মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
31.7 C
Dhaka

ইউরোপে স্বপ্নপূরণে গিয়ে ৫ মাসে সাগরে প্রাণ গেছে ১৩০০ জনে

0

বুধবার (১০ জুন) এই তথ্য জানিয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর ও পশ্চিম ভূমধ্যসাগরের বিপজ্জনক পথে আফ্রিকা থেকে পারাপারের বিষয়টি নজরদারি করা মানবাধিকার সংস্থা কামিনান্দো ফ্রোন্তেরাস।

গত এক দশকে অনিয়মিত অভিবাসন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া স্পেনের দ্বীপপুঞ্জ ক্যানারি দ্বীপে পোপ লিওর সফরের আগে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে স্পেনের উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টায় ১ হাজার ৩১৭ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৪২ জন নারী এবং ১২৯ জন শিশু রয়েছে। এছাড়া ২৭টি নৌকা সাগর পাড়ি দিয়ে গিয়ে আরোহীসহ নিখোঁজ হয়ে গেছে।

চলতি সপ্তাহে স্পেন সফরকালে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের প্রতি ইউরোপের দেশগুলোর আচরণের বিষয়ে কথা বলেছেন পোপ। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দুর্দশাকে এমন এক সমস্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি; যা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার নৈতিক ভিত্তিকে চ্যালেঞ্জ করে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা বলছে, ইউরোপের কাছাকাছি থাকা মৌরিতানিয়ার মতো জায়গাগুলোতে পারাপার বন্ধের প্রচেষ্টা জোরদার করায় অভিবাসনপ্রত্যাশীরা কোস্ট গার্ড বা নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারি এড়ানো চেষ্টা করছেন। এই চেষ্টার অংশ হিসেবে তারা আটলান্টিক মহাসাগরজুড়ে আরও দীর্ঘ এবং ঝুঁকিপূর্ণ পথ বেছে নিচ্ছেন।

সংস্থাটি বলেছে, ২০২৫ সালে স্পেনের উপকূলে পৌঁছানোর চেষ্টায় ৩ হাজার ৯০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন।

ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ এবং পশ্চিম আফ্রিকা উপকূলের মধ্যকার সর্বনিম্ন দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার (৬২ মাইল)। এছাড়া অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই মরক্কো থেকে স্পেনের মধ্যকার প্রায় ২০ কিলোমিটার প্রশস্ত একটি ভিন্ন পথ দিয়ে সাঁতরে পার হওয়ারও চেষ্টা করে থাকেন।

সূত্র: রয়টার্স।

হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু

0
হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু
হাম উপসর্গে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ মারা না গেলেও সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে আটজনের।

অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯২ জনের প্রাণ গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ৫৪৭ জন।

প্রতিবেদনে উল্লেখিত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৯৪ জনের। এসময়ে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪৫ জন।

গত ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৯২৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৮২ হাজার ২৯ জন। একই সময়ে হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৬৬ হাজার ৯৯৯ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৬৩ হাজার ১৪৫ জন।

বিভাগভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৫৬ রোগী মারা গেছে ঢাকায়। এছাড়া বরিশালে ১৯, চট্টগ্রামে ১০, সিলেটে তিন এবং ময়মনসিংহ ও রাজশাহীতে দুজন করে মৃত্যুবরণ করেছে।

সন্দেহজনক হামেও সবচেয়ে বেশি ২২৯ জনের মৃত্যু ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এরপর ৮৬ জন মারা গেছে রাজশাহীতে। সেই সঙ্গে সিলেটে ৬৬, ময়মনসিংহে ৫০, চট্টগ্রামে ৪৭, বরিশালে ৩৮, খুলনায় ২৩ ও রংপুরে আটজন প্রাণ হারিয়েছে।

 

৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো বাংলাদেশের অর্থনীতি

0
ডলার
ডলার

বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য। সংস্থাটির প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার দাঁড়িয়েছে ৫০১ বিলিয়ন ডলার।

এক বছর আগে দেশের অর্থনীতির আকার ছিল ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে অর্থনীতির আকার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিবিএসের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। আগের অর্থবছরে এ হার ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশের নিচে থাকার পূর্বাভাস দিলেও প্রাথমিক হিসাবে তা ছাড়িয়ে গেছে।

খাতভিত্তিক হিসাবে কৃষি ও সেবা খাত প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চলতি অর্থবছরে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

অন্যদিকে, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি কিছুটা কমেছে। এ খাতে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানি প্রবৃদ্ধি শ্লথ হওয়া এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাওয়ায় শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব পড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানো বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

৫ বছরের রোডম্যাপ বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তারেক রহমান বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে দেশের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ১৮০ দিন, ২০২৬-২৭ অর্থবছর এবং আগামী ৫ বছরের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। ইতোমধ্যে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে সরকার। বিশেষ করে নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচির আলোকে ইতোমধ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনকে সামনে রেখে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে নারীপ্রধান পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এর মাধ্যমে মাসিক ২,৫০০ টাকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পাইলটিং পর্যায়ে এ পর্যন্ত ৩৬টি ইউনিটের ৬০,০৪৮টি পরিবারকে এই কার্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকদের ইউনিক পরিচয় নিশ্চিতকরণে ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা এবং স্বল্প মূল্যে সেচ সুবিধাসহ সহজ শর্তে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদানের লক্ষ্যে গত ১৪ এপ্রিল কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে এ কার্যক্রম চলছে এবং এ পর্যন্ত ২০,৭৪৮ জনকে কৃষক কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করেছে। এ লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে ১৫৬৭.৯৬ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছে, যার ফলে সারা দেশের প্রায় ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ জন কৃষক উপকৃত হবেন।

তিনি আরও জানান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় দেশের ৪৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির, ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার বা প্যাগোডা এবং ৩৯৬টি গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানী ভাতা দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথম ১৮০ দিনের মধ্যে ৫টি জেলা তথা খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদীর জনসাধারণকে ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। এই কার্ডটি ইলেকট্রনিক পেশেন্ট রেফারেল সিস্টেম এবং ইলেকট্রনিক পেশেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।

সরকারপ্রধান বলেন, পরিবেশ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি গত ১৬ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে। ৩১ মে পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৬৬৬টি খাল খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যার মোট দৈর্ঘ্য ১৬৩৫.০৪ কিলোমিটার। এছাড়া ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বনায়ন সৃজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৩ কোটি ১৪ লাখ চারা রোপণ করা হবে, যা স্থানীয় সরকার ও এনজিওদের সঙ্গে সমন্বয় করে সম্পন্ন করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে আগামী অর্থবছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর পাশাপাশি বিভিন্ন স্কুলে পর্যায়ক্রমে “ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব” পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ আধুনিকায়নে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ২৩৩৬টি কারিগরি ও ৮২৩২টি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ফ্রি ওয়াই-ফাই’ চালু করা হবে। তরুণদের উচ্চশিক্ষার সুবিধার্থে ল্যাঙ্গুয়েজ স্টুডেন্ট ভিসায় বিদ্যমান জামানতবিহীন ঋণ সীমা ৩ লক্ষ টাকা হতে ১০ লক্ষ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বিশেষ করে জাপানগামী শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসা প্রাপ্তির পূর্বেই সার্টিফিকেট অব এলিজিবিলিটি এর ভিত্তিতে এই ঋণ দেওয়া সহজীকরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের ক্রীড়া ও বিনোদন খাতের উন্নয়নে সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গঠিত কমিটি কাজ করছে। প্রতিটি ইউনিয়ন ও উপজেলায় যথাক্রমে ৮ বিঘা ও ১০ বিঘা করে উন্মুক্ত খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে, যেখানে প্রাথমিকভাবে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে আওতায় আনার পরিকল্পনার মধ্যে এ পর্যন্ত ৩০০ জনকে ভাতা এবং ৩২৫ জনকে ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ১২-১৪ বছরের শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গত ২ মে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে, যাতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্টসহ মোট ৮টি খেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে হাই-টেক বা সফটওয়্যার পার্ক ও আইসিটি সেন্টারসমূহ কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য এবং বাংলাদেশে পেপ্যাল এর কার্যক্রম আরম্ভে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের টেকসই উন্নয়নে ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি ও নেট মিটারিং এর মাধ্যমে মোট ৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

তারেক রহমান আরও বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে শুধুমাত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থাসমূহে শূন্য পদের বিপরীতে ২৮৭৯ জন লোক নিয়োগের কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

হাইতির ‘গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্স’-এ অংশ নেবে বাংলাদেশ, জানালেন সেনাপ্রধান 

0

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

সেনাপ্রধান বলেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নয়টি মিশনে বাংলাদেশের মোট ৪ হাজার ২১২ জন শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা রয়েছেন।

তিনি জানান, শান্তিরক্ষায় নারীর অংশগ্রহণেও বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এখন পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ৯০৫ জন নারী শান্তিরক্ষী সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে ২৯৪ জন নারী সদস্য বিভিন্ন মিশনে নিয়োজিত আছেন।

সেনাপ্রধান আরও বলেন, জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশ বিশ্ব শান্তিরক্ষায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে এবং বর্তমানে এটি একটি স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য নাম।

তিনি উল্লেখ করেন, শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তির ব্যবহার, চিকিৎসা ও প্রকৌশল সহায়তা এবং নারী শান্তিরক্ষীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

৭৭ হাজার কোটি রুপির সাম্রাজ্য, রাম চরণ-স্ত্রী উপাসনার অবিশ্বাস্য উত্থান! 

0

বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপাসনার পরিবারের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের মূল্য প্রায় ৭৭ হাজার কোটি রুপি। তবে শুধু উত্তরাধিকার নয়, নিজের কর্মদক্ষতার মাধ্যমেও তিনি আলাদা পরিচিতি অর্জন করেছেন।

উপাসনা কোনিডেলা ভারতের সুপরিচিত কোনিডেলা পরিবারের সন্তান। তার দাদা প্রতাপ সি রেড্ডি দেশটির বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতের পথিকৃৎ এবং অ্যাপোলো হাসপাতালসের প্রতিষ্ঠাতা। পরিবারের স্বাস্থ্যসেবা সাম্রাজ্যকে এগিয়ে নিতে তার মা শোভনা কামিনেনিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

করপোরেট জীবনে উপাসনা জাইডাস গ্রুপের স্বাধীন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি অ্যাপোলো ২৪/৭ প্ল্যাটফর্মের বোর্ড সদস্য এবং অ্যাপোলো হাসপাতালের সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির নেতৃত্বে রয়েছেন। স্বাস্থ্যবিমা খাতেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

উপাসনা জানিয়েছেন, তাদের পরিবারে একটি লিখিত পারিবারিক সংবিধান রয়েছে, যার মাধ্যমে সম্পদ ও দায়িত্ব বণ্টনের নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে পারিবারিক বিরোধ এড়ানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তাদের পরিবারে একসময় পিতৃতান্ত্রিক প্রভাব থাকলেও পরবর্তীতে নারীরা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে সমান অংশীদারত্ব নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে রাম চরণ শুধু অভিনেতা নন, তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমেও যুক্ত। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের পর ২০১২ সালে রাম চরণ ও উপাসনার বিয়ে হয়, যা ছিল বিনোদন ও ব্যবসায়িক অঙ্গনে আলোচিত একটি ঘটনা।

রাম চরণ বহুবার জানিয়েছেন, তাদের সংসারে ভারসাম্য রক্ষায় উপাসনার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে উপাসনাও স্বামীর সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করেন এবং পারস্পরিক সম্মানকেই সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে দেখেন।

উত্তরাধিকারসূত্রে পরিচিত হলেও উপাসনা কোনিডেলা নিজস্ব কাজ, নেতৃত্ব ও সমাজসেবার মাধ্যমে আধুনিক ভারতের করপোরেট জগতে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছেন।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হচ্ছে আজ

0

যথাযোগ্য মর্যাদায় বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশে পালিত হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস। প্রতিবছর ২৯ মে দিবসটি পালিত হলেও এবার ঈদের ছুটি থাকায় দেশে আজ এই দিবস পালিত হতে যাচ্ছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় শাহাদাতবরণকারী বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান করা হবে। সাকাল সাড়ে ৯টায় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দিবসটি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার (৯ জুন) তার বাণীতে বলেছেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ। বিশ্বের সব শান্তিরক্ষীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, সংঘাত, সহিংসতা ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত  সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব সাহসী শান্তিরক্ষী আত্মত্যাগ করেছেন তাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, সর্বোচ্চসংখ্যক শান্তিরক্ষী পাঠানো দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় ধরে মর্যাদাপূর্ণ স্থান অক্ষুণ্ন রেখে আসছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত প্রথম স্থানে ছিল।

এর আগেও কখনো প্রথম, কখনো দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনের বহু গৌরবময় অধ্যায়ের অংশ বাংলাদশের শান্তিরক্ষীরা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ১৯৮৮ সালে ইরাক-ইরানে সামরিক পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অংশ নেওয়া শুরু। এরপর ৩৮ বছরে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের এক গর্বিত অংশীদারে পরিণত হয়েছে।

জানা যায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী এই মিশনে দায়িত্ব পালন করছে ১৯৯৩ সাল থেকে।

বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যরা এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন ১৯৮৯ সাল থেকে। ওই বছর নামিবিয়া মিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ জাতিসংঘ পরিবারের সদস্য হয়। সেই থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের এক হাজার ৯২৮ জন নারী সদস্যসহ মোট ২১ হাজার ৮২৮ জন সদস্য ২৫টি দেশের ২৭টি শান্তি রক্ষা মিশনের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের ৪৩টি দেশ ও স্থানে ৬৩টি জাতিসংঘ মিশন সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। এসব মিশনে মোট দুই লাখ ছয় হাজার ৪৭৬ জন শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে নারী শান্তিরক্ষী তিন হাজার ৬৪৫ জন। সেনাবাহিনী থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন এক লাখ ৬২ হাজার ৩৫ জন। বর্তমানে জাতিসংঘের ৯টি শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের চার হাজার ৪১২ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত আছেন।

শুরু থেকে এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর ১৩৮ জন, নৌবাহিনীর চারজন, বিমানবাহিনীর ৯ জন এবং পুলিশের ২৪ জন। আহত হয়েছেন মোট ২৮৭ জন।

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১০টার দিকে তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীদের এগিয়ে নিতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধা। শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা অনন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এসময় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আজ একটি প্রতিষ্ঠিত বিশ্বস্ত নাম। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ৪ হাজারের বেশি বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন। তারা দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

সেনাপ্রধান জানান, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর ১৭৫ জন সদস্য শহীদ হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ২৮৭ জন।

 

ট্রেনের চাকা লাইনচ্যুত, ময়মনসিংহ-জামালপুর রেল চলাচল বন্ধ

0
রেল জংশনে লাইনচ্যুত

বুধবার (১০ জুন) সকাল সোয়া ৯টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর তিনকোনা পুকুরপাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটনা।

ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকতার হোসেন ট্রেনের পাওয়ার কার লাইনচ্যুত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস নগরীর তিনকোনা পুকুরপাড় আসতেই বিকট শব্দে ট্রেনের পাওয়ার কারের চাকা লাইনচ্যুত হয়। এতে ময়মনসিংহ জামালপুর ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, ট্রেনটির পাওয়ার পর্যন্ত রেখে সামনের অংশ স্টেশনে আনা হয়েছে। উদ্ধারকারি ট্রেন ঘটনাস্থলে গিয়ে পাওয়ার কার উদ্ধারে কাজ করছে। উদ্ধারে কিছুটা সময় লাগবে। পাওয়ার কার উদ্ধার হলেই ওই লাইনে ট্রেন চলাচল সচল হবে।

 

বড় জয় দিয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারল আর্জেন্টিনা

0

বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র একদিন আগে নিজেদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বুধবার (১০ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের জন হেয়ার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে আইসল্যান্ডকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে আলবিসেলেস্তেরা।

ম্যাচের শুরুতে কিছুটা সতর্ক অবস্থানে ছিল আর্জেন্টিনা। নিকো পাজের একটি আক্রমণ ব্যর্থ হওয়ার পর দ্রুত পাল্টা আক্রমণে উঠে যায় আইসল্যান্ড। এলার্টসন গোলের সামনে দারুণ সুযোগ পেলেও তার শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে প্রাথমিক বিপদ কাটিয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা।

এরপর দ্রুত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় আর্জেন্টাইনরা। বলের দখল ধরে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে তারা। প্রথমার্ধে আক্রমণভাগে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন নিকো পাজ। তার সৃজনশীল পাসিং ও গতিশীলতায় বারবার চাপে পড়ে আইসল্যান্ডের রক্ষণভাগ।

প্রথমার্ধে একটি গোল করে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। বিরতির পর মাঠে নেমেই দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লিওনেল মেসি। পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

৭২তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে আর্জেন্টিনার জয় আরও নিশ্চিত করেন মেসি। এরপর ৮৬তম মিনিটে     থিয়াগো আলমান্দা গোল করলে ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার।

মাঝে মধ্যে আইসল্যান্ডও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছে। লম্বা বল ও থ্রো-ইনের মাধ্যমে চাপ তৈরির চেষ্টা করলেও আর্জেন্টিনার সুসংগঠিত রক্ষণভাগ তাদের কোনো সুযোগ দেয়নি। ফলে গোলরক্ষক জেরোনিমো রুলিকে খুব বেশি কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি।

পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল, আক্রমণের তীব্রতা এবং ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে এই জয় দলটির আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের এই জয় দিয়ে নিজেদের প্রস্তুতির শক্ত বার্তা দিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।