সোমবার, মে ৪, ২০২৬
সোমবার, মে ৪, ২০২৬
24 C
Dhaka

৩০ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারি‌কে আটক করলো র‍্যাব

0

বুধবার (০‎১ এপ্রিল ) বি‌কেল প্রায় ৫টার দিকে ‎ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয় এই মাদক কারবা‌রি‌কে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাহীনুর কবির।

‎আটক জুয়েল মিয়া হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আবদার সালেহার বটতলা এলাকার ওমর আলী ওরফে কাজল মিয়ার ছেলে।

‎র‍্যাব জানায়, বুধবার বিকাল ৩টার দিকে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইলগামী মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহজনক বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশীকালে একটি সিলভার রংয়ের নোহা গাড়ি সিগনাল অমান্য করে আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকার দিকে দ্রুতবেগে পালানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে র‍্যাব সদস্যরা উক্ত গাড়ীর পিছু নিয়ে বিকাল ৫টার দিকে গাড়িটি থামাতে সমর্থ হয়। এসময় উপস্থিত লোকজনের সামনে ওই গাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে ১২টি পুটলায় রক্ষিত ৩০ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার অবৈধ বাজার মূল্য দশ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।

‎র‍্যাব-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাহীনুর কবির জানান, আটক ব্যক্তি একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ হবিগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা পাইকারী স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলাসহ ঢাকা শহরের বিভিন্নস্থানে পাইকারী ও খুচরাভাবে ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো। ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। ভবিষ্যতে এরূপ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান র‍্যাবের এই কর্মকর্তা।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

0

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোসা. তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক নোটিশে এই কঠোর অনুরোধ জানানো হয়।

নোটিশে  উল্লেখ করা হয়, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ অফিস কক্ষে আবিশ্যিকভাবে অবস্থান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়সহ দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। প্রদত্ত নির্দেশনাসমূহ প্রতিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর ব্যত্যয় পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নোটিশে আরও জোর দিয়ে উল্লেখ করা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত মার্চ মাসের ২ এবং গত ৫ তারিখের স্মারকের নির্দেশনা প্রতিপালনসহ নিম্নবর্ণিত নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

নোটিশে জারি করা অন্যান্য জরুরি নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে- প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে নিজ নিজ অফিস কক্ষে অবস্থান করতে হবে। দিনের কোনো দাপ্তরিক কর্মসূচি বা মিটিং প্রণয়নের ক্ষেত্রেও উক্ত নির্দিষ্ট সময়সীমা যাতে কোনোভাবেই বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। এর পাশাপাশি সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহারে অত্যন্ত সাশ্রয়ী হতে হবে এবং ঘরের জানালা ও দরজা কিংবা ব্লাইন্ড খোলা রেখে বাইরের প্রাকৃতিক আলো সরাসরি ব্যবহার করতে হবে। অফিস চলাকালীন সময়ে শুধুমাত্র যতটুকু প্রয়োজন ঠিক তত সংখ্যক লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সচল রাখা যাবে। এয়ার কন্ডিশনার বা এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ঘরের তাপমাত্রা সবসময় ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার ওপরে নির্ধারণ করে রাখতে হবে।

কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের কেউ নিজের অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের সব বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ যাবতীয় বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম নিজ দায়িত্বে সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। এর বাইরে অফিসের করিডোর, সিঁড়ি, ওয়াশরুম ইত্যাদি স্থানগুলোতে কোনো প্রকার অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার একবারে বন্ধ করতে হবে। অফিস সময় শেষ হওয়ার পর সব ধরণের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন— লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ রাখা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া সরকারের বিশেষ নির্দেশনা ব্যতিরেকে সব ধরণের চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা পরিহার করতে বলা হয়েছে এবং জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী হতে বলা হয়েছে। নিয়মিতভাবে অফিস কক্ষ, করিডোর, টয়লেট, সিঁড়ি ও সিঁড়ির হাতল ইত্যাদি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।  উল্লিখিত এসব গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ঠিকমতো প্রতিপালন ও সার্বিক মনিটরিংয়ের জন্য সরকারের সব দপ্তর, সংস্থা ও কার্যালায়কে অবিলম্বে একটি করে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করতে হবে।

হবিগঞ্জে ট্রেন দুর্ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

0

হবিগঞ্জে তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে ৩ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে হবিগঞ্জের মাধবপুরের মনতলায় চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী তেলবাহী ট্রেনের ছয়টি কন্টেইনার লাইনচ্যুত হয়। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সিলেটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।

এ ঘটনায় নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. মনির মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সিলেটগামী তেলবাহী ট্রেনটি হঠাৎ লাইনচ্যুত হয়ে রেললাইন থেকে ছিটকে পড়ে। দুর্ঘটনার পর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে উদ্ধার কার্যক্রম চালানোর প্রস্তুতি নিলেও তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এবং কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আইএলওর সহযোগিতার আশ্বাস

0

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক জিলবার্ট হোংবো সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সংহতি রেখে বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আইএলওর পক্ষ থেকে সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

আইএলওর ৩৫৬তম গভর্নিং বডিতে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে জেনেভা সফররত শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সংস্থাটির মহাপরিচালক এ আশ্বাস দেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকের শুরুতেই আইএলও মহাপরিচালক জিলবার্ট হোংবো একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানান। বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে এ গণতান্ত্রিক উত্তরণ গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নতুন সরকারের সঙ্গে আইএলও কাজ করতে আগ্রহী বলে জানান তিনি। শ্রমমন্ত্রী মহাপরিচালককে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।

শ্রমমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক তরুণ ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সরকারের জন্য গুরত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলোর একটি। এক্ষেত্রে আইএলওর সহযোগিতা বিশেষত আইএলও ঢাকা অফিস আরো বেশি উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আইএলও মহাপরিচালক শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে ঐকমত্য পোষণ করেন এবং এক্ষেত্রে সরকারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান আর্টিকেল ২৬ মামলা নিষ্পত্তির বিষয়ে মহাপরিচালকের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন শ্রমমন্ত্রী।

এ প্রসঙ্গে মহাপরিচালক বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কূটনৈতিক তৎপরতার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, মিশন আইএলওর বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ, সংস্থাটির গভর্নিং বডিতে সভাপতিত্ব, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় সমন্বয়ক এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে, যার ফলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চলমান মামলায় বিপুল সমর্থন পেয়েছে।

এক্ষেত্রে দেশে শ্রমক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ সুদৃঢ় করা গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশের শ্রমজীবী মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুযায়ী অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড, বহুজাতিক কোম্পানি ও বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত করার ক্ষেত্রে মহাপরিচালকের সহযোগিতা কামনা করেন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা যেমন- স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা, দুর্ঘটনা বিমা ইত্যাদি কার্যক্রমে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর অবদান রাখার ক্ষেত্রে মহাপরিচালক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর শ্রম, কর্মসংস্থান ও শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিশ্রুত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও শ্রম অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট রয়েছে। জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও শ্রম অধিকার সমুন্নতকরণে কাজ করে যাচ্ছি।

শ্রমমন্ত্রী আগামী জুনে মহাপরিচালকের বাংলাদেশ সফরের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। বৈঠকে জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত নাহিদা সোবহান এবং শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবদুস সামাদ আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সঙ্গে একধাপ পেছাল বাংলাদেশ

0

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের নিয়মরক্ষার ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। আর এই জন্য ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ অবনমন হয়েছে হামজা চৌধুরীদের। ফিফার হালনাগাদ করা তালিকায় বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান এখন ১৮১তম।

বাংলাদেশ ছাড়াও র‍্যাঙ্কিংয়ের এই বড় রদবদলে ধাক্কা খেয়েছে লাতিন ফুটবলের দুই পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলও। লিওনেল মেসিদের অবস্থান দুই থেকে তিনে নেমে গেছে। লাতিন আমেরিকান আরেক পরাশক্তি ব্রাজিলও সুবিধা করতে পারেনি। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রদের দল পাঁচ থেকে নেমে এখন ছয় নম্বরে অবস্থান করছে।

তবে র‍্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে দিদিয়ের দেশমের ফ্রান্স। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলেদের দুর্দান্ত ফর্মের ওপর ভর করে দুই ধাপ এগিয়ে তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে ফরাসিরা। সাম্প্রতিক ফিফা প্রীতি ম্যাচে ব্রাজিল ও কলম্বিয়াকে হারানোর সুবাদেই স্পেনকে সরিয়ে এক নম্বর আসন দখল করেছে তারা। অন্যদিকে শীর্ষস্থান হারিয়ে এক ধাপ নিচে অর্থাৎ দুই নম্বরে নেমে গেছে স্পেন।

এদিকে শীর্ষ পাঁচের চতুর্থ স্থানটি ধরে রেখেছে ইংল্যান্ড। তবে এক ধাপ এগিয়ে সেরা পাঁচে জায়গা করে নিয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। ছয় নম্বরে থাকা ব্রাজিলের পরের চারটি স্থানে আছে যথাক্রমে নেদারল্যান্ডস, মরক্কো, বেলজিয়াম ও জার্মানি।

রেলে জ্বালানি সরবরাহ কমেছে, মজুদ তেল দিয়ে ট্রেন চলবে ১৫-২০ দিন

0
ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু

দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে ট্রেন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেল সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। স্বাভাবিক সময়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের লোকোশেডগুলোয় প্রায় এক মাসের জ্বালানি তেল মজুদ থাকে। তবে বর্তমানে রেলের কাছে যে পরিমাণ মজুদ আছে তা দিয়ে ১৫-২০ দিনের মতো ট্রেন চালানো সম্ভব হবে।

মজুদ কমে আসায় সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন রেলের কর্মকর্তারা। তবে তারা বলছেন, মজুদ কিছুটা কম থাকলেও ট্রেন পরিচালনায় আপাতত কোনো জ্বালানি তেলের সংকট নেই।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালন কার্যক্রম পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে বিভক্ত। যাত্রী ও পণ্যবাহী মিলে এ অঞ্চলে নিয়মিত ১২৬টি ট্রেন পরিচালনা করা হয়।

পূর্বাচল রেলের তথ্য বলছে, ট্রেনগুলো পরিচালনার জন্য পূর্বাঞ্চলে প্রতি মাসে ২৫ লাখ লিটার হাইস্পিড ডিজেল প্রয়োজন হয়। এ হিসেবে প্রতিদিন জ্বালানি লাগে ৮৩ হাজার লিটার। ট্রেন পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রয়োজনে পূর্বাঞ্চল রেলের নিয়মিত প্রায় এক মাসের জ্বালানি মজুদ থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে পূর্বাঞ্চলের জ্বালানির মজুদ কমে অর্ধেকে নেমে এসেছে। ১৫-১৬ দিনের বা প্রায় সাড়ে ১২ লাখ লিটার ডিজেল মজুদ আছে। তবে কিছুটা অনিয়মিত হলেও বিপিসির কাছ থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন পূর্বাঞ্চল রেলের কর্মকর্তারা।

ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে গত মঙ্গলবার পূর্বাঞ্চলের যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগ থেকে জ্বালানি সরবরাহকারী তিন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়।

বর্তমানে জ্বালানি তেল সরবরাহ ও মজুদ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সুবক্তগীন গণমাধ্যমকে বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে মানুষের মধ্যে কিছুটা অস্থিরতা দেখা দিলেও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রধান গণপরিবহন হিসেবে রেলের মধ্যে সংকট নেই। নিয়মিত জ্বালানি পাওয়া গেলেও মজুদ কিছুটা কমে গেছে। এর পরও যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে দেশের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসাবে আমরা বিপিসির তিন বিতরণ কোম্পানির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। এখনও ১৫-১৬ দিনের ডিজেল মজুদ রয়েছে। আশা করি, রেলের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানির কোনো সংকট হবে না।

তিনি আরও বলেন, অন্যদিকে রেলের পশ্চিমাঞ্চলে প্রতিদিন চলে ১৭১টি যাত্রীবাহী ট্রেন। ট্রেনগুলো পরিচালনার জন্য প্রতিদিন ডিজেল প্রয়োজন প্রায় ৯০ হাজার লিটার। এ অঞ্চলের পাঁচটি লোকোশেডে বর্তমানে তেলের মজুদ আছে প্রায় সাড়ে ১৯ লাখ লিটার, যা দিয়ে ২০ দিনের মতো ট্রেন পরিচালনা করা যাবে। পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচটি শেডের মধ্যে ঈশ্বরদী লোকোশেডের মোট জ্বালানি ধারণক্ষমতা এবং মজুদ সবচেয়ে বেশি। সেখানে ১২ লাখ লিটার ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে সাড়ে ৬ লাখ লিটার তেল মজুদ আছে, যা দিয়ে আগামী ২৪ দিন কাজ চালানো সম্ভব। পার্বতীপুর লোকোশেডে বর্তমানে আট লাখ লিটারের মতো তেল মজুদ আছে, যা দিয়ে ২৫ দিন ট্রেন পরিচালনা করা যাবে। খুলনা লোকোশেডে চার লাখ লিটারের বেশি তেল মজুদ আছে, যা দিয়ে ট্রেন চলবে প্রায় ২০ দিন। অন্যদিকে রাজশাহী ও লালমনিরহাট লোকোশেডে যথাক্রমে ২৪ হাজার লিটার এবং লালমনিরহাটে প্রায় ৩১ হাজার লিটার তেল মজুদ রয়েছে। উভয় শেডেই এ মজুদ দিয়ে সাতদিন কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে।

রেলের দুই অঞ্চল মিলিয়ে বছরে ৫০ হাজার টনের মতো জ্বালানি লাগে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। সর্বশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেলের জ্বালানি ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া গেছে। ওই অর্থবছর রেল ইঞ্জিন পরিচালনায় ডিজেল ব্যবহারের পরিমাণ ছিল ৪৫ হাজার ২০৭ টন। এর মধ্যে ২০ হাজার ৫৯৯ টন ডিজেল রেলের পূর্বাঞ্চলে আর ২৪ হাজার ৬০৮ টন ডিজেল ব্যবহার করে রেলের পশ্চিমাঞ্চল।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে জ্বালানির প্রাপ্যতা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা এবং সংকট তৈরি হয়েছে। এ সংকট তেল মজুদে কিছু প্রভাব ফেললেও তা ট্রেন পরিচালনার জন্য কোনো বিঘ্ন ঘটাবে না বলে মনে করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন। এ প্রসঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমানে আমাদের কাছে গড়ে ১৫-২০ দিনের ডিজেল মজুদ রয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় এ মজুদের পরিমাণ ২০-২৫ দিনের মতো থাকলেও বর্তমানে সরবরাহ কিছুটা কমায় তা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তবে ঈদের পর থেকে সরবরাহ পরিস্থিতি আবারও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের যে মজুদ ব্যবস্থা রয়েছে, তাতে অন্তত ১৫ দিনের রিজার্ভ নিশ্চিত আছে। ফলে ট্রেন পরিচালনায় আপাতত কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই।

আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা 

0

বাংলাদেশ ও আমিরাতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যে এ বার্তা পাঠানো হয় বলে জানা গেছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) আবুধাবিতে এক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই চিঠিটি পৌঁছে দেন।।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এমিরেটস নিউজ এজেন্সির খবরে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বার্তার মূল বিষয় হিসেবে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যগুলো উঠে এসেছে।

অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির আরব আমিরাতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের পূর্ণ সংহতি এবং অবিচল সমর্থনের কথা আবারও নিশ্চিত করেন।

বাংলাদেশের এমন বন্ধুত্বপূর্ণ অবস্থানের কারণে আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, বাংলাদেশ তাদের একটি ঘনিষ্ঠ বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা ও টেকসই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে তারা গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

গুরুত্বপূর্ণ এই কূটনৈতিক বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাঈদ আল হাজেরি, জ্বালানি ও অবকাঠামো মন্ত্রী সুহাইল বিন মোহাম্মদ আল মাজরুই এবং আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদসহ উভয় দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ইরান যুদ্ধ নিয়ে যা বললেন ট্রাম্প

0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে হোয়াইট হাউস থেকে ইরান যুদ্ধের পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণে এই দাবি করেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, গত চার সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধে ইরানের ওপর ‘দ্রুত, নির্ণায়ক ও ব্যাপক’ আঘাত হানা হয়েছে। এই অভিযানে এমন ধরনের বিজয় অর্জিত হয়েছে, যা খুব কম মানুষ আগে কখনও দেখেছে।

তিনি বলেন, আজ রাতে ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশটির বিমান বাহিনীও ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং অধিকাংশ নেতাই এখন মৃত। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর-এর কমান্ড ও কন্ট্রোল ব্যবস্থা এই মুহূর্তে ধূলিসাৎ করা হচ্ছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন উৎক্ষেপণের ক্ষমতাও এখন আর তত শক্তিশালী নেই। ইরানের অস্ত্র কারখানা ও রকেট লঞ্চারগুলো টুকরো টুকরো করে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, মার্কিন অভিযানের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানের নৌবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করা এবং ওদের পরমাণু বোমা তৈরির ক্ষমতা নষ্ট করে দেওয়া। এই যুদ্ধ আমেরিকার শিশু ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি প্রকৃত বিনিয়োগ।

যুদ্ধ আর দুই তিন সপ্তাহ চলবে জানিয়ে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে, এই সময়টাতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা আরও জোরদার করবে এবং তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, ইরানকে ‘প্রস্তর যুগে ফিরিয়ে দেয়া’ হতে পারে।

এদিন ভাষণের সময় গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী নিয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তার মতে, হরমুজ প্রণালীর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরতা কম। যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রণালী দরকার নেই। অন্যান্য দেশের দরকার।

তিনি বলেন, বিশ্বের অন্য দেশগুলো জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ও দাম বৃদ্ধির চাপ বেশি বহন করছে। যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রায় কোনো তেল আমদানি করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। আমাদের এর প্রয়োজন নেই।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়, যার বেশিরভাগই এশিয়ায় যায়। এই অঞ্চলটি উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাস আমদানির ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল।

ট্রাম্প বলেন, ‘যেসব দেশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পায়, তাদেরই এই পথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা উচিত… আমরা সহায়তা করব, কিন্তু যেসব দেশ এই তেলের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল, তাদেরই নেতৃত্ব দিতে হবে।’ একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, ঘাটতির মুখে পড়া দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কিনতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, যুদ্ধ শেষ হলেই প্রণালীটি আবার খুলে যাবে এবং ‘জ্বালানির দাম দ্রুত কমে আসবে’—যা নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা দ্বিমত পোষণ করেছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ বিঘ্নের কারণে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হলেও বৈশ্বিক তেলের দাম কিছু সময় উচ্চ অবস্থায় থাকতে পারে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল ও সিএনএন

দেশে এবার এলো ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স 

0
ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স 
ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স 

বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে স্বাধীনতার পর এটিই দেশের ইতিহাসে একক কোনো মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য বলছে, মার্চের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার ডলার। আগের ফেব্রুয়ারি মাসের চেয়ে প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি এসেছে এবার। আর গত বছরের একই সময়ের চেয়ে (মার্চ ২০২৫) এই রেমিট্যান্স ৪৬ কোটি ডলার বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ইতিহাসে এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত বছরের মার্চ মাসে। সে সময় প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার (৩.২৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত ডিসেম্বরে। ওই মাসে দেশে আসে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার (প্রায় ৩.২৩ বিলিয়ন) রেমিট্যান্স। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে গত জানুয়ারিতে, যার পরিমাণ ছিল ৩১৭ কোটি বা ৩.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

 

বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ

0
জ্বালানি তেল জব্দ
জ্বালানি তেল জব্দ

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত পরিচালিত এই যৌথ অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে বাধা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে নৌবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

অভিযান চলাকালে দুই প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে খান ফ্লাওয়ার মিল থেকে ৩ হাজার ৯৭৪ লিটার এবং তৃষ্ণা বেকারির কারখানা থেকে ২ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া খান ফ্লাওয়ার আটার মিলে যে কক্ষে অবৈধভাবে তেল মজুত রাখা হয়েছিল, সেটি সিলগালা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইয়েদ মাহামুদ বুলবুল জানান, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে নৌবাহিনী, পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন বিসিক শিল্পনগর এলাকার খান ফ্লাওয়ার আটার গোডাউন ও তৃষ্ণা বেকারির কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সেখান থেকে ৫ হাজার ৯৭৪ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়।

এ সময় লাইসেন্স ছাড়া তেল মজুতের দায়ে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬–এর ৫৬(৩) ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে খান ফ্লাওয়ার মিলকে ১ লাখ টাকা এবং তৃষ্ণা বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জরিমানা অনাদায়ে খান ফ্লাওয়ার মিলের মালিক মো. জামাল উদ্দিন খানকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং তৃষ্ণা বেকারির মালিক মো. জুয়েলকে ৭ দিনের কারা দণ্ডাদেশ দেয়া হয়। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল স্থানীয় পাম্পের সরকারি মূল্যে বিক্রি করে ওই টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

এদিকে, জরিমানা ও তেল জব্দকে কেন্দ্র করে খান ফ্লাওয়ার মিলের মালিক ও শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর চড়াও হয়। তারা সড়কে প্রশাসনের গাড়ির সামনে ইট ও বালুর বস্তা ফেলে পথ অবরোধ করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলে। পরে খবর পেয়ে নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রসঙ্গত, সারাদেশে জ্বালানি তেলের সংকট থাকার কারণে ভোলা জেলার পেট্রোল পাম্পগুলো প্রতি সপ্তাহে চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার লিটারের বেশি তেল পায় না। সেখানে দুইজন মজুমদার ৫৯৭৪ লিটার তেল অবৈধভাবে মজুত করে রেখেছে। যা একটি পেট্রোল পাম্পের প্রাপ্তির চেয়েও বেশি।