শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬
শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬
28 C
Dhaka

বিএনপির অভিযোগ ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’: রুশ রাষ্ট্রদূত

0

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে বিএনপির অভিযোগকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মন্টিটস্কি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ভোটেই আওয়ামী লীগ নির্বাচনে জয় পেয়েছে।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে সেগুনবাগিচায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার মুহুর্তে গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন।

গত শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভিযোগ করে বলেন, ৭ জানুয়ারির প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকার জনগণের নয়, এটি ভারত, চীন ও রাশিয়ার সরকার। তাই বিএনপি এই সরকার মানে না।

এ প্রসঙ্গে আলেকজান্ডার মন্টিটস্কি বলেন, নির্বাচন বা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়েই রাশিয়া হস্তক্ষেপ বা নাক গলায়নি।

ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে টাকা-রুবলের বিনিময় নিয়ে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করছে। বাণিজ্য সহজীকরণে বাংলাদেশের সঙ্গে যেকোনো সময় চুক্তি হতে পারে।

বাংলাদেশ বা পৃথিবীর কোথাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে রাশিয়া স্বীকৃতি দেয় না- এমনটা জানিয়ে মস্কোর দূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশ ভোগান্তিতে পড়েছে।

ভারত থেকে আসবে চিনি-পেঁয়াজ, বিক্রি করবে টিসিবি 

0

ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আমদানি করে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে বিপণন করা হবে ভোক্তা পর্যায়।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে কথা বলেছি। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তাদের নিষেধাজ্ঞা ছিল যে, চিনি ও পেঁয়াজ কোনো পার্শ্ববর্তী দেশকে দেবে না। কিন্তু এখন তারা আমাদের আবেদনটা সহানুভূতি নিয়ে দেখছে। আমরা প্রস্তাব পাঠিয়েছি। আশা করছি, রমজানের আগেই আমরা একটা ইতিবাচক সাড়া পাব। সেই চিনি ও পেঁয়াজ আমরা টিসিবির মাধ্যমে বিপণন করতে পারবো।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদেরকে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনি দিতে পারবে বলে জানিয়েছে। আমরা বলেছি, আমাদের চাহিদা আরেকটু বেশি। আমরা ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ ও এক লাখ টন চিনি চেয়েছি। তারা বিষয়টি বিবেচনা করবেন। সামনে তাদের নির্বাচন, নিজেদের ভোক্তাদের কষ্ট দিয়ে তো আমাদের দেবে না তারা। যতটুকু সহনীয়, ততটুকুই তারা দেবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা গত ২২ জানুয়ারি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে চিঠি দিয়েছি। সেখানে চিনির যে ৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আছে, সেটা রমজান উপলক্ষে কমানোর প্রস্তাব দিয়েছি। ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশের জায়গায় পাঁচ শতাংশ শুল্কের প্রস্তাব আমরা দিয়েছি। আর খেজুরের একটা ভ্যালু (মূল্য) ঠিক করা ছিল, আমরা বলেছি, ইনভয়েস ভ্যালুতে (চালান মূল্য) করটা নির্ধারণ করার জন্য। এখন এনবিআরকে আপনারা প্রশ্ন করেন, যত দ্রুত তারা এটা দেবে, আমার জন্য মার্কেট অপারেশন তত সহজ হবে।

এনবিআরের সঙ্গে বৈঠক করা হবে কি না, জানতে চাইলে আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, এনবিআরের সঙ্গে আর বৈঠক করার দরকার নেই। গেল ২২ জানুয়ারি আমরা চিঠি দিয়েছি। বৃহস্পতিবার তারা চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এখন এনবিআর কেন দিচ্ছে না, সেটা গিয়ে তাদের বলতে হবে।

 

বর্ণাঢ্য আয়োজনে শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

0

বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নূর, এমপি বলেছেন,‘দেশে এমন একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আত্মপ্রকাশে একদিকে আমি যেমন গর্বিত, তেমনি ঈর্ষান্বিতও’ এ কারনেই যে আমাদের সময়ে এটা ছিলনা। সাংস্কৃতিতে উচ্চশিক্ষাদানের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়ীক কর্মমূখর প্রজন্ম তথা জাতি গঠনের লক্ষ্যে এখন থেকে দুই যুগ আগে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আত্মপ্রকাশের ব্যাপারটি সত্যিই প্রশংসনীয়।

তিনি বলেন, ব্যাতিক্রম ও যুগোপযোগী বিষয়ের জন্য কর্মমূখী, সৃজনশীল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবেও এর পরিচিতি রয়েছে বলে শুনেছি। অত্র অঞ্চলের প্রথম ডিজাইন বিশেষায়ীত সাংস্কৃতিক তথা সৃজনশীল বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিদার এই উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ও আদর্শের পদাংক অনুসরণ করে করে গড়ে তুলেছেন প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত। এমন এক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁকে ও সংশ্লিষ্টদের সাধুবাদ জানাই ও একই সঙ্গে এর উত্তরোত্তোর সাফল্য কামনা করছি।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরায় শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ফল ও সামার সেমিস্টার ২০২৩ এর নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ-ই-আলম।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান বরেণ্য শিল্পী অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পী অধ্যাপক হাশেম খান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর শামসুন নাহার ও রেজিস্ট্রার ড. পাড় মশিয়ূর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষক, কর্মকর্তাগণ।

তথ্য প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের এই যুগে একটু সচেতন হলে শুধু জব হোল্ডার নয়, উদ্যোক্তা হিসেবেও সফল হওয়ার নির্দেশনা ও পরামর্শসহ র‌্যাফেল ড্রো ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় প্রায় দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠান।

নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে ইজতেমা ময়দান: আইজিপি 

0

নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। পুলিশের যে কোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় পুলিশের কন্ট্রোল রুমে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে আহসান উল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন তিনি।

আইজিপি বলেন, ইজতেমাস্থলের নিরাপত্তায় প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য থাকবেন। এছাড়া, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, সোয়াট টিম, ডগ স্কোয়াড, বিস্ফোরক দ্রব্য বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টিম, ক্রাইম সিন ভ্যান, চুরি, ছিনতাই ও পকেটমার প্রতিরোধে টিম, নৌ টহল এবং হেলিকপ্টার টহল থাকবে। রেলওয়ে স্টেশনে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইজতেমা ময়দানের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ এবং কৌশলগত পয়েন্টসমূহে পর্যাপ্ত সংখ্যক সিসিটিভি, নাইট ভিশনসহ আইপি ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা থাকবে। ওয়াচ টাওয়ার স্থাপনের মাধ্যমে পুরো ইজতেমা ময়দানের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পুলিশ প্রধান বলেন, ইজতেমা ময়দানের প্রবেশপথগুলোতে আর্চওয়ে এবং হ্যান্ডহেল্ড মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। ইজতেমাস্থলে ভিআইপিদের গমনাগমন এবং অবস্থানকালে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইজতেমায় আগত বিদেশি মেহমানদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ইজতেমাকে ঘিরে এখন পর্যন্ত জঙ্গি হামলা বা নাশকতার সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। তবুও আমরা এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছি।

এ সময় স্পেশাল ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম, জিএমপি কমিশনার মাহবুব আলম, ডিএমপি, জিএমপি এবং ঢাকা রেঞ্জসহ পুলিশের অন্য বিশেষায়িত ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং তাবলীগের মুরব্বীরা ছিলেন।

সংরক্ষিত মহিলা আসনে গুরুত্ব পাবে ত্যাগীরা : ওবায়দুল কাদের

0

সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে দলের পরীক্ষিত ও ত্যাগীদের গুরুত্ব দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য মনোনয়ন নেয়ার বা চাওয়ার যে হিড়িক, সেই তুলনায় আমাদের দেয়ার সুযোগ খুব কম।

তিনি বলেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনে দলগতভাবে ৩৮টি, আর স্বতন্ত্র থেকে ১০ জন মিলিয়ে ৪৮টি মনোনয়ন দেয়া হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পথ হারা পথিকের মতো দিশেহারা বিএনপি। বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের প্রতি দেশের মানুষের কোনো আগ্রহ নেই। আমাদেরও কোনো আগ্রহ নেই।

বইমেলাকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই: ডিএমপি কমিশনার

0

অমর একুশে বইমেলাকে ঘিরে সুনির্দিষ্ট হামলার কোনো হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

বুধবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ডিএমপির নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করতে এসে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, বইমেলা অসাম্প্রদায়িক আয়োজন। এই আয়োজনকে বিভিন্ন সময় হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। এখানে নাশকতা ও জঙ্গি তৎপরতার অতীত ঘটনা রয়েছে। এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে মাথায় রেখে নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই।

বিভিন্ন সময় বেশ কিছু বইয়ের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ। এবার এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কী না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো বইয়ের লেখার বিষয়টি বাংলা একাডেমি দেখাশোনা করে থাকে। তবে এমন কোনো লেখা বা বিষয় যদি পাঠকের নজরে আসে বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় এবং সেটি নিয়ে যদি কোনো সমালোচনা হয় তখন পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা ও প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

মসুর ডালের নানা গুণ জেনে নিন

0

আমাদের দেশে মসুর ডাল না হলে ভাত খেতে পারেন না, এমন মানুষের সংখ্যা অনেক। শুধু আমাদের দেশেই নয়, গোটা বিশ্বজুড়েই এটি খুব জনপ্রিয় একটি খাবার। মসুর ডাল দিয়ে তৈরি করা হয় নানা রকমের পুষ্টিকর ও মুখরোচক খাবার। যেমন- ডালের চচ্চড়ি, ডালনা, নিরামিষ, পিঁয়াজু, ডালপুরি, ডালের স্যুপ, আম ডাল, পুঁই ডাল ইত্যাদি।

মসুর ডাল প্রোটিনের আধার বলে একে মাংসের বিকল্প হিসেবেও ধরা হয়। মসুর ডাল শুধু সুস্বাদুই নয় এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ। যেমন, খনিজ পদার্থ, আঁশ, খাদ্যশক্তি, আমিষ, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি-২ ও শর্করা ইত্যাদি।

মসুরের ডাল খেলে কী হয়, কেন খাবেন?

* চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে মসুর ডাল। এটি খেলে চোখের সমস্যা দূর হয় ও দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। তাই পাতে এই ডাল রাখা ভালো।

* ত্বক ভালো রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী মসুরের ডাল। এই ডাল ত্বকের বহু সমস্যা মেটায়। ত্বক উজ্জ্বল করে ও ত্বক মসৃণ করে।

* দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে মসুর। রোজ এই ডাল খেলে দাঁত শক্ত ও মজবুত হয়। তাড়াতাড়ি দাঁত পড়ে না। শিশুদের দাঁতও ভালো থাকে।

* হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে মসুরের ডাল। হাড়ের জোড় বাড়াতে পারে এই উপাদান। যাদের আর্থরাইটিসের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্যেও বেশ উপকারী।

* ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে এই উপাদান। তাই ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী এই ডাল।

দুর্নীতির ব্যাপকতা বেড়েছে সরকারি খাতে: টিআইবি

0

সরকারি খাতে গত কয়েক বছরে দুর্নীতির ব্যাপকতা বেড়েছে বলে দাবি করেছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, বাস্তবিক অর্থে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অঙ্গীকার কার্যকরভাবে প্রয়োগ হয়নি।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) ২০২৩ সালের পরিস্থিতি বিবেচনায় তৈরি ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)’ তুলে ধরে এ কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি বলেন, ইকোনমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের গবেষণা অনুযায়ী ২৪টি পূর্ণ গণতান্ত্রিক, ৪৮টি ত্রুটিপূর্ণ গণতান্ত্রিক, ৩৬টি হাইব্রিড গণতান্ত্রিক ও ৫৯টি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের গড় সিপিআই স্কোর যথাক্রমে ৭৩, ৪৮, ৩৬ ও ২৯। অথচ বাংলাদেশের স্কোর ২৪।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু এই সময়ে দুর্নীতির ব্যাপকতা ঘনীভূত ও বিস্তৃত হয়েছে। সরকারি ক্রয় ও বিতরণ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে দুর্নীতির অসংখ্য তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এ ছাড়া অর্থ পাচারের আশঙ্কাজনক চিত্র উঠে এলেও দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান দুর্নীতি দমনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতে কার্যকরতা দেখাতে পারেনি। বরং দুদকসহ বিভিন্ন জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রভাব ব্যাপকতর হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল, টিআইবির উপদেষ্টা (নির্বাহী ব্যবস্থাপনা) অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) শেখ মনজুর-ই-আলম, সমন্বয়ক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বাধ্য হয়ে ঘুষ দিলে কি গুনাহ হবে?

0

ঘুষের আদান-প্রদান ইসলামে অত্যন্ত নিন্দনীয়, গর্হিত ও নিকৃষ্ট অপরাধ। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না এবং জনগণের সম্পদের কিয়দংশ জেনে-শুনে পাপ পন্থায় আত্মসাৎ করার উদ্দেশে শাসন কর্তৃপক্ষের হাতেও তুলে দিও না।’ (সুরা বাকারা: ১৮৮)

অবৈধ পন্থায় অতিরিক্ত কিছু দেয়া ও নেয়াকে ঘুষ বলে। এর দুটোই অভিসম্পাতযোগ্য অপরাধ। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন- ‘ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহীতার ওপর আল্লাহর অভিসম্পাত’ (ইবনে মাজাহ: ২৩১৩; আবু দাউদ: ৩৫৮০; তিরমিজি: ১৩৩৬)। অন্য হাদিসে এসেছে, ‘ঘুষদাতা ও গ্রহীতা উভয়ই জাহান্নামি।’ (মু’জামুল আউসাত: ২০২৬)

ঘুষ শুধু শরিয়তের দৃষ্টিতেই হারাম নয়, সামাজিক ব্যাধি হিসেবেও স্বীকৃত। ঘুষের আদান-প্রদানে সমাজে বহুমাত্রিক বিশৃঙ্খলা, বিনাশ, ধ্বংস ও বিপর্যয় নেমে আসে। ঘুষের কারণে অযোগ্য ব্যক্তিও বড় দায়িত্ব পেয়ে যায়। ফলে দেশ ও জাতি মারাত্মকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়। তাছাড়া অযোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব গ্রহণ কেয়ামতের অন্যতম নিদর্শন। রাসুল (স.) বলেছেন, ‘যখন আমানত নষ্ট হয়ে যাবে, তখন কেয়ামতের অপেক্ষা করবে।’ জিজ্ঞেস করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আমানত কীভাবে নষ্ট হবে?’ তিনি বললেন, ‘যখন কোনো দায়িত্ব অযোগ্য ব্যক্তির ওপর ন্যস্ত করা হবে, তখন কেয়ামতের অপেক্ষা করবে।’ (বুখারি: ৬৪৯৬)

এরপরও ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্রহীতার মধ্যে অনেক বড় পার্থক্য সূচিত করে ইসলাম। ঘুষগ্রহীতা সবসময়ই জালেম ও ধোঁকাবাজ বিবেচিত হয়। সে নির্লজ্জ হয়েই ঘুষ চায়, বিন্দুমাত্র সংকোচবোধ থাকে না বলেই সে ঘুষ চায়। তাই তার ঘুষের উপার্জনটি সবসময়ই হারাম।

কিন্তু ঘুষদাতা অনেকসময় বাধ্য হয়েই ঘুষ দেন। তাই অনন্যোপায় হলে ঘুষ দেওয়া তার জন্য বৈধ হয়ে যায়। যেমন চাকরির ক্ষেত্রে—অন্য কাজের সুযোগ না থাকলে এবং ওই চাকরি করার যোগ্যতা ও মানসিকতা থাকলে ঘুষ দেওয়া বৈধ। কেননা, সে তো বাধ্য হয়ে দিয়েছে, এখানে কিছু করার নেই। সুতরাং এক্ষেত্রে সে আল্লার কাছে তাওবা করবে এবং অন্যকোনো কাজের সন্ধানে থাকবে। চাকরি ছাড়াও প্রত্যেকটি বিষয়ে ঘুষ দেওয়া ও নেওয়ার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

তবে, এই পার্থক্য কেবল বড় বিপদের শঙ্কা থাকলে। ইসলামি শরিয়তে আত্মরক্ষা করা, নিজেকে বাঁচানো অপরিহার্য বিষয়। তা যেকোনো বিষয়েই হোক না কেন। কেননা আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘তোমরা নিজ হাতে নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিও না।’ (সুরা বাকারা: ১৯৬)

অতএব সাধারণভাবে ঘুষদাতা ও গ্রহীতা দুজনই লানতযোগ্য হলেও নিজের হক আদায় বা জুলুম থেকে বাঁচতে ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি আলাদা। এ প্রসঙ্গে প্রখ্যাত মনীষী খাত্তাবি (রহ.) বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি যদি নিজের অধিকার আদায় করতে গিয়ে কিংবা নিজের উপর জুলুম প্রতিহত করতে গিয়ে ঘুষ দেয় তাহলে সে উক্ত সতর্কবাণীর (লানত) অন্তর্ভুক্ত হবে না।’ (মাআলিমুস সুনান: ৫/২০৭)

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ঘুষ দেওয়া-নেওয়া থেকে বিরত থাকার তাওফিক দিন। ঘুষ দিয়ে যেন চাকরি বা যেকোনো কাজ করতে না হয়, অনন্যোপায় হয়ে করলেও সেখানে যেন স্থায়ী হতে না হয়, সেই তাওফিক দান করুন। আমিন।

(তথ্যসূত্র: রদ্দুল মুখতার: ০৮/৩৪; ইলাউস সুনান: ১৫/৬১; রদ্দুল মুখতার: ০৯/৬০৭; ফাতহুল কাদির: ০৭/২৫৫; আল-বাহরুর রায়েক: ০৬/২৬২)

সংসদের প্রথম অধিবেশন মিস করলেন সাকিব ও মাশরাফী 

0

মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও সাকিব আল হাসান চলমান বিপিএলের ম্যাচ খেলতে সিলেটে রয়েছে। তাই এই দুই সংসদ সদস্য সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থিত হয়ে পারেনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে সাকিব ও মাশরাফী নড়াইল-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুর ৩টা থেকে দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে। এ সময় কুমিল্লার বিপক্ষে ২২ গজে লড়াই করছিলেন সাকিব। অন্যদিকে সন্ধ্যার ম্যাচে মাঠে নেমেছে মাশরাফী।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুপুর দেড়টায় দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় কুমিল্লা ও রংপুর। এই ম্যাচে সাকিবকে মাঠে দেখা যায়। ব্যাট হাতে না নামলেও, বল হাতে খরুচে ছিলেন সাকিব। ৪ ওভারে ৪১ রান খরচায় অবশ্য একটি উইকেটও পেয়েছেন। তবে ৮ রানের জয়ে মাঠ ছেড়েছে সাকিবের দল।

সন্ধ্যায় দিনের অপর ম্যাচে টস জিতে বরিশালকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় মাশরাফীর সিলেট। প্রতিটি ম্যাচেই সিলেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। অধিনায়কের দায়িত্বে থাকায় শেষ পর্যন্ত আর প্রথম অধিবেশনে যোগ দেয়া হয়নি ম্যাশের।