সোমবার, মে ৪, ২০২৬
সোমবার, মে ৪, ২০২৬
30 C
Dhaka

চালকের অদক্ষতায় ফেরি ঘাটে ডুবল বাস, নিহত ৩

0

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ৩নং পন্টুনে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে অন্তত ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ১১ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন বলে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিস এক বার্তায় জানিয়েছে, ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রী নিয়ে একটি বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ করছে। এছাড়া ঢাকা এবং ফরিদপুর থেকে আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন বলেন, বিকেল পাঁচটার কিছু পর সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে আসে। এ সময় ঘাটে থাকা একটি ফেরি যানবাহন নিয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। অল্পের জন্য তাতে উঠতে না পারায় অপর ফেরির জন্য বাসটি অপেক্ষা করছিল। সোয়া পাঁচটার দিকে ওই ঘাটে ‘হাসনা হেনা’ নামক একটি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি এসে সজোরে পন্টুনে আঘাত করে। ফেরির ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

মনির হোসেন আরও জানান, ‘চোখের সামনে বাসটি পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে গেল, অথচ আমরা কিছুই করতে পারছিলাম না। এ সময় বাসে নারী-শিশু সহ অন্তত ৪০ জন যাত্রী ছিল। ইতিমধ্যে কয়েকজন যাত্রী ওপরে উঠতে পারলেও অধিকাংশ যাত্রী বাসের ভেতর আটকা পড়েছে। আমরা বাসটি উদ্ধারের জন্য বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি এবং ফায়ার সার্ভিসকে জানিয়েছি। এখনো উদ্ধার কার্যক্রম শুরু হয়নি।’

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী ফেরি হামজা কাজ করছে। এছাড়া ঢাকা এবং ফরিদপুর থেকে আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছাচ্ছে।

‘নিরাপদ আশ্রয়’ খুজতে ইউরোপে দ্বীপ কেনার প্রস্তাব ইসরায়েলিদের

0
ইউরোপে দ্বীপ কেনার প্রস্তাব ইসরায়েলিদের
ইউরোপে দ্বীপ কেনার প্রস্তাব ইসরায়েলিদের

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘাত ২৬তম দিনে গড়িয়েছে। যুদ্ধের শুরুতেই ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সপরিবারে হত্যা করা হলেও, দেশটির ইসলামী শাসনতন্ত্রের অবসান ঘটাতে ব্যর্থ হয়ে একের পর এক শীর্ষ নেতা ও কমান্ডারদের লক্ষ্যবস্তু করছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব।

তবে দমে যাওয়ার পাত্র নয় তেহরানও; ইসরায়েলের অভ্যন্তরে এবং মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে বিধ্বংসী পাল্টা হামলা চালিয়ে শত্রুপক্ষকে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে দেশটি। সেই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়ে বিশ্ববাজারে ভয়াবহ জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে তারা।

তবে গত কয়েক দিনে ইরানের শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্রমাগত আঘাতে ইসরায়েলের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনী কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। ফলে নিজের নাগরিকদের জীবন রক্ষায় এবার ইসরায়েলি নীতিনির্ধারকদের ভাবনার জগৎ আমূল বদলে যাচ্ছে। কেননা নিজ ভূখণ্ডে আর নিরাপদ বোধ না করায় এবার ইউরোপের দেশ গ্রিসে আস্ত দ্বীপ কেনার এক চাঞ্চল্যকর প্রস্তাব সামনে এসেছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘হারেৎজ’ জানায়, ইহুদি ন্যাশনাল ফান্ডের (জেএনএফ) সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘হিমনুতা’র পরিচালনা পর্ষদ সদস্য আব্রি স্টেইনার এই অদ্ভুত প্রস্তাবটি দিয়েছেন। তার মতে, যুদ্ধ বা বড় ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে ইসরায়েলিদের দ্রুত সরিয়ে নিতে গ্রিসের জনশূন্য দ্বীপগুলো ‘নিরাপদ আশ্রয়’ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গত সপ্তাহে এক সভায় স্টেইনার যুক্তি দেন, গ্রিসে প্রায় ৪০টি বসবাসের উপযোগী জনশূন্য দ্বীপ রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব। ইসরায়েলি দৈনিক ‘মারিভ’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্বীকার করেন, “ইরানের কাছে থাকা বিপুল সংখ্যক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ভয় থেকেই মূলত আমার মাথায় এই দ্বীপ কেনার ধারণাটি আসে।”

উল্লেখ্য, হিমনুতা মূলত ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর গঠিত একটি সংস্থা, যার প্রধান কাজ ছিল পশ্চিম তীরে জমি কেনা। সাধারণত ইসরায়েলের সীমানার ভেতরেই এদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকে। তবে বর্তমান ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র যেভাবে ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে, তাতে খোদ ইহুদি ভূখণ্ডের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এর আগে ২০১২ সালেও গ্রিক দ্বীপ লিজ নেওয়ার একটি প্রস্তাব উঠেছিল, কিন্তু সেটি ছিল কেবল নৌবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য। এবারই প্রথম সাধারণ নাগরিকদের জন্য ইউরোপের মাটিতে ভূখণ্ড কেনার দাবি উঠলো।

আব্রি স্টেইনারের এই প্রস্তাবটি হিমনুতার পর্ষদ সভায় তোলা হলেও তা অন্য সদস্যদের সমর্থন পায়নি। অধিকাংশ সদস্যই একে ‘অযৌক্তিক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের প্রধান যুক্তি হলো, জেএনএফ বা হিমনুতার আইনি এখতিয়ার কেবল ইসরায়েলের ভেতরে জমি কেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ। বিদেশে জমি কেনা বা সেখানে অর্থ ব্যয়ের কোনো অনুমতি সংস্থাটির নেই। ফলে আইনি মারপ্যাঁচে প্রস্তাবটি বর্তমানে ঝুলে আছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও এটি ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির এক ভয়াবহ রূপ ফুটিয়ে তোলে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে এতটাই আতঙ্ক তৈরি করেছে যে, তারা এখন সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের দ্বীপে আশ্রয় খোঁজার কথা ভাবছে।

গ্রিস সরকার এই বিষয়ে এখনো নীরব থাকলেও, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো দেশ তাদের দ্বীপ অন্য দেশের নাগরিকদের ‘নিরাপদ অঞ্চল’ হিসেবে ছেড়ে দেবে কি না, তা নিয়ে  বড় ধরনের সংশয় রয়েছে।

 

রেকর্ড ধস নামলো ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় 

0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোলান্ড ট্রাম্প

প্রভাবশালী বার্তাসংস্থা রয়টার্স ও ইপসোসের সাম্প্রতিক এক যৌথ জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের জনসমর্থন বা অনুমোদন হার বর্তমানে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৬ শতাংশে। গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটিই তার জনপ্রিয়তার সর্বনিম্ন রেকর্ড করা হয়েছে।

চার দিনব্যাপী এই জরিপ গত সোমবার শেষ হয়। জরিপে দেখা যায়, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ট্রাম্পের প্রতি মার্কিনিদের সন্তুষ্টির হার ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৩৬ শতাংশে নেমেছে। বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামলানোর ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ওপর আস্থা হারিয়েছেন সাধারণ আমেরিকানরা।

২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারণায় ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান অস্ত্র ছিল অর্থনৈতিক সংস্কার, অথচ বর্তমানে মাত্র ২৯ শতাংশ মানুষ তার অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্ট। এমনকি এই হার সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সর্বনিম্ন অর্থনৈতিক অনুমোদন হারের চেয়েও নিচে নেমে গেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালনে প্রায় এক ডলার বেড়েছে। জরিপ অনুযায়ী, জীবনযাত্রার ব্যয় মোকাবিলায় ট্রাম্পের পারফরম্যান্সে খুশি নন ৭৫ শতাংশ মানুষ।

তবে রিপাবলিকান কৌশলবিদ আমান্ডা মাক্কি মনে করেন, “মানুষের কষ্ট যে প্রেসিডেন্ট বুঝতে পারছেন, এটি তাদের জানানো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।”

যদিও রিপাবলিকান দলের কট্টর সমর্থকদের মধ্যে ট্রাম্পের অবস্থান এখনও যথেষ্ট শক্ত, তবে সেখানেও ফাটল দেখা দিচ্ছে। জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে অসন্তুষ্ট রিপাবলিকানদের হার এক সপ্তাহের ব্যবধানে ২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৪ শতাংশে পৌঁছেছে। দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার হার ৪৭ শতাংশ থাকলেও এখন তা ক্রমাগত কমছে। তবে ইতিবাচক দিক হলো, এটি এখনও তার প্রথম মেয়াদের সর্বনিম্ন ৩৩ শতাংশের চেয়ে কিছুটা বেশি।

জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের ইরান হামলার নীতি সমর্থন করছেন মাত্র ৩৫ শতাংশ আমেরিকান, যেখানে ৬১ শতাংশই এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ৪৬ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করছেন, এই যুদ্ধের ফলে দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র আরও বেশি অনিরাপদ হয়ে উঠবে। মাত্র ২৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন এতে দেশ নিরাপদ হবে। ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও বাস্তব পরিস্থিতি ভিন্ন; রয়টার্স জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে আরও হাজার হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অর্থনৈতিক সংকটের এই সময়ে ৬৩ শতাংশ আমেরিকান বর্তমান অর্থনীতিকে ‘দুর্বল’ বলে মনে করছেন।

ডেমোক্র্যাট কৌশলবিদ ডাগ ফারার মনে করেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনীতির এই নাজুক পরিস্থিতি ডেমোক্র্যাটদের জন্য বড় রাজনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে। তবে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমলেও ডেমোক্র্যাটদের প্রতি জনগণের সমর্থন খুব একটা বাড়েনি।

জরিপে দেখা গেছে, অর্থনীতি ও অভিবাসন ইস্যুতে এখনও রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন।

 

বাধা দেব না কারও ন্যায়বিচারে : অ্যাটর্নি জেনারেল

0
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আজ বুধবার (২৫ মার্চ) অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পরে তিনি এই কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, মায়ের কথা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কথা বেশি মনে পড়েছে।

এদিকে দুপুরে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রুহুল কুদ্দুস কাজল সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তিনবার (২০২০-২১, ২০২১-২২, ২০২২-২৩) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচিত সম্পাদক ছিলেন তিনি। এছাড়া বার কাউন্সিলের সদস্য ও এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন।

১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টে প্রাকটিসের অনুমতি পান এবং ২০০৮ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০২৩ সালে তিনি আপিল বিভাগ থেকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে স্বীকৃতি পান।

শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম পাস করেন। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন ও সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে আইন শিক্ষা অর্জন করেন এবং লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার এট ল’ সনদ পান। ব্যারিস্টার কাজল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে রাজনীতিতেও সক্রিয়।

এর আগে ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

জাতীয় দিবস উপলক্ষে সড়কে যান চলাচলে বিশেষ নির্দেশনা ডিএমপির 

0
ডিএমপি সদরদপ্তর
ডিএমপি সদরদপ্তর

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ডিএমপি জানিয়েছে, জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে বিকেল ৪টা থেকে ৫ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত মানিক মিয়া এভিনিউয়ে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সরকারের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিদেশী কূটনীতিক এবং বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানে সরকারের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিদেশী কূটনীতিক ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

ডিএমপি সাধারণ জনগণকে নিম্নোক্ত বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে:

১। জাতীয় প্যারেড স্কয়ার কেন্দ্রিক যান চলাচল ব্যবস্থাপনা:

আমন্ত্রিত অতিথিদের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ছাড়া নিম্নোক্ত সড়কসমূহে অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করবে না।
বেগম রোকেয়া সরণির আগারগাঁও লাইট ক্রসিং হতে উড়োজাহাজ ক্রসিং।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংলগ্ন বীর উত্তম মেজর জেনারেল আজিজুর রহমান রোড (আগারগাঁও লিংক রোড)।
সৈয়দ মাহাবুব মোরশেদ রোডের শিশুমেলা ক্রসিং হতে আগারগাঁও ক্রসিং।
জুলাই স্মৃতি যাদুঘর ক্রসিং (পুরাতন গণভবন) হতে উড়োজাহাজ ক্রসিং।

২। বঙ্গভবন কেন্দ্রিক যান চলাচল ব্যবস্থাপনা

বঙ্গভবনে আমন্ত্রিত অতিথিদের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ছাড়া নিচের সড়কগুলোতে অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করবে না।
আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউয়ে (জিরোপয়েন্ট ক্রসিংয়ের পূর্ব প্রান্ত থেকে গুলিস্থান চত্বর ক্রসিং পর্যন্ত)।
ডিআইটি রোডের গুলিস্থান চত্বর ক্রসিং থেকে রাজউক ক্রসিং।
ডিআইটি রোডের দৈনিক বাংলা ক্রসিংয়ের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে রাজউক ক্রসিং।
ফজলে রাব্বি রোডের শহীদ মতিউর রহমান পার্কের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত (আহাদ পুলিশ বক্স) থেকে জয়কালী মন্দির ক্রসিংয়ের পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত।
দিলকুশা রোডের অ্যালিকো গ্যাপ, পূবালী ব্যাংক গ্যাপ, পূবালী পেট্রোল পাম্প গ্যাপ, সিটি সেন্টার গ্যাপ, ২৪ তলা গ্যাপ, রাজউক ক্রসিং গ্যাপ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
ডাইভারশন থাকবে যেসব সড়কে

জিরো পয়েন্ট ক্রসিংয়ের পূর্ব প্রান্ত
রাজউক ক্রসিংয়ের পূর্ব প্রান্ত
অ্যালিকো গ্যাপের পূর্ব প্রান্ত
হানিফ ফ্লাইওভারের আউটগোয়িংয়ের বামপাশ (পার্ক সংলগ্ন)
জয়কালী মন্দির ক্রসিংয়ের পশ্চিম প্রান্ত
দৈনিক বাংলা মোড়ের দক্ষিণ প্রান্ত
রাজউক ক্রসিংয়ের উভয়পাশ
মতিঝিল সিটি সেন্টারের দক্ষিণ প্রান্ত
বক চত্বর হয়ে ২৪তলা বিল্ডিং পর্যন্ত
ডাইভারশন পয়েন্টে যান চলাচল ব্যবস্থাপনা

আব্দুল গণি রোড থেকে আসা অতিথিদের গাড়ি ছাড়া অন্য যানবাহন বামে মোড় নিয়ে ইউবিএল ক্রসিং হয়ে দৈনিক বাংলা-শাপলা চত্বর অভিমুখে চলাচল করবে।
ফুলবাড়িয়া-গোলাপশাহ মাজার থেকে আসা যানবাহন জিরো পয়েন্ট হয়ে ইউবিএল ক্রসিং-নাইটিংগেল-রাজমনি অভিমুখে চলাচল করবে।
মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার থেকে আসা যানবাহন জিরো পয়েন্ট থেকে ইউবিএল/গোলাপশাহ/হাইকোর্ট হয়ে চলাচল করবে।
ইউবিএল থেকে গুলিস্থানগামী যানবাহনসমূহ জিরো পয়েন্ট-গোলাপশাহ-ফুলবাড়িয়া-তাঁতীবাজার হয়ে চলাচল করবে।
অ্যালিকো গ্যাপের পূর্ব প্রান্ত থেকে রাজউক ক্রসিংয়ের দিকে আসা যানবাহন শাপলাচত্ত্বর-দৈনিক বাংলা-ইউবিএল হয়ে চলাচল করবে।
হানিফ ফ্লাইওভারের ইনকামিংয়ের কিছু যানবাহন ইউটার্ন করে হানিফ ফ্লাইওভারের আউটগোয়িং হয়ে চলাচল করবে এবং অন্যান্য যানবাহন শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ হয়ে জিরোপয়েন্ট ইউবিএল/গোলাপশাহ/হাইকোর্ট অভিমুখে চলাচল করবে।
জয়কালী মন্দির ক্রসিং থেকে গুলিস্থানগামী যানবাহন এক লেনে ইত্তেফাক ক্রসিং পর্যন্ত বামে মোড় নিয়ে শাপলা চত্ত্বর-দৈনিক বাংলা হয়ে চলাচল করবে।
ফকিরাপুল ও মতিঝিল সিটি সেন্টার থেকে আসা যানবাহন দৈনিক বাংলা-ইউবিএল/শাপলা চত্বর হয়ে চলাচল করবে।
৩। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে কনসার্ট কেন্দ্রিক যান চলাচল ব্যবস্থাপনা:

স্বাতীনতা দিবসের বিশেষ কনসার্ট ঘিরে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নিচের নির্দেশনা অনুযায়ী যান চলাচল করবে (বিকাল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত)

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পশ্চিম প্রান্ত (আড়ং ক্রসিং)
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ পূর্ব প্রান্ত (খেজুর বাগান ক্রসিং)
ডাইভারশন পয়েন্টে যান চলাচলে নির্দেশনা

শ্যামলী-মোহাম্মদপুর থেকে আসা যেসব যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে ফার্মগেট-বিজয় সরণি অভিমুখে চলাচল করে, সেসব যানবাহন লেক রোড দিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং হয়ে চলাচল করবে।
শাহবাগ-সোনারগাঁও থেকে আসা যেসব যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে মিরপুর রোড দিয়ে চলাচল করে, সেসব যানবাহন ফার্মগেট-বিজয় সরণি-উড়োজাহাজ ক্রসিং-লেক রোড-মিরপুর রোড হয়ে চলাচল করবে।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পরিবর্তে খেজুরবাগান ক্রসিং হতে ডানে মোড় নিয়ে উড়োজাহাজ ক্রসিং-লেক রোড-মিরপুর রোড হয়ে চলাচল করবে।
ধানমন্ডি-নিউমার্কেট থেকে আসা যানবাহন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পরিবর্তে গণভবন ক্রসিং দিয়ে লেকরোড-উড়োজাহাজ ক্রসিং হয়ে চলাচল করবে।
মিরপুর রোড হয়ে ধানমন্ডি-নিউমার্কেটগামী যানবাহনসমূহ মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ইউটার্নের পরিবর্তে সরাসরি ধানমন্ডি-নিউমার্কেট অভিমুখে চলাচল করবে।

সম্ভাবনা নেই নতুন করে তেলের দাম বাড়ার : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

0
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান 
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান 

বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে সরকারের এক মাস নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা জানান। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টা বলেন, ‌‘আমাদের খুবই দুর্ভাগ্য, আমাদের জাতিরও দুর্ভাগ্য যে আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে একটা গ্লোবাল ক্রাইসিসে পড়েছি।’

তিনি বলেন, এমনকি ধনী দেশগুলো পর্যন্ত-এই যে ট্রাম্প যুদ্ধ থেকে সরে আসছে চিন্তা করছে বলা হচ্ছে কারণ তার সামনে মিড-টার্ম ইলেকশন আছে। তার আগে যদি তার দেশেও প্রচুর ইনফ্লেশন হয়ে যায় সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সো আমরা আসলে মূলত ওই সংকটে পড়েছি।

‘এখন সবার দায়িত্ব মানুষকে এটা বলার চেষ্টা করা-প্যানিক বায়িং এবং মজুত যেন তারা অতটা না করেন। আর হ্যাঁ, পাম্প পর্যায়ে হয়তো কেউ কেউ স্টোর করার চেষ্টা করছে। আমাদের সরকার সেগুলো একটু দেখার চিন্তা করছে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘আমি পাম্প মালিকদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই- মজুত করার যদি প্রবণতা কারো থাকে, তারা মনে করছেন যে,দাম যে কোনো মুহূর্তে বেড়ে যাবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে না। সুতরাং জ্বালানি তেলের দাম যেহেতু বাড়ছে না, এই মজুত করে রাখার প্রবণতা আসলে তাদের জন্য খুব বেশি বেনিফিশিয়াল হবে না।’

জ্বালানি তেল নিয়ে সরকারের মধ্যে সমন্বয়হীনতা রয়েছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, রেশনিং কেন হয়েছে আপনারা নিশ্চয়ই বোঝেন। মানে ব্যাপারটা এ রকম একটু যদি এভাবে বলি যে কোনো একদিন সকালে সবাই গিয়ে যদি ব্যাংকে তার পুরো টাকা-নিজের টাকা, আমি তুলে নিতে চাই-ওই ব্যাংক কলাপস করবে। কারণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত আছে এইটার ভিত্তিতে যেসব লোক তার টাকা তুলে নিতে যাবে না। কত লোক কত টাকা তুলে নেয়, তার একটা হিসাব আছে, সেই বাকি টাকা তো রি-ইনভেস্ট করে। তাইতো? দিস ইজ ব্যাংকিং।

তিনি বলেন, ফুয়েলের ক্ষেত্রে একটা সরকার তার প্রতিদিন কি পরিমাণ জ্বালানি, কোন জ্বালানি কতটুকু রাখে তার একটা স্টোরেজ, তার একটা সাপ্লাই চেইন সে মেইনটেইন করে। কিন্তু ঘটনা যেটা হয়েছে এই যে প্যানিক বায়িংয়ের (আতঙ্কিত হয়ে তেল কেনা) কথা বলছি—এখন এই প্যানিক বায়িং আমিও কি করতাম না? আমিও কি আমার চারপাশের মানুষকে প্যানিক বায়িং করতে দেখছি না?

‘আমরা যুদ্ধের খবরাখবর রাখছি, আমরা যে কেউ ধারণা করছি যে কিছু একটা ঘটে যেতে পারে, অবস্থা আরো খারাপ হতে পারে। সো শুধু ট্যাঙ্ক ফুল করছি শুধু না, ট্যাঙ্ক ফুল হওয়ার পর কি আমি সেখান থেকে কিছু মজুত করার চেষ্টা করছি?’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ঈদের আগে যে পরিমাণ তেল দেওয়া হয়েছে কয়েক দিন যাওয়ার কথা ছিল স্বাভাবিক হিসাবে-কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শেষ হয়ে গেছে এগুলো। সো এটা আসলে ঠিক সরকারের মিস ম্যানেজমেন্টের চাইতে আমাদের এক ধরনের ভীতি এবং অসচেতনতা। আমি মানুষের এই প্যানিককে অসম্মান করছি না। বিশেষ করে যেমন আমি যদি বলি যারা বাইক রাইডার আছেন তাদের তো জীবন-জীবিকা এটার ওপরেই ডিপেন্ড করে। সো এটা আছে।

‘কিন্তু আমাদের যদি সবাই মিলে একসাথে আমরা কনসাস না হই আসলে এটা হবে না। এটার একটা অপশন অন্যদিকে হতে পারতো যে পথে আমাদের সরকার যায়নি।’

উপদেষ্টা বলেন, আমরা অভ্যন্তরীণভাবে তেলের মূল্য বাড়িয়ে দিতে পারতাম। আমরা কিন্তু এখন অনেক বেশি মূল্যে তেল কিনছি। নতুন যে সাপ্লাই আসবে এগুলোর মূল্য অনেক বেশি হবে, কিন্তু আমরা এখনো পর্যন্ত যেহেতু আমাদের অর্থনীতিতে দীর্ঘ দিন ধরে একটা ক্রাইসিস গেছে, আমাদের মানুষের বায়িং ক্যাপাসিটি ভালো না, এখন যদি ইনফ্লেশন অনেক বেড়ে যায়-তেলের মূল্য বাড়ালেই তো আসলে ইনফ্লেশন বেড়ে যায়—সো সেটায়ও যাইনি। সেই কারণে আমরা মনে করি যে মানুষকে একটু সচেতন হতে হবে।

জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ঈদের আগে যেহেতু আমরা সবাই ঈদ যাত্রা করেছি সে সময় যদি আমরা এ রকম তেলের আনলিমিটেড সাপ্লাইটা না রাখতাম, সেটা মানুষের জন্য সংকট তৈরি করতো। সেই কারণে ওই জিনিসটা (রেশনিং) তুলে নেওয়া হয়েছিল।

সরকার এখন স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস কিনছে জানিয়ে তিনি বলেন, কাতারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি যে চুক্তি আছে, সম্ভাবনা আছে সব গ্যাস নাও পেতে পারি। সো আমরা চেষ্টা করছি। কিন্তু একটা সংকট বৈশ্বিক কারণে আমাদের ওপর এসে পড়তে পারে। আমরা এই ব্যাপারটা একটু জনগণকে বলতে চাই। যতটা সমন্বয়হীনতা আমরা মনে করছি আসলে মূলত সমন্বয়হীনতা খুব বেশি আছে সেটা মনে করি না। তারপরও কোথাও কোথাও যদি এই ধরনের সমন্বয়হীনতা থেকে থাকে আমরা সেটা ফাইন্ড আউট করবো এবং মানুষ যেন তার জেনুইন ইনফরমেশনগুলো পায়।

 

১১ জুন সংসদে নতুন বাজেট উপস্থাপন

0

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হবে ১১ জুন (বৃহস্পতিবার) বেলা ৩টায়। ওই দিন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী তার প্রথম বাজেট উপস্থাপন করবেন।

অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অন্যান্য বছর বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করা হয় জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে। তবে এবার জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে কোরবানির ঈদের ছুটি পড়ায় দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস অর্থাৎ বৃহষ্পতিবার নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের দিন ধার্য হয়েছে।

তবে বাজেটের আকার সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রাকবাজেট আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

সকলের মতামতের ভিত্তিতে বাজেটের আকার চূড়ান্ত করে জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের বৃহষ্পতিবার সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

গত বছরের ২ জুন সংসদ না থাকায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য মোট ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ, শুরু ১৫ এপ্রিল

0

বুধবার (২৫ মার্চ) অধিদপ্তরের জারি করা নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ৫ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরীক্ষার এই সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এই তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের অন্যান্য সব জেলায় ১৫ এপ্রিল বুধবার পরীক্ষা শুরু হবে। ঐ দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হবে ইংরেজি, ১৭ এপ্রিল শুক্রবার প্রাথমিক গণিত এবং ১৮ এপ্রিল শনিবার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা। প্রতিটি পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হয়ে আড়াই ঘণ্টা চলবে।

অন্যদিকে, তিন পার্বত্য জেলার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ভিন্ন সূচি। সেখানে ১৭ এপ্রিল শুক্রবার প্রাথমিক গণিত পরীক্ষার মাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ১৮ এপ্রিল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান। এরপর ১৯ এপ্রিল রবিবার বাংলা এবং ২০ এপ্রিল সোমবার ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে ওই তিন জেলায় পরীক্ষা শেষ হবে।

অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের সঙ্গে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরীক্ষার সুষ্ঠু ও নিরবচ্ছিন্ন আয়োজন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঈদ শেষে ফিরতি যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া না নেওয়ার নির্দেশ

0

বুধবার (২৫ মার্চ) সংগঠনটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. জোবায়ের মাসুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঈদ পরবর্তী সময়ে সড়কপথে যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পরিবহন সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশেষ করে চালকদের অতিরিক্ত গতি পরিহার, নিয়ম মেনে গাড়ি চালানো এবং ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

এতে আরও বলা হয়, যাত্রাপথে বয়স্ক, নারী ও শিশু যাত্রীদের প্রতি বিশেষ যত্নবান হতে হবে। তাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে চালক ও সহকারীদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত কোনো অর্থ যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় না করার জন্য পরিবহন মালিক ও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভাড়া সংক্রান্ত কোনো অনিয়ম যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে তদারকি জোরদারের কথাও বলা হয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঈদের পর ফিরতি যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে পরিবহন খাতের সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এতে যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী

0

বুধবার (২৫ মার্চ) সচিবালয়ে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার এক মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করায় দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এখন থেকে প্রতি মাসে সরকারের কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরা হবে।

মন্ত্রী জানান, নির্বাচনি ওয়াদা পূরণে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ২১ দিনের মাথায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু হয়েছে। দেশে ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারকে এই কার্ড দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া ইতিমধ্যে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী দেওয়া শুরু হয়েছে এবং প্রতিটি এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

আগামী পহেলা বৈশাখে থেকে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে ২১ হাজার কৃষক এই কার্ড পাবেন।

সরকারের সংস্কারমূলক উদ্যোগের কথা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে সংসদ সদস্যরা (এমপি) কোনো শুল্কমুক্ত গাড়ি বা সরকারি প্লট নেবেন না। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে থাকা বিশাল ভিআইপি প্রটোকল বহরও বাতিল করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছে, যার ৮০ শতাংশই নারী। সবাইকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এদিকে পোশাক শ্রমিকদের বেতন-বোনাস বাবদ ২৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ায় এবার কোনো অসন্তোষ ছাড়াই শান্তিতে ঈদ কাটছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে কিছুটা কঠিন সময় চললেও আপাতত জ্বালানির কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তাই আতঙ্কিত হয়ে বাড়তি জ্বালানি কেনার প্রয়োজন নেই।

এ ছাড়া শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর পাশাপাশি সব বড় বিমানবন্দরে ফ্রি ইন্টারনেট সেবা দেওয়া হচ্ছে। ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইরানে আটকে পড়া ৪০০-এর বেশি প্রবাসীকে সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানান জহির উদ্দিন স্বপন।