তবে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার পার্থক্য যেমন: অস্ট্রেলিয়ায় গ্রীষ্মের সময় বাংলাদেশে শীত, আবার
ইউরোপের অনেক জায়গায় গ্রীষ্মেও তেমন তীব্র গরম না থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে জাহান্নামের নিঃশ্বাস কি শুধু নির্দিষ্ট জায়গায় কাজ করে?
অলেমদের ব্যাখ্যায় জানা যায়, সূর্যের অবস্থান, সমুদ্রের বাতাস, বৃষ্টি, ভৌগোলিক অবস্থান ইত্যাদি কারণে পৃথিবীর আবহাওয়া বিভিন্ন হয়। তবে এদের সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে গায়েবি এক কারণ যা শুধু ওহীর মাধ্যমে জানা যায়। অর্থাৎ, প্রকৃতির দৃশ্যমান কারণ এবং আল্লাহর ইচ্ছায় ঘটে যাওয়া গায়েবি কারণ একসঙ্গে কাজ করে।
বিশিষ্ট আলেম শায়খ মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন (রহ.) বলেছেন, গরম ও শীতের প্রাকৃতিক কারণ
থাকলেও হাদিসে বর্ণিত গায়েবি কারণকে অস্বীকার করা উচিত নয়। যেমন সূর্যগ্রহণের বৈজ্ঞানিক কারণ থাকা সত্ত্বেও তা আল্লাহর ইচ্ছার নিদর্শন, তেমনি গরম-ঠান্ডাও আল্লাহর কুদরতের একটি প্রকাশ।
শুধুমাত্র প্রাকৃতিক কারণকেই গ্রহণ বা অগ্রাহ্য না করে, দৃশ্যমান বাস্তবতা এবং ওহীভিত্তিক সত্যকে মিলিয়ে দেখতে হবে। গ্রীষ্মের দাবদাহ বা শীতের কনকনে ঠান্ডা কেবল আবহাওয়ার ঘটনা নয়, বরং আল্লাহর শক্তি ও আখিরাতের স্মরণীয় বার্তা।


