মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
30.3 C
Dhaka

এই গরমে শ্যাম্পু করবেন কত দিন পরপর ?

0
গরমে কত দিন পরপর শ্যাম্পু করবেন?
গরমে কত দিন পরপর শ্যাম্পু করবেন?

গরমে ঘাম ও তাপমাত্রা বাড়ার কারণে মাথার ত্বক বা স্ক্যাল্পে তেল ও চিটচিটে ভাব বেড়ে যায়। এতে অনেকেই প্রতিদিন শ্যাম্পু করার কথা ভাবেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন শ্যাম্পু করা সব সময় প্রয়োজন নয়। বরং চুলের ধরন অনুযায়ী সঠিক ব্যবধানেই চুল ধোয়া সবচেয়ে জরুরি।

  • স্ক্যাল্পে কেন সমস্যা বাড়ে?

গরমে তাপমাত্রা বাড়লে স্ক্যাল্পে প্রাকৃতিক তেল নিঃসরণ বাড়ে। এই তেলের সঙ্গে ঘাম ও বিভিন্ন অ্যাসিড মিশে চুলের গোড়ায় জমে যায়। ফলে খুশকি, চুলকানি বা ডার্মাটাইটিসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে অতিরিক্ত শ্যাম্পু করলে উল্টো ফল হতে পারে। এতে চুলের প্রাকৃতিক তেল কমে যায় এবং শরীর আরও বেশি তেল তৈরি করতে শুরু করে। ফলে গোড়া তেলতেলে হলেও চুলের আগা হয়ে যায় শুষ্ক ও রুক্ষ।

  • চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পুর সময় ঠিক করুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, চুল ধোয়ার নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই—এটি নির্ভর করে চুলের ধরন ও তেল নিঃসরণের ওপর।

পাতলা বা সোজা চুল: প্রতি ১ থেকে ২ দিন অন্তর শ্যাম্পু করা ভালো
মাঝারি বা ঢেউখেলানো চুল: ২ থেকে ৩ দিন অন্তর শ্যাম্পু করা যেতে পারে
ঘন বা কোঁকড়ানো চুল: ৪ থেকে ৭ দিন অন্তর শ্যাম্পু করাই উপযুক্ত

  • ঘাম হলে কী করবেন?

ঘাম হলেই প্রতিবার শ্যাম্পু করার প্রয়োজন নেই। শুধু পানি দিয়ে চুল ও স্ক্যাল্প ধুয়ে নিলেই অনেক সময় যথেষ্ট। হালকা হাতে স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করলে পরিষ্কারভাব বজায় থাকে। প্রয়োজনে শুধু কন্ডিশনার ব্যবহার করা যেতে পারে।

  • শ্যাম্পু করার সময় কী মানবেন?

যখন প্রয়োজন মনে হবে, তখনই শ্যাম্পু করুন। শ্যাম্পু করার সময় শুধু মাথার গোড়ায় হালকা ম্যাসাজ করুন। সালফেটমুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুলের ক্ষতি কম হয়। মাসে দুইবার ক্ল্যারিফাইং শ্যাম্পু ব্যবহার করলে স্ক্যাল্প ভালোভাবে পরিষ্কার থাকে।

গরমে ঘাম বাড়লেও প্রতিদিন শ্যাম্পু করা সব সময় সমাধান নয়। বরং চুলের ধরন বুঝে সঠিক ব্যবধানে যত্ন নিলেই চুল থাকবে স্বাস্থ্যকর ও সুন্দর।

 

হার্টের রিং যে দামে বিক্রির নির্দেশ দিল সরকার

0
যে দামে হার্টের রিং বিক্রির নির্দেশ দিল সরকার
যে দামে হার্টের রিং বিক্রির নির্দেশ দিল সরকার

মঙ্গলবার (৯ জুন) ডিজিডিএ’র মহাপরিচালক মোহা. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চূড়ান্ত হওয়া নতুন দামে এক হাজার থেকে শুরু করে ৪৮ হাজার টাকা পর্যন্ত কমেছে স্টেন্টের (রিং) দাম।

চিঠিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বিশেষজ্ঞ কমিটির পঞ্চম ও ষষ্ঠ সভায় সুপারিশের আলোকে স্টেন্টের (রিং) দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত কমিটির সভায় কিছু প্রতিষ্ঠানের মূল্য পুনর্বিবেচনার আবেদন পর্যালোচনা করে নতুন দাম চূড়ান্ত করা হয়।

নির্দেশনা বলা হয়েছে, স্টেন্টসমূহের (রিং) হালনাগাদ মূল্য তালিকা সর্বসাধারণের অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট সকল হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে উম্মুক্ত স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য অনুসরণ করে ক্রয় ও বিক্রয় করতে হবে। তবে কোনোভাবেই চিকিৎসা প্যাকেজের মধ্যে এই মূল্য অন্তর্ভূক্ত করা যাবে না।

পাশাপাশি স্টেন্টের (রিং) নাম, সর্বোচ্চ মূল্য ও উৎপাদনকারীর নাম উল্লেখসহ পৃথক ক্যাশমেমো প্রদান করতে হবে। এছাড়াও ব্যবহৃত স্টেন্টের প্যাকেটটি রোগীকে সরবরাহের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

 

জাপান,৫০ বিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার করার জন্য

0
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে ৫০ বিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে জাপান
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিতে ৫০ বিলিয়ন ইয়েন ঋণ সহায়তা দেবে জাপান

মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ সরকার ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর মধ্যে একটি ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

চুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো সই রেন। এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের পক্ষে নোট বিনিময় (এক্সচেঞ্জ অব নোটস) চুক্তিতে সই করেন ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট লোন ফর এনহ্যান্সিং ইকোনমিক রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড স্টেবল এনার্জি সাপ্লাই’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় জাইকা বাংলাদেশকে ৫০ বিলিয়ন জাপানি ইয়েন, অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকার সমপরিমাণ ঋণ প্রদান করবে।

জাপান সরকারের ‘পার্টনারশিপ অন ওয়াইড এনার্জি অ্যান্ড রিসোর্সেস রেজিলিয়েন্স এশিয়া (পাওয়ার এশিয়া)’ উদ্যোগের আওতায় এটি প্রথম সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) ঋণ। এ উদ্যোগের লক্ষ্য এশিয়ার দেশগুলোকে জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত ঝুঁকি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় সহায়তা করা।

কর্মসূচিটি মূলত দুটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রণয়ন করা হয়েছে। এর একটি হলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং অন্যটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন শক্তিশালী করা।

এ কর্মসূচির আওতায় স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ এবং জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতিগত পদক্ষেপে সহায়তা দেয়া হবে। এর মাধ্যমে উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর টেকসই পরিচালনা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নত পরিকল্পনা এবং জ্বালানি সাশ্রয় কার্যক্রম জোরদার করা হবে। পাশাপাশি, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহ-অর্থায়নে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও সুশাসন সংক্রান্ত সংস্কার কার্যক্রমেও সহায়তা দেয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ উদ্যোগ দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, জ্বালানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করবে।

অস্ট্রেলিয়াকে ৮৬ রানের বড় ব্যবধানে হারালো বাংলাদেশ

0
২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ওয়ানডেতে উড়ন্ত শুরু বাংলাদেশের
২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ওয়ানডেতে উড়ন্ত শুরু বাংলাদেশের

মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুরে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে অস্ট্রেলিয়া ৪২ ওভার ২ বলে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান করার পর বৃষ্টি হানা দেয়। এরপর খেলা আর মাঠে না গড়ালে ডিএল মেথডে ৮৬ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

অজিদের ওয়ানডেতে লম্বা সময় ধরে হারাতে পারেনি টাইগাররা। তবে সেই অপেক্ষা শেষ হলো, ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচে অজিদের রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা।

এতে প্রায় ২১ বছর পর অজিদের পক্ষে ওয়ানডেতে জয় পেল টাইগাররা। সেই সঙ্গে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে মিরাজ বাহিনী।

এদিন জবাব নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই অস্ট্রেলিয়ার স্ট্যাম্প ভেঙে দেন তাসকিন আহমেদ। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ভাঙে ওপেনার ম্যাথু স্কটের স্ট্যাম্প। শূন্য রানে সাজঘরে ফেরেন স্কট।

তাসকিনের পর আঘাত হানেন মোস্তাফিজুর রহমানও। দ্বিতীয় ওভারে দ্বিতীয় বলে মোস্তাফিজ লেগ বিফোর করেন মার্নাস লাবুশেনকে। আম্পায়ার অবশ্য প্রথমে সাড়া দেন। রিভিউ নিয়ে উইকেট আদায় করে স্বাগতিকরা।

সেই ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন জশ ইংলিস ও কুপার কনোলি। কিন্তু রানার গতিতে ভেঙে যায় তাদের জুটি। ১১তম ওভারের প্রথম বলেই ইংলিসকে ফিরিয়ে দেন এই পেসার। ২৫ বলে ১৯ রান করেন অজি অধিনায়ক।

মাঝে ৪ বছর পর দলে ফেরা মোসাদ্দেকের ওপর আস্থা রেখেছিলেন অধিনায়ক মিরাজ। এই অলরাউন্ডারও অধিনায়ককে নিরাশ করেননি। ব্যাট হাতে ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস খেলার পর বল হাতেও নিজের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট তুলে নেন। থিতু হয়ে যাওয়া কলোনিকে বোল্ড করেন তিনি।

সাজঘরে ফেরার আগে কলোনির ব্যাট থেকে ৫০ বলে ৩৫ রান এসেছিল। এরপরে গুরুত্বপূর্ণ সময়েও ব্রেকথ্রু এনে দেন নাহিদ। তার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ৪৭ রান করা অ্যালেক্স ক্যারি।

মোসাদ্দেকের টার্ন করা ডেলিভারিতে ম্যাট রেনশও টিকতে পারেননি। অফে খেলতে চেয়েছিলেন রেনশ। কিন্তু বলের লাইনে যেতে পারেননি তিনি। জোরাল আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। রিভিউয়ের কথা ভাবলেও শেষ পর্যন্ত নেননি রেনশ। ৪ বলে তিনি করেন ২ রান।

নাহিদের বাউন্সারে অভিষিক্ত লিয়াম স্কটও টিকতে পারেননি। ১৪৬ কিলোমিটার গতির বলে গালিতে হৃদয়র হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ৪ বলে ২ রান করেন স্কট। এই পেসারের ১৪৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার গতির বাউন্সারে ১ রান করে আউট হন বার্টলেটও।

প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ব্যাট হাতে দারুণ পারফরম্যান্স, বল হাতেও কার্যকর ভূমিকার পর ফিল্ডিংয়েও উজ্জ্বল হয়ে উঠেন মোসাদ্দেক। তার অসাধারণ ক্যাচে জয়ের আরও কাছে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

মোস্তাফিজের অফ-কাটার ডেলিভারিতে কাভার দিয়ে শট খেলতে গিয়েছিলেন ন্যাথান এলিস। তবে টাইমিং ঠিকমতো করতে না পারায় মিড-অফ থেকে সীমানার দিকে দৌড়ে গিয়ে কাঁধের উপর দিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচটি তালুবন্দি করেন মোসাদ্দেক। ১৫ বলে মাত্র ৮ রান করেন এই ব্যাটার।

এরপর কেবলই উদযাপনের অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশ শিবির। কিন্তু স্বাগতিকদের জয়ের অপেক্ষা বাড়ায় বজ্রপাত। প্রাকৃতিক এই নিয়ামকের বাধায় ৩০ মিনিট ধমকে যায় খেলা। শেষমেষ আর কোনো বল মাঠে না গড়ালে বৃষ্টি-আইনে ৮৬ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে এদিনও ব্যর্থ ছিলেন সাইফ হাসান, ৫ রান করে ফেরেন সাজঘরে। দ্বিতীয় উইকেটে দলের হাল ধরেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনের ৯৭ রানের জুটি ভাঙে ৪৪ বলে ৫৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে তামিম বিদায় নিলে। তার আগে সাতটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান তিনি।

সুবিধা করতে পারেননি লিটন দাসও। ৭ রান করে তিনি সাজঘরে ফিরলে শান্তর সাথে হাল ধরেন তাওহীদ হৃদয়। তবে শান্তকেও থামতে হয়, ৬৭ রান করে তিনিও ধরেন সাজঘরের পথ। তার আগে ৮৬ বল মোকাবেলায় নয়টি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান। ৬ নম্বরে নেমে হৃদয়কে সঙ্গ দেন মোসাদ্দেক।

একপর্যায়ে হৃদয় সংগ্রাম করলেও মোসাদ্দেক ছিলেন আপন ছন্দে। ৫১ বলে ৩১ রান করে হৃদয় বিদায় নিলে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও ছিলেন নড়বড়ে। ১২ বল মোকাবেলা করে মাত্র ৩ রান করতে সমর্থ হন মিরাজ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। তবে মোসাদ্দেক রানের চাকা সচল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যান। মাঝখানে রান রেট কমে গেলেও মোসাদ্দেক পথ হারাতে দেননি।

মিরাজের বিদায়ের পর ‘ব্যাটার’ বনে যান তাসকিন আহমেদও। মোসাদ্দেক-তাসকিনের ব্যাটে ভর করে শেষপর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান দাঁড়ায় বাংলাদেশের সংগ্রহ। ৭০ বলে ৮৬ রান করে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক।

কমছে তিতাসের গ্যাস উৎপাদন, বাড়ছে জ্বালানি নিরাপত্তার শঙ্কা!

0

দিন দিন কমছে দেশের অন্যতম বড় ও প্রাচীন গ্যাসক্ষেত্র তিতাসের উৎপাদন। বিষয়টিকে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, উৎপাদন ধরে রাখতে নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপ সংস্কারের কাজ জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে শুধু তিতাস নয়, দেশের সব সম্ভাবনাময় এলাকাতেই গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদীর তীরে অবস্থিত তিতাস গ্যাসক্ষেত্র দেশের অন্যতম প্রাচীন গ্যাসক্ষেত্র। প্রায় ছয় দশক ধরে এটি বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস সরবরাহ করে আসছে। বিবিয়ানা ছাড়া দেশের অন্য কোনো গ্যাসক্ষেত্র দৈনিক উৎপাদনের দিক থেকে তিতাসের ধারেকাছেও নেই।

তবে জ্বালানি খাতের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় কোনো নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান মেলেনি। অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য উৎস তিতাসের উৎপাদনও ধারাবাহিকভাবে কমছে। পাঁচ বছর আগে যেখানে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হতো, বর্তমানে তা নেমে এসেছে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। এরই মধ্যে তিতাসের উত্তোলনযোগ্য মজুতের প্রায় ৮০ শতাংশ গ্যাস শেষ হয়ে গেছে।

বিবিয়ানার পর দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্যাস পাওয়া যায় তিতাস থেকে। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমে যাওয়া জ্বালানি খাতের জন্য বড় ধরনের সতর্ক সংকেত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মর্তুজা আহমদ ফারুক বলেন, অবশ্যই এটি উদ্বেগের বিষয়। শুধু তিতাস নয়, বিবিয়ানা থেকেও উৎপাদন কমছে। অথচ দেশের গ্যাসের চাহিদা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, এতদিন ধরে আমরা এই ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করছি। একটি গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাস একসময় শেষ হবেই। এ জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বাস্তবে আমরা সেই প্রস্তুতির ঘাটতি দেখতে পাচ্ছি।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থলভাগে দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন করা হচ্ছে তিতাস-৩১ নম্বর কূপে। এখানে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সম্ভাব্য মজুত থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন নতুন কূপ খননের কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক বলেন, আমরা এখন গভীর স্তরে অনুসন্ধান করছি। পাশাপাশি তিতাস-২৮, তিতাস-২৯ ও তিতাস-৩০ নম্বর কূপ খননের কাজ চলছে। এগুলো সফল হলে উৎপাদন আরও বাড়বে এবং আমরা কিছুটা স্বস্তির জায়গায় যেতে পারব।

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যমান মজুত কমে যাওয়ার পাশাপাশি নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে আরও জোরালো উদ্যোগ নিতে হবে। অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, এখনও আমাদের আশা আছে যে দেশীয় উৎস থেকে আরও বেশি গ্যাস পাওয়া সম্ভব। এতে আমরা পুরোপুরি আমদানিনির্ভর হয়ে পড়া থেকে রক্ষা পাব।

মর্তুজা আহমদ ফারুক বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে শুধু গ্যাস ব্যবহার করে যাচ্ছি, কিন্তু নতুন মজুত তেমন যোগ হচ্ছে না। বাপেক্স গত ১০ বছরে কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে, তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেগুলোর বেশিরভাগই ছোট। তাই গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম আরও বাড়াতে হবে।

১৯৬২ সালে আবিষ্কৃত তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতারও চার বছর আগে থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়।

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭

0

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে সোমবার (৮ জুন) ভোরে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক মানুষ। দেশটির সকসারজেন অঞ্চলেই ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩১টি মরদেহ। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বেশ কয়েকজন।

দেশটির সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এছাড়া ১০ হাজারেরও বেশি বাসিন্দা তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন।

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সারঙ্গানি প্রদেশের উপকূল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। এর কম্পন মিন্দানাওজুড়ে প্রবলভাবে অনুভূত হয় এবং প্রায় ৪২০ কিলোমিটার দূরে ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপের মানাদো শহরেও কাঁপুনি টের পাওয়া যায়।

ভূমিকম্পের পর দক্ষিণ ফিলিপাইন, উত্তর ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ার বোর্নিও দ্বীপের সাবাহ রাজ্যে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। উপকূলীয় বাসিন্দাদের দ্রুত উঁচু স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ছয় ঘণ্টার বেশি সময় পর সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।

এর আগে ১২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের আট মাস পর এ দুর্যোগ আঘাত হানল। গত বছর মধ্যাঞ্চলীয় সেবু দ্বীপের উপকূলে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ৭৯ জন নিহত হন। এর দুই সপ্তাহ পর মিন্দানাওয়ে ৭ দশমিক ৪ মাত্রাসহ আরও দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল। সূত্র: ফিলিপাইন নিউজ এজেন্সি।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক বৈঠক চলছে

0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে চলতি অর্থবছরের ১২তম এবং বিএনপি সরকারের চতুর্থ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক চলছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে এ বৈঠক শুরু হয়।

জানা গেছে, একনেকে উঠছে ১২টি প্রকল্পের প্রস্তাব, সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ১০৬ কোটি টাকা।

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে ও বাড়তে পারে

0
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে ও বাড়তে পারে

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি, চিকিৎসাসামগ্রী, প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর ও শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব আসতে পারে। এতে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বিলাসী পণ্য, কিছু আমদানি পণ্য, রড ও তামাকজাত পণ্যের ওপর কর ও শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব থাকায় এসবের দাম বাড়তে পারে।

আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন। বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা এবং ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৬.৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশ নির্ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার হতে পারে, যার মধ্যে বড় অংশ নিজস্ব ও বিদেশি অর্থায়ন থেকে আসবে।

যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে

নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য
চাল, ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলসহ প্রায় ৬০টি পণ্যে উৎসে কর কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করা এবং কিছু ক্ষেত্রে রেগুলেটরি ডিউটি প্রত্যাহারের প্রস্তাব আসতে পারে।

ভোজ্যতেল ও কৃষিখাত
দেশীয় তৈলবীজ থেকে উৎপাদিত ভোজ্যতেলে ১০ বছরের কর অব্যাহতির পরিকল্পনা থাকায় স্থানীয় তেলের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

জ্বালানি তেল
রিফাইনারি পর্যায়ে উৎসে কর ১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব আসতে পারে।

চিকিৎসাসামগ্রী ও ওষুধ
কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টারের আগাম কর প্রত্যাহার, ওষুধের কাঁচামালে শুল্ক ও ভ্যাট ছাড় এবং হার্টের রিং ও চোখের লেন্সে ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব রয়েছে।

মোবাইল ও টেলিযোগাযোগ
স্থানীয় মোবাইল উৎপাদনের কাঁচামালে কর কমানো, সিমের কর বাতিল এবং কিছু লাইসেন্স ফি–সংক্রান্ত কর প্রত্যাহারের সম্ভাবনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
বিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসে কর কমানো এবং সৌরবিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘমেয়াদি কর অব্যাহতির প্রস্তাব থাকতে পারে।

ইলেকট্রিক যানবাহন
ইভি চার্জিং স্টেশন, বাস ও ট্রাকে কর শূন্য করার পাশাপাশি নিবন্ধন ফি কমানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে।

সোনা ও প্রযুক্তিপণ্য 
সোনা উৎসে কর ও ভ্যাট কমানো এবং কম্পিউটারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যে আমদানি কর হ্রাসের প্রস্তাব আসতে পারে।

যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্য
সিগারেট ও নিকোটিন পাউচে উচ্চ হারে সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব থাকায় দাম বাড়তে পারে।

রড ও নির্মাণসামগ্রী
মাইল্ড স্টিলসহ রডজাত পণ্যে ভ্যাট ও কর বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।

বিলাসী ও আমদানি পণ্য
বিদেশি প্রসাধনী, উচ্চমূল্যের খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন বিলাসী পণ্যে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ভ্যাট আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।

কাজুবাদাম ও হিমায়িত মাছ
কাজুবাদামে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে এবং হিমায়িত মাছ আমদানিতে ভ্যাট বাড়ানোর প্রস্তাব থাকতে পারে।

দুপুরের মধ্যে যে ১৬ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

দেশের ১৬ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে চললেও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, সিলেট, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

রাতে দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস

0
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ নারীসহ ৫ জনের মৃত্যু

সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, রাত ১টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র।