ঘটে।এদিন জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবুকে একটি প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য ফ্লোর দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি বক্তব্য শুরু করার আগেই বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান নিজ আসন থেকে দাঁড়িয়ে কথা বলতে শুরু করেন। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং বর্তমান সংসদের বিশেষ প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করেন।

ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, “একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটে এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মহান আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। এই সংসদের কাছে এ দেশের আপামর জনসাধারণের প্রত্যাশা অনেক বেশি।”

তিনি আরও বলেন, একই দিনে দেশে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে—সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অনন্য ঘটনা।

শফিকুর রহমান যখন এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত বলতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই স্পিকার হস্তক্ষেপ করেন। স্পিকার সংসদীয় রীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাকে বসার অনুরোধ জানান।

বিরোধীদলীয় নেতাকে থামিয়ে দিয়ে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “এখন প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে। এই মুহূর্তে নির্ধারিত প্রশ্নের বাইরে অন্য কোনো আলোচনার সুযোগ নেই।” তিনি ডা. শফিকুর রহমানকে আশ্বস্ত করে বলেন, “প্রশ্নোত্তর পর্বটি শেষ হতে দিন, এরপর আপনাকে আপনার বক্তব্য দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হবে।”

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড বিষয়ে বৈঠক

0

রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিষয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার ,সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ আরো অনেকে।

আগামী পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলেও জানান আতিকুর রহমান রুমন।