শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
শুক্রবার, মে ১, ২০২৬
25 C
Dhaka

মেধা-মননশীলতার মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়ানোর আহ্বান আইজিপির

0

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতি কমপ্লেক্সের সেমিনার হলে আয়োজিত ‘আইজিপি শিক্ষাবৃত্তি-২০২৫’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। আইন জানা ও মেনে চলার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে এবং সবসময় ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সমাজের উন্নয়নে কাজ করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য অপরাধে জড়িত হলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না; বরং যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের প্রতিটি জেলার সদর থানাকে ‘জিরো কমপ্লেইন’ থানা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি ড. এম আকবর আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিমিয়া সাআদত। স্বাগত বক্তব্য দেন সমিতির সহসভাপতি ইয়াসমিন গফুর।

এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন ড. মো. আবুল হোসেন এবং মো. ফারুক হোসেন। উপস্থিত ছিলেন সমিতির অন্যান্য সদস্য, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আইজিপি বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণ প্রজন্মকে মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

অনুষ্ঠানে ‘কেমন পুলিশ চাই’ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মতামতও তুলে ধরা হয়। তারা পুলিশকে আরও বন্ধুসুলভ ও জনবান্ধব হিসেবে দেখতে চাওয়ার পাশাপাশি আইন প্রয়োগে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ড. এম আকবর আলী বলেন, পুলিশ সদস্যদের জনগণের সঙ্গে আরও ভালো আচরণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের অর্থায়নে বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালিত বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৪০০ শিক্ষার্থীর মধ্যে এই শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

এর মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ শিক্ষার্থীর হাতে সরাসরি বৃত্তি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। বাকি ৩০০ শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপারের মাধ্যমে বৃত্তি দেওয়া হবে।

৫০ হাজার লিটার তেল মজুদ, জরিমানা সাড়ে ৩ লাখ টাকা

0

শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাজারে অস্থিরতা তৈরি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে সংস্থাটি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। এর অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মজুতদার ও কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অভিযানে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, কর্ণফুলী মোজ্জারটেক বাজার, সদরঘাট ও মেডিকেল রোড এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাট ও ব্যক্তিগত গোডাউন থেকে অবৈধভাবে মজুত করা অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল ও ভোজ্যতেল জব্দ করা হয়।

এসব অভিযানে মোট ৪৫ হাজার ৫৪৯ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তেল উৎপাদন, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার অভাব ও অবৈধ মজুতের দায়ে ৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ১ হাজার ৫০০ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা এলাকায় পৃথক অভিযানে ৭০০ লিটার ডিজেল ও ৫০০ লিটার পেট্রোল অবৈধভাবে মজুতের দায়ে দুইজনকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে ফরিদপুরের কোতোয়ালি এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্পকে অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদের অভিযোগে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অভিযানে মোটরসাইকেলের ট্যাংকে অতিরিক্ত জ্বালানি নেওয়ায় এক আরোহীকেও ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী আরও বলেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা প্রতিরোধে তাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন বার্তা

0
ভিসা ফি ছাড়াই পাকিস্তানে যেতে পারবেন

শনিবার (১১ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে নতুন এ বার্তা দেওয়া হয়েছে।

দূতাবাসের বার্তায় বলা হয়েছে, একজন আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারী যুক্তরাষ্ট্রে কতদিন অবস্থান করতে পারবেন, তা আপনার আগমনের সময় ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা নির্ধারণ করেন। এটি আপনার বি১/বি২ ভিজিটর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ নয়।

অর্থাৎ, ভিজিটর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা যাবে না। বরং, মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাই নির্ধারণ করে দেবেন, ভ্রমণকারী কতদিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতে পারবেন।

যুক্তরাষ্ট্রে কতদিন থাকার অনুমতি পেয়েছেন, তা জানতে আপনার I-94-এ উল্লেখিত “admit until date” দেখুন- i94.cbp.dhs.gov।

আগামী বাজেটে কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে

0
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ‘স্কিলস অ্যান্ড ইনোভেশন কম্পিটিশন-২০২৬’-এর আঞ্চলিক প্রতিযোগিতা ও সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশে মানুষের অভাব নাই। তবে কাজের লোক খুঁজে পাওয়া যায় না। এজন্যই এই সরকারের একটি বড় উদ্যোগ কারিগরি শিক্ষা। আমরা প্রত্যেকটি জায়গায় কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। আগামী বাজেটে কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে যদি আমরা আর্থ-সামাজিকভাবে উন্নত করতে চাই, তবে কারিগরি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। জাপান, জার্মানি বা কানাডার মতো উন্নত দেশগুলো হাতে-কলমে কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমেই আজ বিশ্বের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। সরকার এই খাতকে ‘থার্ড সেক্টর’ হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং আগামী বাজেটেও এর প্রতিফলন দেখা যাবে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, কারিগরি শিক্ষার লক্ষ্য হলো স্বল্প সময়ে হাতে-কলমে শিখে পরিবার ও দেশকে স্বাবলম্বী করা। এখানে বাড়তি বা অযাচিত পড়াশোনা করে সময় নষ্ট করার প্রয়োজন নেই। আমাদের এমন পাঠ্যক্রম তৈরি করতে হবে যা সরাসরি কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। উচ্চশিক্ষায় যেতে আগ্রহীদের জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমল থেকেই বিশেষ সুযোগ রাখা আছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গত সরকারের সময় শ্রীলঙ্কা থেকে ট্রেনিংয়ের নামে প্রচুর টাকা অপচয় করা হয়েছে, যার কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। এখন থেকে প্রত্যেকটি কাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা আনতে তিনি ঘোষণা দেন, পলিটেকনিকের প্রতিটি ক্লাসরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। শিক্ষকরা ক্লাসে ঠিকমতো পড়ান কিনা, তা আমি ঢাকা থেকেই পর্যবেক্ষণ করব।

শিক্ষকদের আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, একবারে সকলকে আবাসন দেওয়া সম্ভব না হলেও একটি নির্দিষ্ট অংশকে এই সুবিধার আওতায় আনতে আমরা কাজ করছি। আপনাদের সমস্যাগুলো একে একে সমাধান করা হবে, কোনোটিই অমীমাংসিত রাখা হবে না।

সেমিনারে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্পিনার উসমান তারিক আবার বিতর্কে জড়ালেন

0

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স বনাম রাওয়ালপিন্ডিজ ম্যাচে এই ঘটনা ঘটে। রাওয়ালপিন্ডির হয়ে ব্যাট করছিলেন নিউজিল্যান্ডের তারকা মিচেল। এ সময় বল ছাড়ার ঠিক আগে উসমান তারিক হঠাৎ থেমে গেলে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন মিচেল। প্রথমে হাত তুলে অপ্রস্তুতির ইঙ্গিত দেন, পরে ক্রিজ ছেড়ে সরে দাঁড়ান। কিন্তু ততক্ষণে ডেলিভারি সম্পন্ন করে ফেলেন উসমান, যা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসেন ম্যাচের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। তিনি মিচেলকে বারবার বোলারের কাজে বিঘ্ন না ঘটানোর বিষয়ে সতর্ক করেন। পরে উভয়পক্ষ শান্ত হয়।

ঘটনাটি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজা। তিনি বলেন, এটা আম্পায়ারদেরই সমাধান করতে হবে। ব্যাটারকে প্রস্তুত থাকতে হবে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।

ম্যাচ শেষে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন উসমান তারিক। তিনি জানান, মিচেল যখন সরে যায়, আমি কারণ জানতে চাই। সে বলে আমি বিরতি নিচ্ছি। আমি বলি, আমি দ্বিতীয়, তৃতীয় এমনকি চতুর্থবারও এভাবে থামতে পারি। এটি আমার অ্যাকশনের অংশ।

উল্লেখ্য, এর আগেও তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে আপত্তি জানান ক্যামেরন গ্রিন। এমনকি পিএসএলেও তার বিরুদ্ধে চাকিংয়ের অভিযোগ ওঠে। পরে আম্পায়ারদের নির্দেশে বায়োমেকানিক্যাল পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হন এই অফস্পিনার।

নিজের বোলিং নিয়ে উসমানের দাবি, তার হাতে জৈবিক কারণে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা বাঁক রয়েছে, যা অনেকেই ভুলভাবে সন্দেহ করেন।

এদিকে তার পক্ষে কথা বলেছেন ভারতের সাবেক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি বলেন, ব্যাটাররা সুইচ হিট বা রিভার্স শট খেলতে পারে, কিন্তু বোলারদের ওপরই বেশি বিধিনিষেধ কেন? ক্রিজে ‘পজ’ যদি তার স্বাভাবিক অ্যাকশনের অংশ হয়, তাহলে সেটি বৈধ হওয়া উচিত।

ঘটনাটি ঘিরে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে বোলিং অ্যাকশন ও ক্রিকেটের নিয়মকানুন, যা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও স্পষ্ট ব্যাখ্যার দাবি উঠছে ক্রিকেটবিশ্বে।

ইরানের এখনো হাজার হাজার মিসাইল অক্ষত; যেকোনো সময় মেরামত করতে পারবে লঞ্চার: গোয়েন্দা রিপোর্ট

0

বুধবার (৮ এপ্রিল) মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাতে জানানো হয়, পেন্টাগনের দাবি অনুযায়ী ইরানের সামরিক সক্ষমতা ‘চূর্ণ’ হয়ে গেলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন। যুদ্ধের শুরুতে তাদের কাছে প্রায় আড়াই হাজার মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ছিল, যার এক হাজারটিরও বেশি এখনো ব্যবহারের উপযোগী রয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ‘কার্যত ধ্বংস’ বলে দাবি করলেও গোয়েন্দারা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা জানিয়েছেন, ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি পাহাড়ের গভীরে নির্মিত হওয়ায় সাধারণ বিমান হামলায় সেগুলো ধ্বংস করা অসম্ভব।

ইসরায়েলি কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন তারা মূলত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের সুড়ঙ্গগুলো বন্ধ করতে পেরেছিলেন, কিন্তু ভেতরে থাকা লঞ্চার বা মূল সমরাস্ত্রগুলো অকেজো করতে পারেননি। ফলে ইরান লড়াইয়ের এই বিরতিকে তাদের ভূগর্ভস্থ কমপ্লেক্স থেকে লঞ্চারগুলো উদ্ধার ও মেরামতের কাজে ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইরানের বর্তমান সামরিক শক্তির একটি খতিয়ান তুলে ধরেছে। সেখানে বলয়া হয়, ইরানের অর্ধেকেরও বেশি লঞ্চার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হাজার হাজার স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার মিসাইল এখনো তাদের হাতে রয়েছে। এছাড়া যুদ্ধের শুরুতে থাকা ড্রোনের ৫০ শতাংশের বেশি ধ্বংস হলেও তেহরান এখন রাশিয়া বা চীন থেকে ড্রোন প্রযুক্তি সংগ্রহের চেষ্টা করছে। এছাড়াও পারস্য উপসাগরে মার্কিন জাহাজ লক্ষ্য করে হামলার জন্য এখনো কার্যকর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ রয়েছে দেশটির কাছে।

সিআইএ-র সাবেক বিশ্লেষক কেনেথ পোলাক সতর্ক করে বলেছেন, ইরানিরা তাদের বাহিনীকে দ্রুত উদ্ভাবন ও পুনর্গঠন করার অসাধারণ ক্ষমতা রাখে। এই অজেয় শক্তির বার্তা নিয়েই শনিবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনায় বসছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত জ্যারেড কুশনার।

মার্কিন বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যদি লড়াইয়ের এই সময়টুকুকে তাদের প্রতিরক্ষা শিল্প পুনর্গঠনে ব্যবহার করতে পারে, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি মেনে নেওয়া হলে ইরান দ্রুততম সময়ে তাদের আগের সামরিক শক্তিতে ফিরে আসতে সক্ষম হবে।

কেমন আছেন এখন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা, যা জানা গেল

0

শনিবার (১১ এপ্রিল) মোজতবা খামেনির ঘনিষ্ঠ তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই খবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই হামলায় ৫৬ বছর বয়সী মোজতবার মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে যায় এবং তিনি তার এক বা উভয় পায়ে গুরুতর আঘাত পান।  তবে বর্তমানে তিনি সেই ক্ষত কাটিয়ে ওঠার আপ্রাণ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে, মোজতবা খামেনি গত ৮ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণ করলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ না হওয়ায় বিশ্বজুড়ে যে রহস্য তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই স্পষ্ট। ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি অনুযায়ী, মারাত্মক শারীরিক জখম থাকলেও তিনি মানসিকভাবে পুরোপুরি সজাগ ও কর্মক্ষম রয়েছেন। বর্তমানে তিনি কোনো সরাসরি উপস্থিতির পরিবর্তে অডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু হওয়ার আগে মুহূর্তে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শারীরিক অবস্থা নিয়ে এ প্রতিবেদনে সামনে এলো।

মোজতবা খামেনির শারীরিক অবস্থার বিষয়ে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এটিই সবচেয়ে বিস্তারিত তথ্য হলেও রয়টার্স স্বাধীনভাবে এসব তথ্য যাচাই করতে পারেনি।

হামলার পর থেকে এখন পর্যন্ত তার কোনো ছবি, ভিডিও বা অডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে তার অবস্থান ও সক্ষমতা নিয়ে জনমনে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

খামেনির আঘাত কেমন বা তিনি কেন জনসমক্ষে আসেননি—এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইরানের জাতিসংঘ মিশন।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার প্রথম দিনেই তিনি আহত হন। ওই হামলায় তার স্ত্রী, ভগ্নিপতিসহ পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হন।

ইরানের পক্ষ থেকে মোজতবা খামেনির আঘাতের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না এলেও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তাকে ‘আত্মত্যাগী’ (যুদ্ধে গুরুতর আহত ব্যক্তি) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছিলেন, খামেনি আহত হয়েছেন এবং সম্ভবত তার চেহারা বিকৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, মোজতবা খামেনি সম্ভবত একটি পা হারিয়েছেন। তবে সিআইএ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

একটি ইরানি সূত্র জানিয়েছে, আগামী এক-দুই মাসের মধ্যে মোজতবা খামেনির ছবি প্রকাশ করা হতে পারে এবং পরিস্থিতি অনুকূল হলে তিনি জনসমক্ষে উপস্থিতও হতে পারেন। তবে তার শারীরিক অবস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তা সম্ভব নয় বলেও সূত্রটি জানায়।

মার্চ মাসে সড়কে ঝরল ৫৩২ প্রাণ 

0

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। ৯টি জাতীয় দৈনিক ও ১৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টালসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বেড়েছে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৫ দশমিক ৪২ জনের মৃত্যু হলেও মার্চে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ১৬ জনে।

মার্চ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৬৬ জন নারী এবং ৯৮ জন শিশু রয়েছেন। যানবাহনের ধরন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। মাসজুড়ে মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী মিলিয়ে ২০৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

এছাড়া বাসের যাত্রী ৪৫ জন, তিন চাকার যানবাহনের (ইজিবাইক-সিএনজি-লেগুনা) যাত্রী ৯৪ জন এবং ব্যক্তিগত গাড়ির (প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস) আরোহী ৪৬ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট ১ হাজার ৮টি যানবাহন এসব দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি ২৪৪টি।

সড়কপথের পাশাপাশি রেল ও নৌপথেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাণহানি ঘটেছে। একই সময়ে ৪৮টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নিহত এবং ২২৪ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে ১৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হওয়ার পাশাপাশি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৩ জন।

আঞ্চলিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। এই বিভাগে ১২৬টি দুর্ঘটনায় ১৩৭ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৪৬টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৮ জন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে সিলেট বিভাগে; সেখানে ২৭টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ বলছে, অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে (২৬৪টি) এবং জাতীয় মহাসড়কে (১৭১টি)। দুর্ঘটনার ধরনের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২৩১টি এবং মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৬৬টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। মূলত অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোই এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সংস্থাটি তাদের বিশ্লেষণে সড়ক দুর্ঘটনার বেশ কিছু মূল কারণ উল্লেখ করেছে। এর মধ্যে যানবাহনের যান্ত্রিক ত্রুটি ও বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা এবং শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা ও ত্রুটিপূর্ণ সড়ক এবং চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা অন্যতম।

যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বিশ্বাস নেইঃবাকের গালিবাফ

0
স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ
স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ

শুক্রবার(১০ এপ্রিল) রাতে আলোচনার জন্য ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে পৌঁছে ইরানের প্রতিনিধিদলটি। এর আগে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গালিবাফ এই মন্তব্য করেন।

স্পিকার গালিবাফের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সেক্রেটারি মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর এবং ডিফেন্স কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলী আকবর আহমাদিয়ান। এ ছাড়া অর্থনৈতিক বিষয়গুলো সুরাহার জন্য ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোল নাসের হেম্মাতি এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা এই সফরে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গালিবাফ বলেন “আমাদের আলোচনার সদিচ্ছা আছে কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই। তাদের সঙ্গে আমাদের বিগত দিনের আলোচনার অভিজ্ঞতা সবসময় ব্যর্থতা এবং প্রতিশ্রুতির লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই একটি ‘প্রকৃত চুক্তির’ জন্য প্রস্তুত থাকে তবেই ইরান ইতিবাচক সাড়া দেবে।

অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় যোগ দিতে ইতোমধ্যে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ট্রাম্প প্রশাসনের এই শক্তিশালী প্রতিনিধিদলে রয়েছেন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের প্রভাবশালী জামাতা জারেড কুশনার।

সূত্র: সিএনএন ও আল-জাজিরা

 

আজ ইসলামাবাদে আবারো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক বৈঠক

0
আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক বৈঠক
আজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিক বৈঠক

আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের চোখ এখন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের দিকে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত নিরসনে সেখানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা। এই সংলাপে অংশ নিতে এরই মধ্যে ইরানি প্রতিনিধি দল পাকিস্তানে পৌঁছেছে। অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধি দল নিয়ে ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন।

বৈঠককে কেন্দ্র করে পুরো ইসলামাবাদে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে সরকারি ভবন ও বিদেশি দূতাবাস সমৃদ্ধ ‘রেড জোন’ এলাকায় সব ধরনের সাধারণ যান চলাচল ও জনসাধারণের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি সংবাদকর্মীদের জন্য জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টার বরাদ্দ দেওয়া হলেও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে কড়া পাহারা বসিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনী।

ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল গতকাল শুক্রবার রাতেই ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। এই দলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব এবং ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরসহ প্রভাবশালী কয়েকজন আইনপ্রণেতা। মূলত অর্থনীতি ও সামরিক উভয় দিক থেকে দরকষাকষির পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই তেহরান এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছে।

অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এয়ার ফোর্স টু-তে করে পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। তার এই সফরের ওপর নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাব ও ভবিষ্যৎ সামরিক কৌশলের অনেক কিছুই। তবে প্রতিনিধিদলের বিস্তারিত তালিকা কিংবা আলোচনার সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে দুই পক্ষই এখন পর্যন্ত এক ধরনের গোপনীয়তা বজায় রাখছে।

এত প্রস্তুতির মাঝেও আলোচনার সাফল্য নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা কাজ করছে। এর প্রধান কারণ লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলা। ইরান শুরু থেকেই দাবি করে আসছে যে এই যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা সফল হতে হলে লেবানন ফ্রন্টকেও এর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় তেহরান ইতোমধ্যেই চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে।

বিপরীতে ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে বর্তমান সমঝোতায় লেবানন সরাসরি অন্তর্ভুক্ত নয়। এই অস্পষ্টতা ও মতভেদের কারণে শেষ মুহূর্তে বৈঠকটি কতটুকু ফলপ্রসূ হবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। ইসরায়েল এখন পর্যন্ত এই পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি ।

ইসলামাবাদে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে জানিয়েছিলেন, ইরান এই বৈঠকে ১০ দফার একটি প্রস্তাব পেশ করবে। যদিও পরবর্তীতে পোস্টটি ডিলিট করা হয়েছে এবং দূতাবাস থেকে একে ‘সময়ের আগে করা পোস্ট’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

উভয় পক্ষের শীর্ষ নেতারা আলোচনার বিষয়ে প্রকাশ্যে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও নিজ নিজ শর্ত পূরণ না হলে কঠোর সামরিক অবস্থানের হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন।