বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) হ্যানয়ের হ্যাং ডে স্টেডিয়ামে ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়েও রক্ষা হয়নি হাভিয়ের কাবরেরার দল। উল্টো হজম করেছে তিন গোল। দ্বিতীয়ার্ধে চোখে চোখে রেখে লড়াই চালিয়ে গেলেও জালের দেখা পায়নি হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়ারা।
আগামী ৩১ মার্চ এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সে ম্যাচের প্রস্তুতি হিসেবে ভিয়েতনামের বিপক্ষে শুরুর একাদশে প্রায় সব তারকাকেই রাখেন কোচ কাবরেরা। তবে তারকা ফুটবলারদের নিয়ে একাদশ সাজালেও ভিয়েতনামের বিপক্ষে পাত্তাই পায়নি বাংলাদেশ।
ম্যাচ শুরুর অষ্টম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ভিয়েতনামের ডিফেন্ডার শুয়ং তিয়েন আইনের কর্নার থেকে শট নেওয়ার চেষ্টা করেন পাম তুন হাই। কিন্তু তিনি বলের নাগাল পাওয়ার আগেই বিপদমুক্ত করতে গিয়ে জায়ান আহমেদ উল্টো বিপদ ডেকে আনেন। বাংলাদেশি এই ডিফেন্ডারের পা থেকেই বল চলে যায় জালে।
সে ক্ষত না শুকাতেই ১৮তম মিনিটে ফের হানা দেয় ভিয়েতনাম। ব্যবধান ২-০ করেন পাম জুয়ান মান। কর্নার থেকে উড়ে আসা শুয়ং তিয়েনের বাঁকানো শট হেডে জালে জড়ান এই লেফটব্যাক। ৩১ মিনিটে নগুয়াইন হাই লংয়ের শট দারুণ প্রচেষ্টায় থামিয়ে দেন গোলকিপার মেহেদী। ৩৮তম মিনিটে স্বাগতিকদের ব্যবধান ৩-০ করেন গুয়েন হেই লং।
প্রথমার্ধের প্রায় পুরোটা সময় রক্ষণাত্মক খেলে যায় বাংলাদেশ। মাঝেমধ্যে প্রতি আক্রমণে উঠে কয়েকটি শট নিলেও, সেগুলো জাল খুঁজে নিতে পারেনি। বিরতির পর দুই দল আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে গেলেও আর জালের দেখা পায়নি। ফলে ভিয়েতনামের বিপক্ষে জয় অধরাই থাকল বাংলাদেশের।
এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ আগেই শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। বাছাইপর্বে এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে একটি জয় বাংলাদেশের, সেটি গত নভেম্বর ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে। অন্য চার ম্যাচে দুই হার, দুই ড্র। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৫।


