মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
26.5 C
Dhaka

হোটেলের বিছানায় কেন তোয়ালে দিয়ে রাজহাঁস তৈরি করা হয়

0

হোটেলের ঘরে ঢুকেই বিছানায় এক জোড়া সুন্দর করে মোড়ানো তোয়ালের রাজহাঁস দেখলে কার না মন ভালো হয়। কাগজের জাপানি শিল্প ‘অরিগামি’র অনুপ্রেরণায় তৈরি এই বিশেষ কারুকার্যকে বলা হয় ‘টাওয়েল অরিগামি’।প্রথম দর্শনেই অতিথিদের চমকে দেওয়া এবং স্বাগত জানানোর এক অদ্ভুত কৌশল এটি।

এই সুন্দর ঐতিহ্যের নেপথ্যে রয়েছে এক গভীর মনস্তত্ত্ব। তোয়ালের এই রাজহাঁস নিমেষের মধ্যে ঘরের পরিবেশকে রাজকীয় ও আকর্ষণীয় করে তোলে।

অতিথিও বোঝেন, তার আরামের জন্য হোটেল কর্তৃপক্ষ বাড়তি যত্ন নিয়েছে। তাছাড়া, রাজহাঁস হলো ভালোবাসা ও বিশ্বস্ততার প্রতীক। দুটি হাঁস যখন মুখোমুখি গলা মিলিয়ে বসে একটি নিখুঁত ‘হার্ট’-এর আকার নেয়, তখন ঘরের রোমান্টিক আবহ বহুগুণ বেড়ে যায়।

সেই কারণেই মূলত হানিমুন বা কাপল ট্রিপে এই দৃশ্য বেশি চোখে পড়ে।

জানা যায়, কার্নিভাল ক্রুজ লাইনের এক ক্রু মেম্বার প্রথম তোয়ালে দিয়ে এমন বিভিন্ন প্রাণীর অবয়ব তৈরি শুরু করেছিলেন।

পরে এই ভাবনা বিশ্বজুড়ে এতটাই জনপ্রিয় হয় যে, বিলাসবহুল হোটেলগুলি একে নিজেদের সিগনেচার স্টাইল বানিয়ে ফেলে। বর্তমানে এটি হাউসকিপিং কর্মীদের দক্ষতার অন্যতম বড় মাপকাঠি।

যান্ত্রিকতার বাইরে গিয়ে মানুষের হাতে তৈরী ছোঁয়া অতিথির মনে গভীর প্রভাব ফেলে, যা হোটেলের প্রতি তাদের বিশ্বস্ততা বাড়ায়। আজকের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের যুগে এটি হোটেলের জন্য চমৎকার এক ‘ফ্রি মার্কেটিং টুল’। ঘরে ঢুকেই ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন অতিথিরা, ফলে বিনা খরচেই দুর্দান্ত ব্র্যান্ডিং হয়ে যায় হোটেলের।

অনেকেই ভাবেন এই হাঁস তৈরিতে হয়তো আঠা বা তার ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে হাউসকিপিং কর্মীদের দক্ষতায়। নিখুঁতভাবে ইস্ত্রি করা একদম তাজা ও নরম তোয়ালেকে বিশেষ টেকনিকে ভাঁজ করেই এই রূপ দেওয়া হয়। এর জন্য কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণও নিতে হয়।

পরের বার হোটেলে গিয়ে বিছানায় এমন রাজহাঁস দেখলে বুঝবেন, ওটা কেবলই তোয়ালে নয়। ওটি আসলে হোটেল ইন্ডাস্ট্রির আতিথেয়তার নিজস্ব ভাষা, যার উদ্দেশ্য আপনার সফরটিকে আজীবন স্মরণীয় করে রাখা।

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

0
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু 

বুধবার (১৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯৬৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৮ হাজার ৮৯৫ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে শনাক্ত হয়েছে ১১১ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৬৩৪ জন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৩ হাজার ২৭৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৮৮ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫৬৮ শিশুর। গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে ১৭ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হামের টিকায় গাফিলতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী

0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে হামে আক্রান্ত হয়ে দেশজুড়ে পাঁচ শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করে এর দায় এবং সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল।

তার এই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের কারণ, বিস্তার এবং টিকাদান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন নীতিগত ও পরিচালনাগত বিষয়ের প্রভাব নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে পর্যালোচনা করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় কারও অবহেলা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ করেই সম্পাদিত হয়ে থাকে। সরকার হামের প্রাদুর্ভাব রোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা ও মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে।

তারেক রহমান বলেন, রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালী করা হয়েছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় সুদৃঢ় করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম সারাদেশে চলমান রয়েছে।

দেশের কারাগারগুলোয় ধারণক্ষমতার চেয়ে ১.৭ গুণ বেশি বন্দি আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাতের উত্থাপিত এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ৭ জুন পর্যন্ত পাওয়া হিসাব অনুযায়ী, দেশের ৭৫টি কারাগারে সর্বমোট অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৩৬ জনের। এর মধ্যে পুরুষ ৪৩ হাজার ১০৭ জন এবং মহিলা ২ হাজার ২৯ জন। তবে এই সীমিত ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে দেশের কারাগারগুলোয় সর্বমোট ৭৭ হাজার৪০ জন বন্দি আটক রয়েছেন, যার মধ্যে পুরুষ ৭৪ হাজার ৩৬ জন এবং মহিলা ২ হাজার ৭৭ জন। এটি মূল ধারণক্ষমতার চেয়ে ১ দশমিক ৭ গুণ বেশি।

ধারণক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত বন্দি আটক থাকায় দেশের কিছু কিছু কারাগারে বন্দিদের আবাসন সমস্যা বিরাজ করছে বলে স্বীকার করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে এই আবাসন সংকট দূর করতে সরকার ইতিমধ্যে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরাণীগঞ্জ), সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, ফেনী জেলা কারাগার-২ এবং খুলনা জেলা কারাগার-২ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে। এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-২, মাদারীপুর জেলা কারাগার-২ ও পিরোজপুর জেলা কারাগার-২ খুব শিগগিরই চালু করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে আরও জানান, বর্তমানে ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও জামালপুর কারাগার পুনঃনির্মাণ এবং নরসিংদীতে সম্পূর্ণ নতুন জেলা কারাগার নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এই চারটি কারাগারের নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হলে বন্দি ধারণক্ষমতা আরও ২ হাজার ৯৫৫ জন বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দেশের কারাগারগুলোর মোট বন্দি ধারণক্ষমতা ৪৮ হাজার ১৩১ জনে উন্নীত হবে।

জনগণের টাকা পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বুধবার (১৭ জুন) শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্য চা বাগানের সব নারী শ্রমিকের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে নারী পুরুষ একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নারীদের স্বাবলম্বী করতে না পারলে তাদের এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করাই সরকারের লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গলে ১৫০ চা শ্রমিক সন্তানদের স্কলারশিপ দেয়া হয়েছে। আগামী ১ বছরে ৪০ লাখ কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। বিএনপি দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে চায়। আগামী ৫ বছরে উপজেলার ৫০ বেডের হাসপাতাল ১০০ বেডে উন্নীত করা হবে।

তিনি বলেন, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের যে জন্য বাজেট দেওয়া হয়েছে, একটি দল বলে এটা নাকি জনবিরোধী বাজেট। জনবান্ধন বাজেটকে যারা গনবিরোধী বাজেট বলে তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না। যারা জনগণকে বিভ্রান্তি করে তাদের বিরুদ্ধে সচেতন এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, মানুষ যতবারই ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে ততবারই বিএনপিকে বিজয়ী করেছে। দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে হলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে গণতন্ত্রকে কেউ নষ্ট করতে পারবে না। বিএনপির সব শক্তিই জনগণ। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগলে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।

ফটিকছড়ির যুবককে পাশ্ববর্তী রাউজানে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

0

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে রাউজান উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের একটি বাড়ির উঠান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রাশেদ ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাওলানা লাল মিয়া বাড়ির প্রয়াত বদরুদ্দোজার ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।

নিহতের চাচা আবদুল মাবুদ জানান, রাশেদ তার খালাতো বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ বছর আগে স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি মাঝে-মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ করতেন।
তিনি বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে গভীর রাতে বাড়িতে পৌঁছালে তার খালাতো বোন দরজা খুলে দেননি। বিষয়টি তিনি আমাদেরও জানিয়েছিলেন। পরে সকালে জানতে পারি রাশেদের মরদেহ পাওয়া গেছে। রাতে তিনি বাইরে অবস্থান করছিলেন। তাই আমাদের ধারণা, ডাকাত সন্দেহে স্থানীয় কেউ তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

ফটিকছড়ি উপজেলার বাসিন্দা মোরশেদ আলম বলেন, স্ত্রী মারা যাওয়ার পর রাশেদ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। মাঝে-মধ্যে উল্টাপাল্টা কথা বলতেন। তিনি কখনো রংমিস্ত্রির হেলপার, আবার কখনো রাজমিস্ত্রির হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। তাকে রাউজানে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এদিকে উরকিরচর ইউনিয়নের স্থানীয় সমাজসেবক ও বীমাকর্মী আবুল কাশেম হিরু জানান, সকালে মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ বিষয়ে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “ফটিকছড়ির ওই ব্যক্তি রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উরকিরচরে তার খালাতো বোনের শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন। ওই বাড়িতে তার খালাতো বোন ও তার জা ছিলেন। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তারা দরজা খুলে দেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন।

শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, ঘরের সামনে সিঁড়ি ছিল। সেখানে পড়ে যাওয়ার কারণে মুখে আঘাত লাগে এবং রক্ত বের হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ ও নিহতের পরিবার।

দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ও রুপা

0

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা (পিওর গোল্ড) ও রুপার (পিওর সিলভার) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মূল্যবান এই দুই ধাতুর নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দরে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৯৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট সোনা ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫৭ টাকায়।

এর আগে, গত ১৩ জুন সোনার দাম বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম আরও ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সোনার পাশাপাশি বেড়েছে রুপার দামও। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। সর্বশেষ সমন্বয়ে প্রতি ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৭৫ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ বার দাম বেড়েছে এবং ৩৬ বার কমেছে। অন্যদিকে, রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ৪৬ বার; এর মধ্যে ২৪ বার বেড়েছে এবং ২২ বার কমেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে কাঁচামালের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রভাবেই দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।

লেবাননে নতুন হামলা, ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

0
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, আরও দুই বাংলাদেশি নিহত

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, মঙ্গলবার (১৬ জুন) লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ এলাকায় দুটি গাড়িকে লক্ষ্য করে পৃথক হামলা চালানো হয়। একই সময়ে শৌকিন গ্রামেও আরেকটি গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। এসব হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।

ইরান দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় লেবাননসহ সব এলাকায় সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব অব্যাহত থাকলে তা চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি বলেন, দখল করা এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার না হলে যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ হয়েছে বলা যাবে না।

এদিকে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডও সতর্ক করে জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকলে ইসরায়েলকে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সেনা অবস্থান বজায় থাকবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, যুদ্ধবিরতির আলোচনা চললেও তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন না। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, পরিস্থিতি আবারও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২ মার্চ থেকে নতুন করে সংঘর্ষ শুরুর পর দেশটিতে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৮২৬ জন নিহত এবং ১১ হাজার ৮৫১ জন আহত হয়েছেন।

মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে হারিয়ে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার শুভ সূচনা

0

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। এর ফলও পেয়ে যায় দ্রুত। ১৭তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে গোল করেন মেসি। আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও বলের নাগাল পাননি। সেই গোলেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় আর্জেন্টিনা।

প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন মেসি। বক্সের ভেতরে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

এরপর ৭৬তম মিনিটে আসে ম্যাচের সেরা মুহূর্ত। বক্সের বাইরে থেকে চিরচেনা বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান মেসি। তাতেই পূর্ণ হয় তার হ্যাটট্রিক। গ্যালারিজুড়ে শুরু হয় উচ্ছ্বাস, আর সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে মেতে ওঠেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।

এই হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো তিন গোল করার কীর্তি গড়েন মেসি। একই সঙ্গে পেশাদার ক্যারিয়ারে এটি তার ৬১তম হ্যাটট্রিক। ৩৮ বছর বয়সেও যে তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার, সেটি আবারও প্রমাণ করলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

মেসির অসাধারণ নৈপুণ্যে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। বয়সকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একের পর এক নতুন ইতিহাস রচনা করে চলেছেন ফুটবল বিশ্বের এই কিংবদন্তি।

মার্কিন দম্ভ চূর্ণ করে যুদ্ধ শেষে আরও শক্তিশালী ইরান

0

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে এই হঠকারী যুদ্ধ ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতিগত এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত। কারণ, এই যুদ্ধের ফলে শত্রুদের দমন করার ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে চিরাচরিত সক্ষমতা ও প্রভাব, তা চরমভাবে দুর্বল হয়েছে। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের অশান্ত রাজনীতির মধ্যেও এত দিন স্থিতিশীলতার দ্বীপ হিসেবে টিকে থাকা উপসাগরীয় তেল উৎপাদনকারী আরব রাজতন্ত্রগুলোর সঙ্গে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের কৌশলগত সম্পর্কে বড় ধরনের ফাটল ধরেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ফাটল ও বিশ্বাসহীনতা মেরামত করতে যুক্তরাষ্ট্রের এখন বছরের পর বছর সময় লেগে যেতে পারে।

বিশ্লেষকরা জানান, পর্দার আড়ালে এখন আরব নীতিনির্ধারকেরা ওয়াশিংটনের ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের বৈদেশিক সম্পর্কে বৈচিত্র্য আনার জোর আলোচনা শুরু করেছেন। একই সঙ্গে প্রতিবেশী ইরানের আঞ্চলিক শক্তির বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে তাদের সঙ্গে সহাবস্থানের নতুন কূটনৈতিক উপায় খুঁজছেন তারা। অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন এই যুদ্ধে তাদের অত্যন্ত মূল্যবান এবং সহজে প্রতিস্থাপন অযোগ্য বিপুল পরিমাণ উন্নত অস্ত্রের মজুত শেষ করছিল, তখন ওয়াশিংটনের চিরপ্রতিদ্বন্দী চীন অত্যন্ত নিবিড়ভাবে আমেরিকার এই সামরিক ও কৌশলগত সীমাবদ্ধতা পর্যবেক্ষণ করেছে।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় দুই দেশের কূটনীতিকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে যে ১৪ দফার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে, তা কোনো স্থায়ী সমাধান না হলেও সাময়িক বড় স্বস্তি দিচ্ছে। এর ফলে মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে তাদের অবরোধ তুলে নিতে বাধ্য হচ্ছে এবং দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতির লাইফলাইন খ্যাত হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হচ্ছে। বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। বিশেষ করে, এই পথ বন্ধ থাকায় সারের বৈশ্বিক সরবরাহ যেভাবে ব্যাহত হয়েছিল, তাতে আফ্রিকার সাহারা অঞ্চলের দরিদ্র দেশগুলো যে চরম খাদ্য সংকটের মুখে পড়েছিল, তা থেকে আপাতত বিশ্ব রক্ষা পাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়,  গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ মূলত তেহরানের প্রকৃত শক্তি অনুধাবনে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের যৌথ ভুল হিসেব-নিকেশেরই এক প্রকাশ্য উদাহরণ। যুদ্ধের একেবারে শুরুর দিকেই ইসরায়েলি নিখুঁত বিমান হামলায় ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার শীর্ষ উপদেষ্টারা নিহত হন। একই সময়ে দক্ষিণ ইরানের মিনাবে এক মার্কিন বিমান হামলায় একটি স্কুল ধ্বংস হয়ে ১২০ জনেরও বেশি কোমলমতি স্কুলছাত্রীসহ অন্তত ১৫০ বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। এই আকস্মিক ও বিধ্বংসী ধাক্কার পর ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঘোষণা করেছিলেন যে এই যুদ্ধ হবে সংক্ষিপ্ত এবং এর মাধ্যমে তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটবে।

তবে বহিরাগত শক্তি দিয়ে রেজিম চেঞ্জের এই মার্কিন চক্রান্ত তেহরানের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই চরম সংকট ও অস্তিত্বের লড়াইয়ে ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন তো ঘটেইনি, উল্টো তা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে আবির্ভূত হয়েছে। খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবা খামেনি এবং রেভল্যুশনারি গার্ডসের (আইআরজিসি) এক অনমনীয় তরুণ প্রজন্ম দ্রুততার সঙ্গে দেশের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয়। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দাবিকে মিথ্যা প্রমাণ করে এই নতুন ও সাহসী নেতৃত্ব অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় এবং অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও খোদ ইসরায়েলের ওপর পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

এদিকে, যুদ্ধের পূর্ণ অংশীদার হওয়া সত্ত্বেও এই গুরুত্বপূর্ণ শান্তি আলোচনা ও চুক্তি প্রক্রিয়া থেকে ইসরায়েলকে সম্পূর্ণ বাইরে রাখা হয়েছে। নেতানিয়াহু তার রাজনৈতিক জীবনের পুরোটা সময় যে ইরানকে ধ্বংস করার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই যুদ্ধ ব্যর্থ হওয়ায় এখন তিনি নিজের দেশের অভ্যন্তরেই তীব্র রাজনৈতিক বিরোধিতার মুখে পড়েছেন। আগামী অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনের আগে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার দায়ে নিজের দেশে ও আন্তর্জাতিক মহলে কাঠগড়ায় তিনি। এর মধ্যে বড় সংকট তৈরি করেছে লেবানন, সিরিয়া ও গাজার বিস্তীর্ণ অঞ্চল অনির্দিষ্টকালের জন্য দখল করে রাখার ইসরায়েলি জেদ। ট্রাম্পের অসন্তোষ সত্ত্বেও লেবাননের দক্ষিণ অঞ্চলকে ইসরায়েলের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নেতানিয়াহুর ওপর তার মন্ত্রিসভার উগ্রপন্থীরা চাপ দিচ্ছে।

আঞ্চলিকভাবে আপাতত একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি অর্জিত হলেও দুই দেশের মতাদর্শগত ফারাক এবং চরম পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে এই সমঝোতাকে কোনো দীর্ঘমেয়াদি শান্তিতে রূপ দেওয়া এক দূরবর্তী কল্পনা। এই যুদ্ধে হাজারো মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। যে ইরানি জনগণকে ট্রাম্প স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, তারা এখনো সেই কঠোর শাসনের চাদরেই ঢাকা রুদ্ধশ্বাস জীবন কাটাচ্ছেন। দিনশেষে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আবেগতাড়িত ও একরোখা যুদ্ধ আমেরিকার অর্থনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতার অপচয় ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনি, যা বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র আধিপত্য ধরে রাখার ক্ষয়িষ্ণু লড়াইকেই স্পষ্ট করে তুলেছে।