মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
28.2 C
Dhaka

ছেলেকে মাদরাসায় রাখতে যাচ্ছিলেন বাবা, পথে গুলি করে হত্যা

0

সোমবার (৮ জুন) রাতে পাবনা পৌর এলাকার জামিয়া আশরাফিয়া মাদরাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলী হোসেন একই এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সন্ধ্যা ৭টার দিকে জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় সন্তানকে রাখতে যাচ্ছিলেন আলী হোসেন। কিন্তু, আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা সন্তানের সামনেই তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আলী হোসেন মারা যান।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, নিহতদের মধ্যে আলী হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা!

0
দ্বিগুণ হচ্ছে যাদের পেনশন

আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা থাকলেও জুন মাসের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রশাসনিক ও আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ফলে, নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা যেমন বাড়ছে, তেমনি আছে উৎকণ্ঠাও। এখন তাদের দৃষ্টি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সম্ভাব্য প্রজ্ঞাপনের দিকে।

সরকারি চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরেই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে ন্যূনতম বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশসহ নানা প্রস্তাবনার খবর প্রকাশ পেলেও এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনো চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো একযোগে বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে কার্যকর করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তবে, এই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছেন বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠনের নেতারা।

তাদের দাবি, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নতুন পে স্কেল চালু করা হলে তা আংশিকভাবে নয়, একবারেই পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাদের মতে, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ধাপে ধাপে বেতন বৃদ্ধি কর্মচারীদের আর্থিক চাপ কমাতে যথেষ্ট হবে না।

সরকারি চাকরিজীবীদের অনেকেই মনে করছেন, নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে তা কর্মচারীদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে, বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘসূত্রতা এবং অস্পষ্টতার কারণে অনিশ্চয়তায় ভুগছেন তারা।

পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশে বিদ্যুৎমন্ত্রীর নতুন নির্দেশ

0

সোমবার (৮ জুন) সকালে বিদ্যুৎ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সঞ্চালন ও বিতরণ সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।

সভায় দেশের বিদ্যমান বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ সক্ষমতা, দুর্বলতা, স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থা, পারমাণবিক বিদ্যুৎ সংযুক্তির চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হওয়ার আগেই সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে, তা মোকাবিলার প্রস্তুতি নিতে হবে।

বিদ্যুৎব্যবস্থা নিরাপদ ও আধুনিক করতে একটি ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, পারমাণবিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পিজিসিবিকে প্রয়োজনীয় গবেষণা ও কনসেপ্ট পেপার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীকালে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ বিদেশি পরামর্শকদের মাধ্যমে ওই প্রস্তাবনা মূল্যায়ন করা হবে। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে কয়লা ও সৌরবিদ্যুতের দিকে অগ্রসর হয়েছে। এখন পারমাণবিক বিদ্যুতের দিকে এগোচ্ছে দেশ। তবে, এজন্য সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

মন্ত্রী  বলেন, এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে একটি কার্যকর স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও ওয়ার্কিং পেপার প্রস্তুত করতে পিজিসিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি অত্যন্ত উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর ও জটিল ব্যবস্থা। তাই জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।

এদিকে বিদ্যুৎ খাতে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম, পিজিসিবির প্রধান প্রকৌশলী মো. মঞ্জুরুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মচারীর বিয়ে খেতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উড়ে এলেন সৌদির কফিল

0

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামে প্রবাসী যুবকের বিয়েকে ঘিরে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। সোমবার (৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে চাউরা কবি সানাউল হক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে হেলিকপ্টারটি অবতরণ করে।

হেলিকপ্টার নামার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সকাল থেকেই আশপাশের এলাকা থেকে মানুষ ভিড় করতে শুরু করেন। হেলিকপ্টারটি মাটিতে স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা উৎসবে পরিণত হয়।

জানা গেছে, মধ্যপাড়া গ্রামের সুদন মিয়ার ছোট ছেলে মো. বাপ্পি গত চার বছর ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। তার বড় ভাই মাসুদ রানা প্রায় পাঁচ বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে তাদের সঙ্গে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান মালিক ফায়েজ আল মাকদুবি এবং তার দুই বন্ধু সালমান আল মুতাহারী ও আহাদ মোহাম্মদীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

মাসুদ রানা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কফিল ও তার বন্ধুরা বাংলাদেশে আসার আগ্রহ প্রকাশ করছিলেন। ছোট ভাইয়ের বিয়েতে অংশ নিতে তারা সৌদি আরব থেকে এসেছেন। তাদের এই আগমনে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।

বর মো. বাপ্পিও সৌদি আরবে কর্মরত। তার বিয়েতে সৌদি অতিথিদের উপস্থিতি পরিবার ও এলাকাবাসীর জন্য বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ হয়ে ওঠে।

বাবা সুদন মিয়া বলেন, আমার ছেলের বিয়েতে তার মালিক সুদূর সৌদি আরব থেকে এসেছেন—এটি আমাদের পরিবারের জন্য গর্বের বিষয়। এমন ঘটনা এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি।

স্থানীয়রা জানান, সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের মধ্যপাড়ায় এ ধরনের বিদেশি অতিথির আগমন এই প্রথম। হেলিকপ্টারযোগে তাদের আগমন পুরো এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে এটিকে এলাকার জন্য একটি স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে দেখছেন।

এলাকাবাসীর আশা, এই সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে এলাকার তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে। তাদের মতে, সৌদি অতিথিদের মাধ্যমে স্থানীয় দক্ষ জনশক্তির জন্য বিদেশে কাজের নতুন দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।

প্রবাসী যুবকের বিয়ে ও সৌদি অতিথিদের আগমনকে ঘিরে মধ্যপাড়া গ্রাম এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন হেলিকপ্টার দেখতে ও অতিথিদের একনজর দেখার জন্য। ব্যতিক্রমী এই আয়োজন প্রবাসী বাপ্পির বিয়েকে দিয়েছে এক অনন্য মাত্রা, যা দীর্ঘদিন মনে রাখবেন এলাকাবাসী।

টিকে থাকতে উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে লিখেন, বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস প্রতিবছর আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের পণ্য ও সেবার নিরাপত্তা, গুণগত মান এবং আস্থার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম (আইএএফ) এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো-অপারেশন (আইএলএসি) প্রতিবছর ৯ জুন বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস হিসেবে পালন করে।

তিনি লিখেন, দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ‘Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation’, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী। বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন, আস্থা এবং টেকসই উন্নয়ন একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি। এ প্রেক্ষাপটে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) কর্তৃক বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উদযাপনের উদ্যোগ সময়োপযোগী।

তারেক রহমান লিখেন, বর্তমানে ভোক্তারা আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন। তারা শুধু পণ্যের গুণগত মানই নয়, বরং উৎপাদনের নৈতিকতা, সামাজিক দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশের ওপর এর প্রভাবও বিবেচনায় নেন। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে আমাদের উদ্ভাবনী ও টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করা জরুরি।

তিনি আরও লিখেন, অ্যাক্রেডিটেশন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান নিশ্চিতকরণ ব্যবস্থা, যা নির্দিষ্ট মানদণ্ডের ভিত্তিতে পণ্য ও সেবার গুণগত মান যাচাই করে। অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি সনদ বা স্বীকৃতি নয়, এটি দেশের শিল্পখাতকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এর মাধ্যমে বিএবি বাংলাদেশের পণ্য ও সেবাকে বিশ্ববাজারে আরও গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলছে। এ পর্যন্ত বিএবি দেশে ১৬৮টি সরকারি, বেসরকারি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে। বর্তমানে পাঁচটি ক্ষেত্রভিত্তিক স্কিমের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী লিখেন, আমি আশা করি, ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’ দেশের মান অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে। আমি ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি, দায়ী আগের সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

0
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সরকারি দলের সদস্য জসীম উদ্দিন আহমেদের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। পাশাপাশি সার্কভূক্ত দেশসমূহের মধ্যে আফগানিস্তান, ভুটান এবং পাকিস্তানের সঙ্গেও বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের ভুল নীতির কারণে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মূল্যবৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতিও এতে ভূমিকা রেখেছে।

তিনি আরও বলেন, জ্বালানি, খাদ্য ও শিল্প কাঁচামাল আমদানির উচ্চ ব্যয় এবং রপ্তানির তুলনায় ধীর প্রবৃদ্ধি বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১৬ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার, ২০২১-২২ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ২৮ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ২৭ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ২১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ২৪ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার।

একই সময়ে দেশের রপ্তানি আয় ও আমদানির চিত্রও তুলে ধরেন মন্ত্রী। সে অনুযায়ী, গত ৫ বছরে রপ্তানি আয় ছিল যথাক্রমে ৪৫ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার, ৬০ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার, ৫৩ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার, ৫১ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার এবং ৫৫ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে আমদানি ব্যয় ছিল যথাক্রমে ৬১ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার, ৮৯ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার, ৭৮ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার, ৭২ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার এবং ৭৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং রপ্তানি বৃদ্ধি করতে বর্তমান সরকার এরই মধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২০২টি দেশে পণ্য রপ্তানি করেছে। তবে মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে আসে। এই নির্ভরতা কমাতে সরকার অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে প্রণোদনা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া, চামড়া, পাট, কৃষিপণ্য, ওষুধ, আইসিটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হিমায়িত খাদ্য ও মাছ এবং প্লাস্টিক খাতে রপ্তানিকারকদের ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ড সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, রপ্তানি বৈচিত্র্য আনতে ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিওপি)’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার আওতায় ৬৪ জেলার মধ্যে ১৪টি পণ্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জানান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক ও নিউজিল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে এফটিএ সইয়ের তৃতীয় দফা আলোচনা ২০২৬ সালের আগস্টে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেপে ঊঠলো ফিলিপাইন, ৩ দেশে সুনামি সতর্কতা

0
ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, ৩ দেশে সুনামি সতর্কতা
ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, ৩ দেশে সুনামি সতর্কতা

রোববার ( ৭ জুন ) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের কিছু আগে এই ভূকম্পন অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস।

এই শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্যাসিফিক সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টারের তথ্যানুযায়ী, ফিলিপাইনের উপকূলীয় এলাকায় ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু সুনামির ঢেউ আঘাত হানতে পারে। এছাড়া ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার কিছু অংশে ১ মিটার পর্যন্ত উঁচু ঢেউয়ের আশঙ্কা রয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সুনামি ওয়ার্নিং সেন্টার জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই।

ইতোমধ্যে ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও জাপানের কর্মকর্তারা সতর্কবার্তা জারি করে উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

ফিলিপাইনের ইনস্টিটিউট অফ ভলকানোলোজি অ্যান্ড সিসমোলজি জানিয়েছে, সারানগানি, ডাভাও অক্সিডেন্টাল, তাউই-তাউই এবং সুলুসহ নয়টি প্রদেশের উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে উঁচু স্থানে বা আরও ভেতরে সরে যেতে হবে।

নৌযানগুলোর বিষয়ে বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বন্দর, মোহনা বা অগভীর উপকূলীয় এলাকায় থাকা নৌকার মালিকদের তাদের নৌকাগুলোকে উপকূল থেকে দূরে সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া সমুদ্রে থাকা নৌকাগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে অবস্থান করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

৭২ কোটি ব্যয়ে সরাসরি ফিফা থেকে বিটিভি, বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কিনছে,

0
সরাসরি ফিফা থেকে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কিনছে বিটিভি, ব্যয় ৭২ কোটি
সরাসরি ফিফা থেকে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কিনছে বিটিভি, ব্যয় ৭২ কোটি

রোববার (৭ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ১৭তম সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ফিফা থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডাইরেক্ট প্রোকিউরমেন্ট) বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব কেনার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

একই দিন সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৫তম সভায় এ সংক্রান্ত ক্রয় প্রস্তাবটিও অনুমোদন পায়।

সভায় জানানো হয়, ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬-এর ‘অল মিডিয়া রাইটস’ কিনতে মোট ব্যয় হবে ৭২ কোটি ৭০ লাখ ৫৭ হাজার ৬৯২ টাকা। আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন (ফিফা) থেকে সরাসরি এই স্বত্ব কেনা হবে।

 

বাংলাদেশের ‘নিশি’ মন্টেনিগ্রোর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় 

0
মন্টেনিগ্রোর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ‘নিশি’
মন্টেনিগ্রোর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ‘নিশি’

১ থেকে ৩ আগস্ট মন্টেনিগ্রোর জাবলজাক পৌরসভায় অবস্থিত ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট দুরমিতর ন্যাশনাল পার্ক–এর ব্ল্যাক লেকের তীরে অনুষ্ঠিত হবে এই উৎসব। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এটি মন্টেনিগ্রোর একমাত্র পরিবেশবাদী চলচ্চিত্র উৎসব এবং বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিবেশভিত্তিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোর একটি।

উৎসবের মূল প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের এই চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হবে ব্ল্যাক লেকের তীরে আয়োজিত পরিবেশবাদী চলচ্চিত্র উৎসবে।

গোলাম রাব্বানীর গল্প ও চিত্রনাট্যে নির্মিত ‘নিশি’ যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন গোলাম রাব্বানী ও জহিরুল ইসলাম।

আন্তর্জাতিক নির্বাচনের প্রতিক্রিয়ায় গোলাম রাব্বানী বলেন, সিনেমার মাধ্যমে বাংলাদেশের গল্প বিশ্বদর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং বিভিন্ন দেশের নির্মাতাদের অভিজ্ঞতা থেকে শেখার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তিনি এ যাত্রায় সহযোগিতার জন্য তাঁর ফিল্ম স্কুলের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান।

ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার প্রযোজনায় ছবিটি নির্মিত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশ, গ্রিন ফিল্ম স্কুল অ্যালায়েন্স ও ইউনেসকো ঢাকার সহযোগিতায়। গল্পে দেখা যায়, পানির সংকটে এক চা-শ্রমিক পরিবারের মেয়ের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়। বাড়িতে টিউবওয়েল বসানোর প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা নিশিকে বিয়ে করতে চায় এক কাঠ ব্যবসায়ী—এভাবেই এগোয় কাহিনি।

ছবিটির চূড়ান্ত সম্পাদনা, কালার গ্রেডিং ও সাউন্ডের কাজ হয়েছে পোল্যান্ডের বিখ্যাতলজ ফিল্ম স্কুলে। চিত্রগ্রহণ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক শিক্ষার্থী নাতালিয়া পুসনিক। সিলেটের একটি চা-বাগান ও আশপাশের এলাকায় হয়েছে শুটিং। অভিনয়ে আছেন চা-বাগানের শ্রমিক পরিবারের সদস্যরাই, যাদের মধ্যে রয়েছেন নিশি, বিশ্বজিৎ, গণেশ ও ভারতী।

এর আগে ‘নিশি’ আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি অর্জন করেছে। মন্টেনিগ্রোর এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ছবিটির আন্তর্জাতিক যাত্রায় যোগ হলো নতুন অধ্যায়।

৯ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে দারালো মূল্যস্ফীতি

0
মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ
মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে সাধারণ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ ছাড়া, ২০২৫ সালের মে মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ। সে তুলনায় চলতি বছরের মে মাসের হার সামান্য বেশি।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ০৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ হয়েছে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ।

বিবিএস জানায়, দেশের ৬৪টি জেলার তথ্যের ভিত্তিতে মে মাসের ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) প্রস্তুত করা হয়েছে।

গ্রামীণ এলাকায় মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ।

গ্রামীণ খাদ্য মূল্যস্ফীতি এপ্রিলের ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ থেকে বেড়ে মে মাসে ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ হয়েছে।

শহরাঞ্চলে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি এপ্রিলের ৯ দশমিক ০২ শতাংশ থেকে বেড়ে মে মাসে ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে। তবে এটি ২০২৫ সালের মে মাসের ৯ দশমিক ৫০ শতাংশের তুলনায় কম।

শহরাঞ্চলে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ২৯ শতাংশ হয়েছে। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে মাসভিত্তিক মূল্যস্ফীতি বাড়লেও ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতির হার কমার ধারা অব্যাহত রয়েছে।

২০২৫ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত সময়ের ১২ মাসের গড় মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশে নেমে এসেছে। আগের বছরের একই সময়ে এ হার ছিল ১০ দশমিক ১৩ শতাংশ। বিবিএসের মতে, এটি বার্ষিক ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির চাপ ধীরে ধীরে কমার ইঙ্গিত দেয়, যদিও মাসিক মূল্যবৃদ্ধির হার এখনো উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।

এদিকে, মে মাসে জাতীয় মজুরি হার বৃদ্ধির হার পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে ৮ দশমিক ২১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা এপ্রিল মাসে ছিল ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ। বিবিএস জানায়, মে মাসের মজুরি হার সূচকও দেশের ৬৪টি জেলার তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।