বর্তমান সময় স্বঘোষিত কিছু মানুষের কাছে ডালের উপকারিতা ও অপকারিতা শোনার পর অনেকেই এ নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ডালের উপকারিতা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। একইসঙ্গে এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠে। এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম।
ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা কি ডাল খেতে পারেন:
ডালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুব বেশি নয়। বিশেষ করে মসুর ডালে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খুবই কম। রক্তের শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির বড় কারণ এই গ্লাইসেমিক ইনডেক্স। যা কম থাকা মানে খাবারটি ডায়াবেটিসের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায় না। এ জন্য ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা সহজেই ডাল রাখতে পারেন খাদ্যতালিকায়।
অন্তঃসত্ত্বারা কি মসুর ডাল খেতে পারেন:
মসুর ডালে প্রচুর পরিমাণ আয়রন থাকে। এ কারণে অন্তঃসত্ত্বা নারীরা মসুর ডাল খেলে উপকার পেয়ে থাকেন। আবার মসুর ডালের কিছু উপাদান গর্ভে সন্তানের স্নায়ুর বিকাশে সহায়তা করে।
কিডনির সমস্যায় কি ডাল খাওয়া নিরাপদ:
সব ধরনের ডালেই প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এ কারণে এসব ডাল কিডনির জন্য ক্ষতিকর নয়। বরং কিডনির জন্য উপকারী। ফলে যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডাল খেতে পারেন।
ডাল কি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ায়:
ডাল সম্পর্কে বিভিন্ন মানুষের নানা ধরনের প্রশ্ন। তবে চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে―এই ধারণা একদমই ঠিক নয়। ডাল খাওয়া হলে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ে না। ডালে উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের মাত্রা বেশি। ডাল খাওয়া হলে সহজেই হজম হয়। এ কারণে নিয়ম করে ডাল খাওয়া হলে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ে না।


