সোমবার, মে ৪, ২০২৬
সোমবার, মে ৪, ২০২৬
26 C
Dhaka

তফসিল ঘোষণা হল ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের 

0
ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবন
ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবন

রোববার (২৯ মার্চ) ঢাকা আইনজীবী সমিতির মূল ভবন (৩ তলা) নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব মো. বোরহান উদ্দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব মো. বোরহান উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ৫, ৬ ও ৭ এপ্রিল মনোনয়নপত্র বিতরণ, দাখিল এবং গ্রহণের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের জন্য ৮ এপ্রিল দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। বৈধ তালিকা প্রকাশ ৯ এপ্রিল, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের জন্য ১২ এপ্রিল দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রার্থী পরিচিত সভা ২৬ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

মুস্তাফিজ-ইমনরা ৫ রানের জরিমানা হজম করে হারলেন ম্যাচ 

0

রোববার (২৯ মার্চ) প্রথম ম্যাচে দল জিতলেও তার দল লাহোর কালান্দার্স হেরে যায় ৪ উইকেটে। অবশ্য এদিন শেষ মুহূর্তে ৫ রানের জরিমানা হজম করতে হয় লাহোরকে।

গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে লাহোরের দেয়া ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় করাচি। ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে এক উইকেট শিকার করেন মুস্তাফিজ। আর ১২ বলে ১২ রান করে আউট হন ইমন।

ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি করাচির। মাত্র ১০ রানে দুই ওপেনার অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার ও সালমান আলি আগাকে ফিরিয়ে দেন শাহিন আফ্রিদি।

এরপর ইনিংসের হাল ধরেন ওয়াসিম। তরুণ সাদ বেগ (১৯) এবং মঈন আলির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন তিনি। ৩৯ রানের মাথায় সাদকে ফেরান মুস্তাফিজ। আর শেষ পর্যন্ত ৩৭ বলে ৩৮ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে আবারও শাহিনের শিকার হন ওয়াসিম। একই ওভারে মঈন (১৮) আউট হলে করাচির স্কোর দাঁড়ায় ৮৮/৫। এরপর খুশদিল শাহ ও আজম খানের ৩২ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরায় দলকে।

শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৪ রান। তবে বলের অবস্থা পরিবর্তনের কারণে ফিল্ডিং দল লাহোরের ওপর ৫ রানের পেনাল্টি আরোপ করলে সমীকরণ নেমে আসে ৯ রানে।শেষ ওভার করতে গিয়ে হারিস রউফ প্রথম বলেই খুশদিলকে (১৩) ফিরিয়ে দিলেও, পরের ব্যাটার আব্বাস আফ্রিদি টানা চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে নাটকীয় জয় এনে দেন। লাহোরের হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন শাহিন, ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রানে নেন ৪ উইকেট।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে লাহোর ২০ ওভারে ১২৮/৯ রান সংগ্রহ করে। আব্দুল্লাহ শফিক ২৪ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলে দলের সর্বোচ্চ রান করেন। এছাড়া সিকান্দার রাজা ১৯ রান এবং হাসিবুল্লাহ খান যোগ করেন ২৮ রান। করাচির হয়ে অ্যাডাম জাম্পা, মির হামজা ও মঈন নেন দুটি করে উইকেট।

তিন কর্মকর্তার পদায়ন হলও ডিএমপিতে,নাসিরুদ্দিন নতুন মুখপাত্র 

0
ডিএমপি সদরদপ্তর
ডিএমপি সদরদপ্তর

রোববার (২৯ মার্চ) ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ পদায়ন করা হয়। ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, ডিএমপির উপ-কমিশনার (পরিবহন বিভাগ) এন এম নাসিরুদ্দিনকে উপ-কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এর ফলে তিনি ডিএমপির নতুন মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

অন্যদিকে, উপ-কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়াকে উপ-কমিশনার (পরিবহন) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পি অ্যান্ড আর) মো. ওয়ালিউল ইসলামকে অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগ-উত্তর) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

ইরানের খারগ দ্বীপ ও জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাই: ট্রাম্প

0
ইরানের খারগ দ্বীপ
ইরানের খারগ দ্বীপ

ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই সঙ্গে দেশটির খারগ দ্বীপের রপ্তানি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণও চায় ওয়াশিংটন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিনান্সিয়াল টাইমস পত্রিকাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেছেন।

একে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সঙ্গে তুলনা করেছেন ট্রাম্প। গত জানুয়ারিতে দেশটির রাজধানী কারাকাসে প্রেসিডেন্টের বাসভবনে সামরিক অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী।

ওই সময় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে স্ত্রীসহ তুলে এনে নিউইয়র্কে আটক রাখা হয়েছে। এরপর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে থাকা ভেনেজুয়েলার জ্বালানি তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের ইচ্ছার কথা জানিয়ে আসছে ওয়াশিংটন।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ফিনান্সিয়াল টাইমসকে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ ইরানের জ্বালানি তেলের নিয়ন্ত্রণ নেয়া। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে কিছু বোকা লোক বলছে, “আপনি এটা কেন করছেন?” ওরা আসলেই বোকা।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘হয়তো আমরা খারগ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেবো, কিংবা হয়তো নেবো না। আমাদের হাতে অনেকগুলো বিকল্প আছে।’— তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে (খারগ দ্বীপ) আমাদের কিছুদিন অবস্থান করতে হতে পারে।’

খারগ দ্বীপে থাকা ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প চটজলদি বলেন, ‘আমার মনে হয় না তাদের (ইরান) কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আছে। আমরা খুব সহজে এটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারি।’

সূত্র: আল–জাজিরা

সিআইডি ফিরিয়ে আনলো পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকা 

0
পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকা ফিরিয়ে আনলো সিআইডি 
পাচার হওয়া ৪৪ কোটি টাকা ফিরিয়ে আনলো সিআইডি 

রোববার (২৯ মার্চ) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন খান এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বহুল আলোচিত এমটিএফই (মেটাভার্স বৈদেশিক মুদ্রা) প্রতারণার মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা অর্থের একটি অংশ সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে এনেছে সিআইডি। এ পর্যন্ত ৪৪ কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধার করে দেশে আনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছিল, যা উদ্ধারে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছিল অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ অর্থ ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পাচারকৃত অবশিষ্ট অর্থ উদ্ধারে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তও অব্যাহত আছে।

এনসিপি ঘোষণা করলো ৫ সিটির মেয়র প্রার্থীর নাম

0
এনসিপির লগও
এনসিপির লগও

আজ রোববার (২৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম জানান, ১২টি সিটি করপোরেশনের মধ্যে প্রথম দফায় পাঁচ সিটিতে এনসিপির মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, সিলেট সিটি করপোরেশনে এনসিপির সিলেট মহানগরের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. আব্দুর রহমান আফজাল, রাজশাহী সিটি করপোরেশনে এনসিপির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলী।

সংবাদ সম্মেলনে কয়েকটি সিটি করপোরেশনে দলীয় প্রশাসক নিয়োগের সমালোচনা করে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে এনসিপি পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেছে। দাবিগুলো হলো—

  • এক. আগামী ছয় মাসের মধ্যে সব পর্যায়ের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
  • দুই. উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কোনো প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
  • তিন. প্রশাসকের পদে আসীন কোনো ব্যক্তি স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
  • চার. নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) নিশ্চিত করতে হবে এবং সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।
  • পাঁচ. দলীয় প্রতীক বা মার্কা ছাড়াই সংস্কারকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে পাঁচ মেয়র প্রার্থী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

এনসিপি নেতারা জানান, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতেই তারা এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

জিপিএস সিস্টেম বসছে গণপরিবহনে

0
গণপরিবহনে বসছে জিপিএস সিস্টেম
গণপরিবহনে বসছে জিপিএস সিস্টেম

রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

দেশের সড়ক দুর্ঘটনা রোধ, সড়কে সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সরকারের কার্যক্রম জোরদার করতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে এই উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, সব পাবলিক পরিবহনে জিপিএস সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মহাসড়কে ৮০ কিলোমিটারের উপরে গতি উঠলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঈদযাত্রায় ভোগান্তি ও দুর্ঘটনা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে এসময় মন্ত্রী বলেন, ঈদের জার্নি স্মুথ হয়েছে বলেই আমি মনে করি। কারণ দেড় কোটি মানুষ তিন দিনের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে চেয়েছে, দু-একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেটার জন্য আমরা দুঃখিত, জাতি দুঃখিত, জাতি ভারাক্রান্ত, মর্মাহত। একটা প্রাণেরও মানে ‘ডিপারচার’ কেউ চায় না। দুটি বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।

যানজট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অথবা যানবাহনের অভাবে বাড়ি যেতে পারছেন না, ঈদের দিনও রাস্তায় কেটেছে—এরকম আগে ছিল। আমরা মনে করছি যেকোনো সময়ের চেয়ে দেড় কোটি মানুষ নিরাপদে, স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে সক্ষম হয়েছে। যদিও আমি বলছি যে, দুই-তিনটি দুর্ঘটনা আমাদের ব্যথিত করেছে এবং যেটাকে বলা হয় ভারাক্রান্ত করেছে।

দুর্ঘটনার জন্য আসলে দায়ী কারা?—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্ঘটনার জন্য আমি কাউকে বিশেষভাবে দায়ী করতে চাই না। তবে, এর সঙ্গে যাদের প্রাথমিক পর্যায়ে সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে, তদন্ত কমিটি করে এগুলো দেখতে হচ্ছে, আর যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কিন্তু আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি, ডিপার্টমেন্টাল ব্যবস্থা—যে যেখানে আছে সেটা কিন্তু আমরা নিয়েছি। যেমন— রেলের আপনি জানেন ওই দুজন গার্ডকে বহিষ্কার করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের যে বস ছিল সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, যিনি ওখানে ওই গার্ডগুলো রাখা এবং তারা ফাংশন করছে কিনা, উপস্থিত আছে কিনা—এই যে অফিসারের দায়িত্ব ছিল, তাকেও আমরা চাকরিচ্যুত করে ব্যবস্থা নিয়েছি। অর্থাৎ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রী নিয়ে পদ্মায় ডুবে যাওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনের ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না হলে শুধু ওই বাসটি না, ওই কোম্পানির সব বাসের রেজিস্ট্রেশন বা রুট পারমিট বাতিল হয়ে যাবে।

এসময় দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা নিয়ে বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠনের তথ্যের বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, নিহত হওয়ার সংখ্যা নিয়ে যেটা বলেছেন, আমার মনে হয় যে আপনাদের পরিসংখ্যানের সঙ্গে আমার দ্বিমত হবে। আমরা বিআরটিএ, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে অথরিটি; সবকিছু মিলিয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তথ্য-উপাত্ত কালেক্ট করি। সেখানে মৃত্যুর সংখ্যা হচ্ছে সড়ক এবং নৌপথে যে দুর্ঘটনাটা ঘটেছে—১৭০ জন আমার কাছে হিসাব আছে। তার মধ্যে মহাসড়কে ৪৭ জন, ২৮ জন হচ্ছে নৌপথে, আর ১৭ জন সম্ভবত রেলপথে। আর বাকিগুলো ধরে নেন এলজিইডি সড়ক বা অন্যান্য দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ১৭০ জন। ১১ দিনে গত বছর নিহত হয়েছি ১৮৭ জন।

তিনি বলেন, আমি এই পরিসংখ্যান দিয়ে তুলনা করতে চাচ্ছি না; কোনো মৃত্যুই কাম্য না—আমি প্রথমে বলেছি। তবে ,আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি এ কথা বলা ঠিক হবে না, নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, আগের চেয়ে কম হয়েছে, আগামীতে আমরা আরও কম করব। সেই জন্যই কিন্তু আজকের এই আলোচনা সভা।

 

শিগগিরই ঘোষণা করা হবে ছাত্রদলের নতুন কমিটি

0

সাম্প্রতিক বিভিন্ন ছাত্র সংসদ নির্বাচনে আশানুরূপ ফল না পাওয়া এবং ২৬০ সদস্যের বড় কমিটিতে অভ্যন্তরীণ কোন্দল—এসব বিষয় নিয়ে সংগঠনের ভেতরেই সমালোচনা রয়েছে। তারই প্রেক্ষাপটে এবার ছাত্রদলকে নতুন করে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে দলের হাইকমান্ড। সেই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় নতুন কমিটি নিয়ে চলছে জোর গুঞ্জন।

২০২৪ সালের ১ মার্চ জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ঠিক আগে রাকিবুল ইসলামকে সভাপতি ও নাছির উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭ সদস্যের একটি আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছিল ছাত্রদল। পরবর্তীতে ২৬০ সদস্যের বড় কমিটিতে রূপ নেয় তা। নিয়ম অনুযায়ী, দুই বছরের এই কমিটির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।

এমন বাস্তবতায় ত্যাগী ও রাজপথে পরীক্ষিত নেতাদের নিয়ে ছোট, কার্যকর ও গতিশীল একটি কমিটি গঠনের চিন্তাভাবনা করছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।

গত ৮ মার্চ বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘দ্রুতই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে।’ তার এই বক্তব্যের পর সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।

ছাত্রদলের সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখা যায়, রাজীব–আকরাম কমিটি ছাড়া বাকি চারটি কেন্দ্রীয় কমিটি প্রায় দুই বছর মেয়াদ পূর্ণ করেছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব গঠনের দাবি জোরালো হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরাও ইতোমধ্যে তৎপর হয়ে উঠেছেন—দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, ইফতার আয়োজন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সক্রিয়তা বাড়িয়েছেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা ঘোষণা হতে পারে। সম্প্রতি (২৮ মার্চ) দলের চেয়ার‌ম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শনের পর ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গঠনের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে।

তবে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশের প্রত্যাশা—এবার যেন স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়।

সভাপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। সিনিয়রদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব এলে ২০০৭-০৮ সেশনের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম আলোচনায় রয়েছেন।

২০০৮-০৯ সেশন থেকে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত, খোরশেদ আলম সোহেল, মনজরুল আলম রিয়াদ, ইজাজুল কবির রুয়েল এবং শাফি ইসলামও আলোচনায় আছেন।

তবে, তৃণমূলে জোরালো গুঞ্জন— এবার ২০০৯-১০ সেশন থেকেই আসতে পারে মূল নেতৃত্ব। এই সেশন থেকে ছাত্রদলের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, হাসানুর রহমান হাসান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালেহ মো. আদনান এগিয়ে রয়েছেন। এছাড়া, সহ-সভাপতি কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহমুদুল হাসান রনি এবং প্রচার সম্পাদক শরিফ প্রধান শুভও আলোচনায় রয়েছেন।

অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক পদে তুলনামূলক জুনিয়র সেশনের নেতাদের প্রাধান্য পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০১০-১১ সেশন থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক মাসুম বিল্লাহর নাম শোনা যাচ্ছে।

এছাড়া, সাধারণ সম্পাদক পদে ২০১১-১২ সেশনের নেতাদের মধ্য থেকেও বেশ কয়েকজন আলোচনায় রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাজু আহমেদ, নাছির উদ্দিন শাওন, গাজী সাদ্দাম হোসেন, তারেক হাসান মামুন, মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স, সাইদুর রহমান, ইব্রাহিম খলিল, মাহমুদ ইসলাম কাজল ও শামীম আকতার শুভ।

তবে, সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজন আলোচিত ছাত্রনেতা নতুন কমিটিতে বাদ পড়তে পারেন বলেও আলোচনা রয়েছে।

পদপ্রত্যাশীরা বলছেন, স্বৈরাচারী আমলে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়, ত্যাগী এবং গঠনমূলক রাজনীতির মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বি ছাত্র শিবিরকে মোকাবিলার মতো প্রজ্ঞা আছে এমন ব্যক্তিদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণ হবে। এতে ঘুরে দাঁড়াতে পারবে ছাত্রদল।

যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তাদের ভাষ্য, দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাংগঠনিক অভিভাবক। তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সেটিই সংগঠনের পক্ষ থেকে সাদরে গ্রহণ করা হবে।

 

আরও ৬ জাহাজ আসছে ,২৫ দিনে জ্বালানি তেল নিয়ে এসেছে ৩০ জাহাজ

0
জ্বালানি তেল নিয়ে আসছে আরও ৬ জাহাজ
জ্বালানি তেল নিয়ে আসছে আরও ৬ জাহাজ

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে হরমুজ প্রণালিতে অচল অবস্থা বিরাজ করায় তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। তবে, এমন পরিস্থিতিতেও এখন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভালোভাবেই সচল আছে বাংলাদেশে। একের পর এক জ্বালানিবাহী জাহাজ ভিড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে। শুধু গত ২৫ দিনেই ভিড়েছে জ্বালানি তেল ভর্তি ৩০টি জাহাজ।

শুধু তাই নয়, আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে এই বন্দরে ভিড়বে আরও ছয়টি জাহাজ; যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, গত এক মাসে ৩০টি জাহাজ জ্বালানি তেল নিয়ে বন্দরে ভিড়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর গত ৩ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত এসব জাহাজ এসেছে। এর মধ্যে ২৭টি জাহাজ ইতোমধ্যে জ্বালানি খালাস করে ফিরে গেছে। বর্তমানে দুটি থেকে খালাস কার্যক্রম চলছে। আগামী ৪ এপ্রিলের মধ্যে আরও ছয়টি জাহাজ বন্দরে ভিড়বে। এসব জাহাজের মধ্যে তিনটিতে এলএনজি, দুটিতে গ্যাস অয়েল এবং একটিতে এলপিজি আসছে।

এদিকে চলমান যুদ্ধের মধ্যেও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশের জাহাজ চলাচলে অভয় দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু ‘বন্ধুরাষ্ট্র’ এবং বিশেষ অনুমোদিত দেশের জন্য এই জলপথ খোলা থাকবে। ইরানের এই বন্ধুতালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরাক ও পাকিস্তানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

বন্দর সূত্রে জানিয়েছে, ৩ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত আসা জাহাজগুলোর মধ্যে ছয়টিতে এলএনজি এসেছে। এর মধ্যে পাঁচটি এসেছে কাতার থেকে এবং একটি এসেছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। এলপিজি নিয়ে এসেছে আটটি। এর মধ্যে তিনটি এসেছে মালয়েশিয়া, দুটি ওমান, দুটি এসেছে ভারত থেকে এবং একটি এসেছে সিঙ্গাপুর থেকে। বাকি ১৬টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটিতে গ্যাস অয়েল আনা হয়েছে। যার মধ্যে দুটি সিঙ্গাপুর, দুটি মালয়েশিয়া এবং একটি ভারত থেকে এসেছে। আরও চারটি জাহাজে হাই সালফার ফুয়েল এসেছে, যার সবগুলোই সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা হয়েছে।

অবশ্য, পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ক্রুড অয়েল আমদানি নিয়ে। দেশে প্রতি মাসে গড়ে ১ থেকে দেড় লাখ টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়, যা দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারিতে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। কিন্তু, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মার্চ মাসে নির্ধারিত দুটি জাহাজের একটিও এখনও বন্দরে পৌঁছায়নি। সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি একটি জাহাজে করে ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়েছিল। এরপর আর কোনও চালান দেশে আসেনি।

তবে, বাংলাদেশ অপরিশোধিত তেল বা ক্রুড অয়েলের ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল নয়। বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে জ্বালানি তেলের চাহিদা ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন। এর মধ্যে ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আর বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত তেল সিঙ্গাপুর, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও মালেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

 

তুমুল বিতর্ক দিয়ে শুরু হলও আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচ

0
বিরাট কোহলি
বিরাট কোহলি

রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে আইপিএলের ১৯তম আসর। তবে তুমুল বিতর্ক দিয়ে শুরু হলো আসর। ঘটনার কেন্দ্রে হায়দরাবাদের দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা হেনরিখ ক্লাসেন।

বড় শট খেলতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনের ঠিক সামনে আরসিবি তারকা ফিল সল্টের হাতে ক্যাচ দেন ক্লাসেন। কিন্তু রিপ্লেতে দেখা গিয়েছে, ক্যাচ নেয়ার সময়ে সল্টের শরীর বাউন্ডারি লাইন ছুঁয়েছিল। তবুও আম্পায়াররা ক্লাসেনকে আউট ঘোষণা করেন। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ক্লাসেন। চতুর্থ আম্পায়ারের সঙ্গে কথা বলার পরে তাকে অসন্তুষ্ট দেখায়। ক্ষুব্ধ ও অসন্তুষ্ট হয়ে ক্লাসেন মাঠ ছাড়েন।

ঘটনাটি হায়দরাবাদ ইনিংসের ১৪তম ওভারের ঘটনা। ওই সময়ে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল হায়দরাবাদ। এরপর ক্লাসেনকে নিয়ে ৯৭ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক ইশান কিষাণ। দল যখন চাপ সামলে বড় ইনিংস গড়ার পথে। তখন রোমারিও শেফার্ডকে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ ক্লাসেন।

সল্ট অসাধারণ দক্ষতায় ক্যাচটি ধরলেও এরপর ফিল্ড আম্পায়াররা সিদ্ধান্তটি থার্ড আম্পায়ারের কাছে পাঠান। ক্যাচ ধরার সময়ে সল্টের শরীর বাউন্ডারি লাইন ছুঁয়েছিল কি না তা যাচাই করার জন্যই পাঠানো হয়েছিল। রিপ্লেতে পরিষ্কার করে বোঝা না গেলেও একটি অ্যাঙ্গেলে দেখা যায় ক্যাচ নেওয়ার সময়ে বাউন্ডারি লাইনের দড়ি নড়ে উঠেছিল। তবুও থার্ড আম্পায়ার রোহন পণ্ডিত দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে আউট দেন।

আম্পায়ারের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে হায়দরাবাদ সমর্থকরা। ক্লাসেনও ঘটনার প্রতিবাদ করেন। তবে সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আসেনি। শেষ পর্যন্ত অসন্তোষ নিয়েই মাঠ ছাড়েন ক্লাসেন।