মঙ্গলবার, মে ৫, ২০২৬
মঙ্গলবার, মে ৫, ২০২৬
25 C
Dhaka

স্বাস্থ্যকর পানীয় হানি অ্যাপেল মিল্কশেক তৈরি করবেন যেভাবে

0

রমজানে রকমারি খাবার রাখা হয় ইফতারি ও সাহরিতে। দিনভর পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে সন্ধ্যায় কিংবা ভোরে নানা আয়োজন করা হয়। এতে মুখরোচক বিভিন্ন খাবার থাকলেও কিছু খাবার শরীরের জন্য ক্ষতিকরে। যা তাৎক্ষণিক বুঝতে না পারলেও পরবর্তীতে স্পষ্ট অনুভব করা যায়।

রমজানে চাইলে সহজেই এমন কিছু রেসিপি তৈরি করা যায়, যা শরীর ও মনের জন্য জন্য উপকারী। এর মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় হচ্ছে হানি অ্যাপেল মিল্কশেক। পুষ্টিকর এই রেসিপিটি চ্যানেল 24 অনলাইনের পাঠকদের জন্য তুলে ধরেছেন শেফ সঞ্চিতা দাস। তিনি বলেন, আঁশসমৃদ্ধ আপেল হজম প্রক্রিয়া ভালো রাখে। মধু হচ্ছে প্রাকৃতিক মিষ্টি, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক এবং দুধ হচ্ছে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিনের চমৎকার উৎস, যা হাড় মজবুত করে। তাহলে রেসিপিটি জেনে নেয়া যাক-

উপকরণসমূহ:

  • ইউএইচটি দুধ ১৫০ মি. লি.,
  • টাটকা আপেল ১৫০ গ্রাম (প্রায় ১টি,
  • খোসা ছাড়ানো ও কুচি করা), মধু ২০ মি. লি. (স্বাদ অনুযায়ী কম–বেশি করা যায়),
  • ভ্যানিলা আইসক্রিম ৫০ গ্রাম বা ১ স্কুপ এবং বরফ ১০০ গ্রাম।

প্রথমে আপেল ভালোভাবে ধুয়ে খোসাসহ বা খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিতে হবে। এরপর ব্লেন্ডারের জারে ইউএইচটি দুধ, আপেলের টুকরো, মধু, ভ্যানিলা আইসক্রিম ও বরফ যোগ করতে হবে। সব উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে আপেল সম্পূর্ণ মসৃণ হওয়া পর্যন্ত ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন। ব্লেন্ড করা হলে একটি পরিষ্কার ও ঠান্ডা গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করুন স্বাস্থ্যকর পানীয় হানি আপেল মিল্কশেক।

হাসপাতালে নেয়া হয়েছে গুরুতর আহত পাকিস্তানি ফিল্ডারকে

0
গুরুতর আহত পাকিস্তানি ফিল্ডার
গুরুতর আহত পাকিস্তানি ফিল্ডার

লিটন দাসের খেলা শটে চাঁর বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার হুসাইন তালাত। মাঠেই দ্রুততম সময়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর চোটের গভীরতা বোঝার জন্য তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করেএভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এর পরের ওভারেই বৃষ্টি আর বজ্রপাতে খেলা বন্ধ হয়ে যায়।

এ ঘটনা ঘটে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারের দ্বিতীয় বলে। পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ ওয়াসিম অফ-স্টাম্পের একটু বাইরে গুড লেন্থের ডেলিভারি করলেন, লিটন দাস দারুণভাবে সেটা অফ-সাইডে পাঞ্চ করলেন।

কাভার থেকে সেটা চার হওয়া থেকে বাঁচানোর জন্য বলের পিছনে ছোটেন পাকিস্তানি ফিল্ডার হুসাইন তালাত। ছুটে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের কাছ থেকে ফ্লিট করে বলটি ভেতরে টেনে পাঠান, তবে শেষ পর্যন্ত সেটা চার হয়ে যায়। বল মাঠের ভিতরে পাঠানোর পর নিজেকে সামলাতে না পেরে কাঁধে গুরুতর আহত হন।

মূলত, বাউন্ডারি লাইনের কাছে থাকা গ্যালারির দেওয়ালে আঘাত লাগার পরে ঘুড়ে পড়ে যান হুসাইন তালাত। তখন মাথায় ও ঘাড়ে বাজেভাবে আঘাত পান তিনি। ম্যাচ রেফারি, ফিজিও ও মেডিকেল টিম দ্রুত তালাতের কাছে পৌছান। কিন্তু আঘাত গুরুতর হওয়ায় তিনি উঠতেও পারছিলেন না।

পরে তাকে স্ট্রেচারে করে স্টেডিয়ামের মূল গেটে নেয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। এরপর সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে জানা গেছে, আঘাত গুরুতর। তার কাঁধের হাড় আলাদা হয়ে গেছে।

আপাতত মির্জা আব্বাসকে নেওয়া হচ্ছে না সিঙ্গাপুরে 

0
সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না মির্জা আব্বাসকে
সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না মির্জা আব্বাসকে

উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়ার পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা এই মুহূর্তে দেশের বাইরে নেওয়ার মতোনা থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, আপাতত তাকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে না। তার পরিবার দেশের চিকিৎসার প্রতি আস্থাশীল। তবে, পরবর্তীতে তার মেডিকেল বোর্ড মনে করলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

ডা. রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আজকে মির্জা আব্বাসের চিকিৎসায় একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে এবং সব কিছু দেখে তার অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়। পরিবারের সদস্যদের সম্মতিও নেওয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী উনার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়েছে। বর্তমানে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবেন।

এর আগে জুমার নামাজের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে মির্জা আব্বাসকে দেখে যান। এ সময় মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তার চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।

ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, মির্জা আব্বাসের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে তার পরিবার। গত বুধবার ইফতারের সময় অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে তাঁকে রাজধানীর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আগামী ১ সপ্তাহে ঝড়-বৃষ্টি নিয়ে যা জানাল আবহাওয়া অফিস

0
আবহাওয়া অফিস
আবহাওয়া অফিস

ঈদের সময় যারা দূরের কোনো গন্তব্যে যাবেন, বাড়ি ফিরবেন বা ঘুরতে যাবেন, তাদের অনেকের জন্যই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আকাশের এই অবস্থা। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকাসহ দেশেরবিভিন্ন অঞ্চলে থেমে থেমে বৃষ্টি হতে পারে আজ এবং আগামী বেশ কিছুদিন আবহাওয়ার এই অবস্থা অব্যাহত থাকারও সম্ভাবনা রয়েছে।

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে আবহাওয়ার যে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা গেছে এই মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় ও নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

এতে আরও বলা হয়েছে, মার্চের শেষদিকে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে এক থেকে দুইটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বসে যেতে পারে। এ সময় দেশে দুই থেকে তিন দিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা বা মাঝারি ধরনের এবং এক থেকে দুই দিন ভীব্র কালবৈশাখী ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মার্চ, এপ্রিল ও মে মাস হলো কালবৈশাখীর উপযোগী সময়। কিন্তু এখন পর্যন্ত দেশে কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানেনি। তবে আগামী কয়েকদিনের মাঝে এটি বিক্ষিপ্তভাবে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক।

তবে তিনি এটি বারবার উল্লেখ করেছেন, তিন দিনের মাঝে আবহাওয়ার পূর্বাভাস সবচেয়ে ভালোভাবে বলা যায়। পূর্বাভাস যত দীর্ঘমেয়াদি হয়, তার ‘অ্যাকুরেসি’ তত কমতে থাকে।

নাজমুল হক বলেন, ঈদের বাকি আছে আনুমানিক সাতদিন। আবহাওয়া পরিস্থিতি দেখে আপাতত ধারণা করা যাচ্ছে, ঈদের দিন দেশের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হবে। তবে তা ‘সাময়িক’। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি দেখা যাচ্ছে আগামী ১৬ ও ১৭ মার্চ। অর্থাৎ, তখন বেশিরভাগ মানুষই ঈদের ছুটি কাটাতে বাড়ির পথে থাকবেন। সেক্ষেত্রে তখন বৃষ্টির কারণে তাদের ঈদযাত্রায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটতে পারে।

আবহাওয়াবিদ নাজমুল হক বলেন, ১৬ ও ১৭ তারিখ বৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পর বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে একটি সাময়িক বিরতি আসতে পারে। কিন্তু একাবারে বৃষ্টিহীন হয়ে যাবে, তা কিন্তু নয়। এখন যেহেতু মার্চ মাস, তাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় অল্প সময়ের বৃষ্টি হবে। যেখানেই বৃষ্টি হবে, সেখানে এটি আধ ঘণ্টা বা এক ঘণ্টার মাঝে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রপাত হতে পারে।

তিনি জানান, একটানা বৃষ্টি কোথাও হবে না। কিন্তু কোথায় কোথায় সাময়িক বৃষ্টি হবে, তা এত আগে বলা মুশকিল। কারণ প্রতিদিনই দৈনন্দিন পূর্বাভাসে কিছু না কিছু পরিবর্তন হয়। ঈদের এই সময়ে খুব বেশি বাতাস হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ৬০ বা ৭০ কিলোমিটার বেগে বাতাস হবে, এমনটা নয়। ৪০ বা ৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস হতে পারে। সাথে কোথাও বিজলি চমকাতে পারে, বজ্রপাতের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, আপাতত বা ঈদের সময়ে বেশি গরম থাকবে না। ২৮ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো তাপমাত্রা থাকতে পারে ঈদের সময়ে। সূত্র: বিবিসি

 

মৌসুমের প্রথম শিলাবৃষ্টির দেখা পেল ঢাকাবাসি

0
ঢাকায় মৌসুমের প্রথম শিলাবৃষ্টি
ঢাকায় মৌসুমের প্রথম শিলাবৃষ্টি

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা, লিংক রোড, গুলশান ও ভাটারা এলাকায় শিলাবৃষ্টির দেখা মিলেছে।বাংলাদেশ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ দল (বিডব্লিউওটি) পূর্বাভাসে জানিয়েছিল, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল দিয়ে বছরের প্রথম প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’ সক্রিয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, বৃষ্টিবলয়টির প্রভাবে দেশের প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

বিশেষ করে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাতের বেলায় বৃষ্টিবলয়টি সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করবে এবং ১৮ মার্চের দিকে উপকূলীয় এলাকা দিয়ে দেশ ত্যাগ করতে পারে।

বৃষ্টির এই প্রাক-মৌসুমি শিলাবৃষ্টি রাজধানীর শীতের আবহাওয়ায় হঠাৎ পরিবর্তন আনে এবং জনজীবনে স্বল্প সময়ের জন্য সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে।

এর আগে, বিডব্লিউওটির তথ্যমতে, বৃষ্টিবলয় ‘গোধূলি’র প্রভাবে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ সম্পূর্ণ, ঢাকা বিভাগের উত্তর-পূর্বাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগের উত্তরাংশ এবং রংপুর বিভাগের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাংশ সর্বাধিক সক্রিয় থাকবে। কয়েক দফায় এসব এলাকায় কালবৈশাখী ঝড় ও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, ঢাকা ও রংপুর বিভাগের বাকি অংশ, রাজশাহী এবং খুলনা বিভাগের উত্তরাঞ্চলে মাঝারি ধরনের সক্রিয়তা দেখা যেতে পারে। তবে, বরিশাল এবং খুলনা ও চট্টগ্রামের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির সক্রিয়তা কিছুটা কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃষ্টিবলয় চলাকালীন দেশের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাত এবং বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর সামান্য উত্তাল থাকতে পারে এই সময়ে।

বিশেষ সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, অধিক বৃষ্টির কারণে সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে পাহাড় ধসের কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে। তবে, এই বৃষ্টিবলয়ে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই।

চৈত্র মাসের এই বৃষ্টিবলয় দেশের কৃষি খাতের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসতে পারে। বিডব্লিউওটির মতে, এই বৃষ্টিতে দেশের প্রায় ২৫-৩৫ শতাংশ এলাকার সেচের চাহিদা পূরণ হতে পারে। আকাশ অধিকাংশ সময় মেঘলা থাকায় উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে আবহাওয়া বেশ আরামদায়ক থাকবে। তবে, দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির বিরতির সময় কিছুটা ভ্যাপসা গরম অনুভূত হতে পারে।

বিডব্লিউওটি জানায়, ১৩ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত এই বৃষ্টিবলয়টি সক্রিয় থাকবে এবং ১৬ মার্চ পর্যন্ত এর তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হতে পারে।

 

হাদির হত্যাকারীদের ফেরত দেয়ার প্রশ্নে ভারত যা জানাল

0
হাদির হত্যাকারীদের ফেরত দেয়ার প্রশ্নে যা জানাল ভারত
হাদির হত্যাকারীদের ফেরত দেয়ার প্রশ্নে যা জানাল ভারত

গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন ছুড়ে দেন গৌতম লাহিড়ি। তিনি জানতে চান, হাদির হত্যাকারীদের বাংলাদেশের কাছে ফিরিয়ে দেয়া বা কনস্যুলার অ্যাকসেসেরবিষয়ে ভারতের অবস্থান কি? জবাবে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালবলেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বিষয়টি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি চলমান তদন্তের সাথে সংশ্লিষ্ট; তাই এই বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।

এর আগে গত রোববার (৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বলেন, চাঁদাবাজি এবং খুনের মতো গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশি তাদের দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছে এবং বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে একটি অভিযান চালানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, শনিবার মধ্যরাতে চালানো অভিযানে বনগাঁ এলাকা থেকে ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭ বছর), তিনি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর বাসিন্দা এবং (২) আলমগীর হোসেন (৩৪ বছর), তিনি ঢাকার বাসিন্দা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ, আলমগীর হোসেনের সঙ্গে মিলে ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে এসেছে। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে, ভারতের বিভিন্ন স্থানে বিচরণ করে এবং অবশেষে বাংলাদেশে ফিরে আসার উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁয় আসে। এ নিয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

ওমানে ড্রোন বিধ্বস্তের সময় দুই প্রবাসী নিহত

0

ওমানের উত্তরাঞ্চলে নিরাপত্তাবাহিনী একটি ড্রোন ভূপাতিত করার সময় দুজন নিহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।সম্প্রতি এই তথ্য প্রকাশ করেছে ওমান নিউজ এজেন্সি।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোহার শহরের আল আউয়াহি শিল্প এলাকায় নিহত দুজনই প্রবাসী ছিলেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সোহার শহরের খোলা জায়গায় আরেকটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দুটি ঘটনারই তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা করছে ইরান। বৃহস্পতিবার যুদ্ধের ১৩তম দিন পর্যন্ত ওমানে নিহতের সংখ্যা ছিল একজন।

অন্য দেশগুলোর মধ্যে এই সময়ে আমিরাতে ৬, কুয়েতে ৬, সৌদি আরবে তিন, বাহরাইনে দুজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এসব দেশগুলোতে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি।

ফ্যামিলি কার্ডের সফল বাস্তবায়নে দারিদ্র্যমুক্ত হবে ১ কোটি ২৩ লাখ মানুষ: গবেষণা

0

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার গুলশানে আয়োজিত এক সেমিনারে র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এই তথ্য উপস্থাপন করেন।২০২২ সালের হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেন্ডিচার সার্ভের (এইচআইইএস) তথ্যের ভিত্তিতে তিনি জানান, বর্তমানে দেশে সার্বিক দারিদ্র্যের হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সকল দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা প্রদান করলে দারিদ্র্যের হার ১১ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসবে। এছাড়া অতি দারিদ্র্য ৫ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমে ২ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছাবে বলে গবেষণায় দাবি করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে তার দলের ইশতেহারের অংশ হিসেবে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় আসার পর সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। বর্তমানে ঢাকার কড়াইল বস্তিতে এই কর্মসূচির একটি পাইলট প্রকল্প চলমান রয়েছে।

র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রতিশ্রুত অর্থ যদি প্রকৃত দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়, তবে বাস্তবায়নের প্রথম বছরেই দারিদ্র্য বিমোচনে দেশ এক অভাবনীয় দৃশ্যমান ফলাফল দেখতে পাবে।

সেমিনারে জানানো হয়, অতীতে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির সুবিধা থেকে প্রায় ৬৩ শতাংশ দরিদ্র মানুষ বঞ্চিত ছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চায়। তবে মাঠ পর্যায়ে সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু অসামঞ্জস্যতা ও চ্যালেঞ্জের কথা উঠে এসেছে।

সমাজকল্যাণ সচিব মোহাম্মদ আবু ইউসুফ প্রকল্পের লক্ষ্য নির্ধারণে আসা বিভিন্ন অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয় নিশ্চিত করাই এখন এই কর্মসূচির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তালিকায় স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সচিব জানান, এমনও অভিযোগ পাওয়া গেছে যেখানে তিন তলা বাড়ির মালিকের নামও এই তালিকায় উঠেছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহের সময় কোনো কোনো ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা প্রকৃত দরিদ্রদের অধিকার ক্ষুণ্ণ করছে।

ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের সহায়তায় আয়োজিত এই সেমিনারে বক্তারা একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন, যাতে ফ্যামিলি কার্ড কেবল প্রকৃত হকদারদের হাতেই পৌঁছায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর হাতে সরাসরি নগদ অর্থ পৌঁছালে তাদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই উদ্যোগ সফল হলে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

ইরানের পাশাপাশি লেবাননেও হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল, ১০ দিনে নিহত ৬৮৭

0

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর আনাদোলু এজেন্সির।বিবৃতি অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ৯৮ জন শিশু রয়েছে। সেইসঙ্গে আরও আছেন ৬২ জন নারী ও ১৮ জন প্যারামেডিক।

একই সময়ে ইসরায়েলি হামলার শিকার হয়ে লেবাননে আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৭৪ জনে। আহতদের মধ্যে ৩০৪ জন শিশু, ৩২৮ জন নারী এবং ৪৫ জন প্যারামেডিক রয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা ছাড়াই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। প্রথম আঘাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারকে হত্যা করে তারা। সেইসঙ্গে হত্যা করা হয় ইরানের সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কমান্ডারকেও। এর জবাবে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলসহ বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে ইরানও। গত ২ মার্চ ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দিয়ে ইসরায়েলে হামলা শুরু করে লেবাননের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। এর জবাবে ইসরায়েলও নতুন করে লেবাননে সামরিক অভিযান শুরু করে। ইসরায়েলি বাহিনী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চল, দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালায়। পাশাপাশি ৩ মার্চ দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযানও শুরু করে দখলদার বাহিনী।

১৪ দিন ধরে চলমান এসব হামলা-পাল্টা হামলায় ইতোমধ্যে ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্য।

এরই মধ্যে লেবাননের ভূখণ্ড দখল করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) লেবানন সরকারের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে তাদের হামলা বন্ধ না করে, তবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) লেবাননের ভেতরে প্রবেশ করবে এবং তাদের ভূমি দখল করে নেবে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, হিজবুল্লাহর লাগাতার রকেট ও ড্রোন হামলার কারণে ইসরায়েলের উত্তরের জনপদগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় ইসরায়েলি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে লেবাননের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে স্থায়ী সামরিক অঞ্চল বা ‘সিকিউরিটি জোন’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে তেল আবিব।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা ইতোমধ্যেই লেবাননের অভ্যন্তরে স্থল অভিযানের একটি নীল নকশা বা ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ অনুমোদন করে রেখেছে। যদিও দেশটির সামরিক কর্মকর্তাদের একাংশ পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরু করার আগে ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধের চূড়ান্ত ফয়সালার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছেন।

মালদ্বীপে গেস্টহাউসে বিস্ফোরণ, নিহত ৫ বাংলাদেশি

0

শুক্রবার (১৩ মার্চ) ভোরে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।জানা গেছে, হঠাৎ বিস্ফোরণের পর গেস্টহাউসের ভেতর থেকে সাত বাংলাদেশিকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়।

নিহতদের নাম তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম ও মো. নূরনবী সরকার বলে জানা গেছে। এছাড়া, গুরুতর দগ্ধ অপর দুইজনও বাংলাদেশি।  তাদের নাম জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এই বিস্ফোরণের ফলে গেস্টহাউসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর মো. সোহেল পারভেজ জানান, আহত দুজনের মধ্যে একজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) এবং অপরজনকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে খোঁজখবর নিতে হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে এবং নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।