মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন বোর্ডের শীর্ষ কর্তারা। খবর ক্রিকবাজের।
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্তের পর দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল যে, আইসিসি বাংলাদেশকে আর্থিক কিংবা অন্য কোনো ধরনের শাস্তি দেবে কি না। কারণ,বাংলাদেশ না খেলায় আইসিসিরও আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।
তবে ৯ ফেব্রুয়ারি আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, বিশ্বকাপ বর্জনের ঘটনায় বিসিবির ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত কিংবা প্রশাসনিক শাস্তি আরোপ করা হবে না। ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও এ বিষয়ে নমনীয় অবস্থান নেয় আইসিসি।
আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০৩১ সালের আইসিসি পুরুষ ক্রিকেট বিশ্বকাপের (ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে) আগেই বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ পাবে। তবে এই আয়োজন আইসিসির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, সময়সূচি ও পরিচালনাগত শর্ত সাপেক্ষে হবে।
এ বিষয়ে বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ বলেন, ‘ভারতে বিশ্বকাপে যেতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অনেক ধরনের গুঞ্জন ছিল। কোনো আর্থিক শাস্তি না হওয়ায় আমরা স্বস্তি অনুভব করছি। আমাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা আসতে পারত, সেগুলো আরোপ করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বকাপে খেলতে না পারায় আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা অবশ্যই রয়েছে। সেটি সরাসরি আর্থিকভাবে পুষিয়ে দেয়া না হলেও, ভবিষ্যতে কিছু ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগ দিয়ে বিষয়টি সামাল দেয়া যেতে পারে, যেমন নারী বিশ্বকাপ।’
ফারুক আহমেদ জানান, আগামী বছর বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। এছাড়া ২০৩১ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের সময় আরও বেশি ম্যাচ বাংলাদেশে আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
বিসিবির আরেক সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেনও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, ‘শুধু শাস্তিই নয়, আরও নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারত। কিন্তু লাহোরে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে আইসিসির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আগের চেয়ে উন্নত হচ্ছে।’


