মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) কাঁচপুর ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রটিতে মোট ৭৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিল ৭৬০ জন। এর মধ্যে দুটি হলের ১৭৭ জন পরীক্ষার্থীকে ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র দেয়া হয়।
পরীক্ষা শুরুর প্রায় ১ ঘণ্টা ২৫ মিনিট পর বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপর তাৎক্ষণিকভাবে ওই দুটি হলের পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শিক্ষার্থীদের নতুন করে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়। পরীক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সময় দিয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।
এ বিষয়ে কেন্দ্রসচিব মো. আবদুল মতিন সরকার বলেন, ‘আমরা বিষয়টি বুঝতে পেরে পরীক্ষার্থীদের যে সময়টা লস হয়েছিল, ওইটুকু সময় অতিরিক্ত দিয়ে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। আমাদের এমসিকিউ পরীক্ষা ঠিক হয়েছে, তবে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রে এ ভুল হয়েছে। এটা আমাদের কেন্দ্রের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত যারা আছেন, তাদের সবার ভুল। পরে পরীক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবেই নতুন প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষা বোর্ডে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।’
পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানায়, এমন পরীক্ষায় এ ধরনের ভুল কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। যাদের অবহেলার কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাই।
সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আলী জিন্নাহ বলেন, একটি কেন্দ্রের দুটি হলে ভুলবশত পরীক্ষার্থীদের পুরনো সিলেবাসের প্রশ্নপত্র দেয়া হয়েছিল। পরে শিক্ষার্থীদের যাতে কোনো ক্ষতি না হয়, সে জন্য অতিরিক্ত সময় দিয়ে নতুন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।


