মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
26.5 C
Dhaka

বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৪ আইনের খসড়া অনুমোদন

0

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে আইনগুলোর খসড়া উপস্থাপন করা হয়।

এর মধ্যে দীর্ঘ ২৫ বছর পর বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনটি সংশোধন করে সেটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০০১ সালের ১৫ জুলাই ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও এতদিন তা কার্যকর করা হয়নি।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক নিয়োগ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞান, প্রকৌশল, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখার সমন্বয়ে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

এছাড়া ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আইনটির খসড়া উপস্থাপন করা হয়।

এতে বলা হয়েছে, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে জুয়ার বিস্তারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ হওয়ায় অনলাইন ও অফলাইন নানা ধরনের জুয়া কার্যক্রম বিস্তার লাভ করছে। ফলে জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রবণতা হ্রাস, আর্থসামাজিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধকল্পে এ সকল জুয়া কার্যক্রমের উপর সমসাময়িক উৎকর্ষিত প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণ করে যথাযথ তত্ত্বাবধান ও আইনগত কাঠামো প্রদানপূর্বক রাষ্ট্রের সার্বিক নৈতিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’ প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-

  • জুয়া খেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর (বুকমেকার), ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ জুয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। (খ) অপরাধের প্রকৃতি ভেদে বিভিন্ন ধরনের সাজার (অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড ও উভয়দণ্ড) বিধান রাখা হয়েছে। পরে মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।

সভায় ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে এই আইনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়।
দেশের পাবলিক পরীক্ষাসমূহে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৮০’ প্রণীত হয়।

তবে, বর্তমান প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যমান আইনের বিভিন্ন ধারা সময়োপযোগী নয়। পাবলিক পরীক্ষাসমূহে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধসমূহ এবং এর দণ্ড আইনের আওতায় আনয়নের উদ্দেশ্যে বিদ্যমান আইনে সংশোধন করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ-

  • পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং বা অবৈধভাবে পরিবর্তন করাকে ‘ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন’ শিরোনামে নতুন অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
  • ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
  • পাবলিক পরীক্ষায় সংগঠিতভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি বা চক্র গঠন করলে কঠোর শাস্তি এবং জরিমানার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

একইসাথে সভায় ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আইনে বলা হয়েছে- মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে ২০১৮ সালের ৬৩ নম্বর আইন ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত, ২০২০)’ প্রণয়ন করা হয়। বর্তমানে মাদক পাচার ও অপব্যবহারের পরিবর্তিত ধরণ মাদকসংক্রান্ত প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার এবং বিচারিক কার্যক্রমে উদ্ভূত বাস্তব সমস্যাসমূহ নিরসনকল্পে আইনটির কতিপয় ধারা সংযোজন ও সংশোধন করে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-

  • বিচারিক কার্যক্রম জোরদার করণে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
  • মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার রোধে বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ দমনে সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণের নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে।
  • সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধ, অভিযান পরিচালনা ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের বিধান সংযোজন করা হয়েছে।
  • মাদকদ্রব্য সহজেই শনাক্তকরণে ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান সংযোজন করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববাজারে আরও কমে গেল সোনার দাম

0
বিশ্ববাজারে আরও কমে গেল সোনার দাম
আজ সোনার ভরি কত?

টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো দরপতনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে সোনার বাজার। ডলারের শক্তি পুনরুদ্ধার এবং মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর নীতিগত সংকেতের চাপে শুক্রবারও (১৯ জুন) বিশ্ববাজারে কমে গেছে সোনার দাম।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিন সকালে স্পট মার্কেটে সোনার দাম কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ১৮৯ দশমিক ২৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন সোনার ফিউচারও কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২০৭ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে এসেছে।

রয়টার্স বলছে, মার্কিন ডলারের মান বিগত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করায় অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের জন্য ডলারভিত্তিক সোনা কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে, যা বাজারে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে।

এছাড়া, হরমুজ প্রণালী দিয়ে আবারও তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল শুরু হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি কার্যকর হওয়ায় তারা ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। যদিও দুই দেশের মধ্যে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অমীমাংসিত রয়ে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতির চাপ এখন এতটাই বেড়েছে যে, বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো তা উপেক্ষা করতে পারছে না। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের নেতৃত্বে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরই মধ্যে ঋণের খরচ বাড়িয়েছে অথবা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে।

চেয়ারম্যান হিসেবে কেভিন ওয়ার্শের প্রথম নীতিনির্ধারণী বৈঠকে ফেড সুদের হার ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ সীমার মধ্যে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে, বুধবার প্রকাশিত পূর্বাভাসে দেখা যায়, ১৯ জন নীতিনির্ধারকের মধ্যে নয়জন মনে করেন চলতি বছর সুদের হার আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

সিএমই ফেডওয়াচ টুলের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর মাসে আমেরিকার সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এখন ৮৭ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে, যা ফেডারেল রিজার্ভের সভার আগে মাত্র ৬১ শতাংশ ছিল। সাধারণত সুদের হার উচ্চ থাকলে সোনা তার বিনিয়োগ আকর্ষণ হারায় কারণ এটি থেকে সরাসরি কোনো সুদ বা লভ্যাংশ পাওয়া যায় না।

এই বাস্তবতায় বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাক্স আগামী ডিসেম্বর মাসের জন্য সোনার সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা আগের ৫ হাজার ৪০০ ডলার থেকে কমিয়ে ৪ হাজার ৯০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করেছে কারণ ব্যাংকটি চলতি বছরে ফেডারেল রিজার্ভের পক্ষ থেকে সুদের হার কমানোর কোনো সম্ভাবনা দেখছে না।

এদিকে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত দেশের বাজারে সোনার দাম আপডেট করে আসছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সে অনুযায়ী, সোনার দাম যে কোনো সময় কমানো হতে পারে দেশের বাজারেও।

সবশেষ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেদিন মূল্যবান এই ধাতুটির দাম নির্ধারণে ক্ষেত্রে ভরি প্রতি ২ হাজার ৫০৮ টাকা ভ্যাট যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সর্বসম্মতিক্রমে স্বর্ণালঙ্কারের ভ্যাটসহ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে।

এতে আরও বলা হয়, স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য।

নতুন এ দাম বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে শুক্রবার (১৯ জুন)। স্পট মার্কেটে রুপার দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৩২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সেইসঙ্গে প্লাটিনামের দাম শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৮০ দশমিক ৮৭ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৭২ ডলারে নেমে এসেছে।

ফটিকছড়িতে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র উদ্ধার

0

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে ফটিকছড়ি থানাধীন ১৩নং লেলাং ইউনিয়নের শাহনগর গোপালঘাটা গ্রাম থেকে এই অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপালঘাটা এলাকায় কিছু ব্যক্তি মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে; এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে যায় র‌্যাব। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই তিনজন ব্যক্তি ঝোপ-জঙ্গলের ভেতরে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে র‌্যাব আশেপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে গোপালঘাটা গ্রামের মেন গেট এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি দেশীয় ওয়ান শুটার গান উদ্ধার করা হয়।
এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

শিক্ষাকে আনন্দময় ও কর্মমুখী করতে ব্যাপক কর্মসূচি সরকারের

0
সরকারের ৭ গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল

এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি বিকাশে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ মহোৎসব। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় শিক্ষাঙ্গনে শুরু হতে যাচ্ছে পাঁচ কোটি দেশীয় গাছের চারা রোপণের সবুজায়ন মহাযজ্ঞ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৮ জুন রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত সেরা ১০০টি দলের বিজ্ঞান প্রজেক্ট প্রদর্শনী এবং একযোগে ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন। প্রযুক্তিগত বিপ্লব ও পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বড় মাইলফলক অর্জন হবে বলে মনে করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

নতুন এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মাউশির ‘এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস)’ এবং ‘লার্নিং অ্যাক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ (লেইস) প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসূচি দুটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল , ‘এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের মুখস্থনির্ভরতা থেকে বের করে গঠনমূলক সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণধর্মী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে চাই। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়াগুলো থেকে স্থানীয় অনেক সমস্যা স্থানীয়ভাবেই সমাধান করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে স্টার্টআপের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে তরুণ উদ্যোক্তা সৃষ্টির পথ উন্মোচিত হবে।’

বৃক্ষরোপণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় শিক্ষার্থীরাই অগ্রসৈনিক হিসেবে কাজ করতে পারে। তারাই আগামীতে জলবায়ু মোকাবিলার মূল হাতিয়ার হবে। সে কারণেই সব কর্মসূচি শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক করা হয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য আগামীদিনের প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মাঝে জলবায়ু সচেতনতা তৈরি করা, যাতে তারা ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের উপযুক্ত অংশীদার হয়ে পরিবেশ সুরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে।’

মাউশির ইইএসএস স্কিম জানায়, দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার সর্বস্তরের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা এই মেগা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন। মাউশি জানিয়েছে, জাতীয় এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য প্রতি দলে ৩ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এই শোকেজিং প্রোগ্রামটি মূলত তিনটি স্তরে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত ১২ জুন দেশব্যাপী সব উপজেলা ও থানায় একযোগে এই শোকেজিং প্রোগ্রাম শেষ হয়েছে। এই পর্যায় থেকে বাছাইকৃত সেরা দলগুলো গত রোববার জেলা পর্যায়ের মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তাদের স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট বা ইনোভেশন আইডিয়া শোকেজিং করে।

মাউশি সংশ্লিষ্টরা জানান, জেলা ও মহানগর পর্যায় থেকে নির্বাচিত দলগুলো নিয়ে আগামী ২৭ জুন ঢাকায় চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এ পর্বে তৃণমূল থেকে নির্বাচিত ১০০টি দল অংশ নেবে। পরদিন ২৮ জুন রাজধানী ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। এদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেবেন।

মাউশি আরও জানায়, জাতীয় পর্যায়ে প্রজেক্ট প্রদর্শনকারী দলগুলোর মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত সেরা ১০টি দলকে ট্রফি দেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়ন ও স্বীকৃতি দিতে রাষ্ট্রীয়ভাবে আকর্ষণীয় আর্থিক পুরস্কার ও সনদপত্র দেওয়া হবে।

ইইএসএস স্কিম জানায়, শিক্ষকদের আধুনিক ও প্রজেক্টভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতিতে মেন্টরিংয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ মনোনীত শিক্ষকেরা পুরস্কার হিসেবে পাবেন ৩০ হাজার টাকা এবং একটি সনদপত্র। মনোনীত শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীল উদ্ভাবনের স্বীকৃতিস্বরূপ পাবে ২০ হাজার টাকা এবং একটি যোগ্যতা সনদপত্র।

এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস)-এর পরিচালক প্রফেসর মো. তোফাজ্জেল হোসেন বাসস’কে জানান, গত ১২ জুন উপজেলা পর্যায়ের এবং ১৪ জুন জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পর্যায় থেকে নির্বাচিত সেরা ১০০টি দল নিয়ে আগামী ২৭ জুন ঢাকায় চূড়ান্ত মূল্যায়ন পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এদিন বিচারকগণ গোপন ব্যালটের মাধ্যমে বিজয়ী দলগুলো নির্বাচন করবেন। পরদিন ২৮ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা এবং পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে জীবনমুখী শিক্ষা নিশ্চিত, মৌলিক মূল্যবোধ সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া এবং জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়াই এই স্কিমের প্রধান উদ্দেশ্য। এর বাইরে শিক্ষার্থীদের চিন্তাশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রযুক্তিভিত্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা নিশ্চিত করা, ‘আনন্দের সাথে শিক্ষা’ বা ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ নিশ্চিত করা, সু-শিক্ষার মাধ্যমে প্রতিভাবান শিক্ষক তৈরি করা, সুপ্ত প্রতিভার বিকাশের পথ উন্মুক্ত করা এবং সৃজনশীলতা ও বিশ্লেষণাত্মক চিন্তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া।

শুরু হচ্ছে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি

এদিকে শোকেজিং কর্মসূচির পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাঙ্গনে শুরু হতে যাচ্ছে সবুজায়ন মহাযজ্ঞ। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের অংশ হিসেবে ‘লার্নিং অ্যাক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরে দেশের স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে পাঁচ কোটি দেশীয় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মাউশি লেইস প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতিটি শিশুকে প্রতিবছর বৃক্ষরোপণে সম্পৃক্ত করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এই কর্মসূচিতে আম, জাম, কাঁঠাল, নিম ও অর্জুনের মতো দেশীয় গাছকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

মাউশির জনায়, আগামী ২৮ জুন দেশের ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি মাদ্রাসাসহ মোট ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের মূল ক্যাম্পাসে একটি গাছ রোপণ করবেন এবং একই সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে দেশজুড়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে সেই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

লেইস প্রকল্পের পরিচালক প্রফেসর মো. আসাদুজ্জামান জানান, দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি একযোগে সারাদেশে সম্প্রচার করা হবে। এর মধ্যে দেশের ১০০টি বিশেষ সেন্টারে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থা থাকবে। প্রধানমন্ত্রী চাইলে সরাসরি মাঠপর্যায়ের যেকোনো সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ‘উদ্বোধনের দিন প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম তিনটি করে গাছ লাগানো হবে। যার মধ্যে একটি ফলদ ও একটি বনজ গাছ থাকবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি সম্পন্ন করা হবে।

নতুন প্রধানের হাতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির পথ

0

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৭ই জুন) প্রথম নীতি বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক টানা চতুর্থবারের মতো সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে সুদের হার ৩ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে।

তবে বৈঠকের সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল, চলতি বছরই সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে ওয়ার্শ জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি নিয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলাদা দল কাজ করবে। এসব দলের আলোচনার বিষয় হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যোগাযোগ ব্যবস্থা, অর্থের প্রবাহ, তথ্য ব্যবহারের পদ্ধতি, কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীলতা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের নীতি।

ওয়ার্শ বলেন, এসব বিষয়ে নতুনভাবে চিন্তা করা দরকার এবং চলতি বছরের শেষ নাগাদ বেশিরভাগ কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি আরও জানান, এই বৈঠকে সুদের হার ভবিষ্যতে কোন দিকে যাবে সে বিষয়ে কোনো আগাম নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন পূর্বাভাস দেওয়া উপযুক্ত নয়।

তবে তিনি মূল্য স্থিতিশীল রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ওয়ার্শ বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতি ২ শতাংশে নামিয়ে আনতে সক্ষম এবং এ লক্ষ্য পূরণে তাদের অঙ্গীকার শক্তিশালী।

এদিকে নতুন প্রধানকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ভিন্ন পরিস্থিতি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে সুদের হার কমানোর প্রত্যাশায় নিয়োগ দিলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধিকাংশ নীতিনির্ধারক এখন সুদের হার বাড়ানো বা অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। চলতি বছরে মাত্র একজন কর্মকর্তা সুদের হার কমানোর প্রত্যাশা করছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, জ্বালানি খাতের বাইরে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়লে সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি কার্যকর হলে এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে গেলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে মূল্যস্ফীতিও কমতে পারে।

এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সদর দপ্তর সংস্কার নিয়েও আলোচনা করেছেন ওয়ার্শ। প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলারের এই সংস্কার প্রকল্প নিয়ে তদন্ত চলছে। তিনি বলেছেন, প্রকল্পে কোনো ভুল বা অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এই সংস্কারের অর্থ সরকারি করের টাকা থেকে নয়, বরং তাদের নিজস্ব আয় থেকেই ব্যয় করা হচ্ছে।

সূত্র: সিএনএন

৬২টি কোম্পানি নিয়ে ডিএসইর ‘রেড এলার্ট’

0

এসব কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্কতা বাড়াতে আলাদা দুটি তালিকা সম্প্রতি নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে ডিএসই।

ডিএসইর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আর্থিকভাবে দুর্বল ও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কোম্পানিগুলোর শেয়ারে বিনিয়োগ করে যাতে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে জন্য এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে এসব কোম্পানির বিষয়ে ‘রেড এলার্ট’ বা ‘সতর্কসংকেত’ জারি করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের এই কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বন্ধ ও দুর্বল মানের কিছু কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। এ রকম দুটি কোম্পানির লেনদেন এরই মধ্যে তাৎক্ষণিক নির্দেশে স্থগিত করা হয়েছে। কোম্পানি দুটি হলো শ্যামপুর সুগার ও সোনারগাঁও টেক্সটাইলস। এখন দ্বিতীয় ধাপে এসে দুর্বল ও আর্থিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানিগুলোর বিষয়ে সতর্কসংকেত জারি করা হলো।

ডিএসইর তালিকা অনুযায়ী বন্ধ কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাপোলো ইস্পাত, আরামিট সিমেন্ট, আজিজ পাইপস, বারাকা পাওয়ার, বিডি ওয়েল্ডিং, দুলামিয়া কটন, এমারেল্ড অয়েল, ফ্যামিলিটেক্স, জিবিবি পাওয়ার, জেনারেশন নেক্সট, হামিদ ফেব্রিকস, খুলনা পাওয়ার, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, মেঘনা পিইটি, মেট্রো স্পিনিং, মিথুন নিটিং, নিউলাইন ক্লথিংস, নর্দার্ন জুট, নুরানী ডায়িং, প্যাসিফিক ডেনিমস, প্রাইম টেক্সটাইলস, রহিমা ফুড, আরএসআরএম স্টিল, রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ, শ্যামপুর সুগার মিলস, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, তুংহাই নিটিং, উসমানিয়া গ্লাস, ইয়াকিন পলিমার ও জাহিন স্পিনিং।

তবে, ‘রেড এলার্ট’ জারির পরও বুধবার (১৭ জুন) এসব বন্ধ কোম্পানির বেশির ভাগ শেয়ারের দাম বেড়েছে। তালিকাভুক্ত ৩২টি বন্ধ কোম্পানির মধ্যে ২২টিরই শেয়ারদর বেড়েছে, ৬টির কমেছে এবং ৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এর মধ্যে হামিদ ফেব্রিকস, প্রাইম টেক্সটাইলস ও নিউলাইন ক্লথিংসের শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ হারে বেড়েছে।

এছাড়া, আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত ৪২টি কোম্পানিকে ‘গোয়িং কনসার্ন থ্রেট’ বা ‘ব্যবসা পরিচালনায় অনিশ্চয়তার ঝুঁকিতে’ রয়েছে বলে চিহ্নিত করেছেন ডিএসইর সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষকেরা। অর্থাৎ নগদ অর্থসংকটসহ নানা কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পরিচালনায় ঝুঁকি রয়েছে। নিরীক্ষকদের মতামতের ভিত্তিতে এসব ঝুঁকিপূর্ণ কোম্পানির পৃথক তালিকা প্রকাশ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।

এই তালিকায় থাকা ১০টি কোম্পানি আবার বন্ধ কোম্পানির তালিকাতেও রয়েছে। এছাড়া দুটি কোম্পানির লেনদেন বন্ধ রয়েছে। ফলে, বন্ধ কোম্পানির বাইরে কার্যত ৩০টি কোম্পানি এই ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো অলটেক্স, আনলিমা ইয়ার্ন, বিডি সার্ভিসেস, বিডিথাই ফুড, বিআইএফসি, সেন্ট্রাল ফার্মা, ঢাকা ডায়িং, ডরিন পাওয়ার, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস, জিএসপি ফাইন্যান্স, ইন্দো-বাংলা ফার্মা, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ইনটেক, জুট স্পিনার্স, খান ব্রাদার্স পিপিওভেন ব্যাগ, মেঘনা সিমেন্ট, এনটিসি, পিপলস লিজিং, প্রিমিয়ার লিজিং, প্রাইম ফাইন্যান্স, সাফকো স্পিনিং, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস, সানলাইফ ইনস্যুরেন্স, তাল্লু স্পিনিং, উসমানিয়া গ্লাস ও ঝিল বাংলা। এর বাইরে লেনদেন বন্ধ থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকও এই তালিকায় রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৪ জুন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নেতৃত্বে পরিবর্তন আনে সরকার। কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান মাসুদ খান। পাশাপাশি নতুন আরও তিনজন কমিশনারকে নিয়োগ দেওয়া হয়। দায়িত্ব নেওয়ার দিনই সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ খান ঘোষণা দেন, বাজার কারসাজিকারকদের বিরুদ্ধে কমিশন রিয়েল টাইম বা প্রকৃত সময়ভিত্তিক ব্যবস্থা নেবে। কারসাজি নিয়ন্ত্রণে জেড শ্রেণিভুক্ত কোম্পানিগুলোর ওপর শুরু থেকেই বিশেষ নজরদারি থাকবে। বিএসইসির সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা।

বিএসইসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানের এই ঘোষণার পরই বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোম্পানিসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। আগে বিচ্ছিন্নভাবে এ ধরনের তথ্য প্রকাশ করা হলেও এখন তা আরও গুছিয়ে ও নিয়মিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ডিএসই।

ঝালকাঠিতে আ.লীগ নেতাকর্মীর ৩৩ অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল

0

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের এক অফিস আদেশে বলা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থে ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স  বাতিল করা হলো।

অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা আওয়ামী লীগ নেতারা হলেন- সাবেক পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানা, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তালুকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মুজিবুল হক আকন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন রেজভী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহামুদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম জাকির ও যুগ্ম আহবায়ক কামাল শরিফ, কাঠালিয়া উপজেলা যুবলীগ মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ঝালকাঠি উপজেলা যুবলীগ মো. সোহেল আহমেদ, সৈয়দ জরুল হক স্বপন (ঝালকাঠি সদর যুবলীগ), ইয়াসমিন রাবি পপি (যুব মহিলা লীগ নেত্রী, রাজাপুর) নার্গিস আক্তার, (ঝালকাঠি সদর) চন্দ্রশেখর হালদার (রাজাপুর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) শাহিন মৃধা (রাজাপুর) আলম হোসেন (মেকার আলম, ঝালকাঠি সদর), আব্দুর রহিম মিয়া (কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান), আমিনুল ইসলাম খান লিটন (গাভারামচন্দ্রপুর) এম এ কুদ্দুস খান (জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা), মো. আরিফ হোসেন (কাঠালিয়া), মাজেদ হাসান (ঝালকাঠি সদর), পলাশ মন্ডল (ঝালকাঠি সদর) ও মো. লোকমান মল্লিক (কাঠলিয়া)।

ঝালকাঠি থানার সেকেন্ড অফিসার আসাদ আল গালিব বলেন, লাইসেন্স বাতিল করা সব অস্ত্র ঝালকাঠি জেলার ৪ থানায় জমা রয়েছে।

নরেন্দ্র মোদিকে ‘ফেরেশতা’ ও ‘খুনী’ বলে প্রশংসা করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প 

0

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার (১৭ জুন) ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বাইরে থেকে শান্ত ও নম্র মনে হলেও তিনি বাস্তবে অত্যন্ত দৃঢ়চেতা একজন নেতা।

ট্রাম্প বলেন, “তিনি একজন কঠিন আলোচক। আমি যতদিন হোয়াইট হাউসে থাকব, ততদিন ভারত একজন নির্ভরযোগ্য বন্ধুকে পাশে পাবে।”

রসিকতার ছলে মোদির প্রশংসা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি দেখতে খুবই চমৎকার, যেন একজন ‘ফেরেশতা’। তবে বাস্তবে তিনি একজন ‘খুনী’র মতোই কঠিন। এই ধরনের মানুষ খুব কমই দেখা যায়।

ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে এবং মোদির প্রতি মার্কিন প্রশাসনের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তিনি বলেন, মোদি ভারতের জনগণকে ভালোবাসেন এবং যুক্তরাষ্ট্রেরও একজন ভালো বন্ধু।

ভারতের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ভারত যদি কোনো আক্রমণের শিকার হয় এবং মোদি নেতৃত্বে থাকেন, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসবে।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ট্রাম্পের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার নতুন আশা তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি শান্তির পথ তৈরি করতে পারে।

মোদি আরও বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতির স্বার্থে হরমুজ প্রণালি সবসময় উন্মুক্ত রাখা প্রয়োজন।

বৈঠকে দুই নেতা তাদের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন। ট্রাম্প ভবিষ্যতে ভারত সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

পশ্চিম এশিয়ার চলমান পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন দুই নেতা। ট্রাম্প বলেন, বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।

সূত্র: এনডিটিভি

ট্রাম্পের পর এবার ইরানের প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষর, যুদ্ধ থামানোর পথে নতুন চুক্তি 

0

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, পেজেশকিয়ান ফারসি ভাষায় লেখা একটি নথি হাতে ধরে আছেন। নথিটির নিচে তার এবং ট্রাম্পের স্বাক্ষর রয়েছে বলে দেখা গেছে।

প্রায় ৮০০ শব্দের ১৪ দফার এই সমঝোতা স্মারকের লক্ষ্য হলো চলমান যুদ্ধবিরতি আরও কার্যকর করা এবং হরমুজ প্রণালিতে আবারও স্বাভাবিক বাণিজ্যিক চলাচল শুরু করা।

চুক্তি অনুযায়ী, ইরান তার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মাত্রা কমাতে সম্মত হয়েছে। এর বিনিময়ে দেশটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুবিধা পাবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমার আশা তৈরি হয়েছে।

এদিকে সংঘাতের শুরু থেকে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করা পাকিস্তান জানিয়েছে, এই সমঝোতা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা এবং দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের জন্য পরবর্তী আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: সিএনএন

মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ

0

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস লিখিত প্রশ্ন রেখে বলেন, গত আওয়ামী লীগের ১৬ বছর সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ চোরাচালান, আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ ও অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য ছিল। দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে সীমান্ত সব অপরাধ নির্মূলে সরকার কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে?

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার্থে এবং সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের অপরাধ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), ফেন্সিডিলসহ সব ধরনের মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রবেশ বন্ধে বিজিবি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার মোতাবেক ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির মাধ্যমে সীমান্ত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা এবং যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কার্যকরভাবে প্রতিহতের লক্ষ্যে দুর্গম ও স্পর্শকাতর সীমান্ত এলাকাগুলোতে নতুন বিওপি/টিওবি নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। নতুন বিওপি/টিওবি নির্মাণের ফলে বিজিবির বিওপিসমূহের মধ্যবর্তী দূরত্ব কমিয়ে আনা এবং টহলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের অতি সংবেদনশীল এলাকায় ইতোমধ্যে ‘স্মার্ট বর্ডার সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম’ স্থাপন করা হয়েছে। দুর্গম পার্বত্য সীমান্তে সীমান্ত সড়ক নির্মাণের কাজও দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে, যার ফলে বিজিবির টহল দল অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে যেকোনো সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সক্ষম হচ্ছে।

সীমান্ত এলাকায় বসবাসরতদের চোরাচালান ও অপরাধের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে এবং অপরাধীদের তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহায়তার জন্য নিয়মিত ‘জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হচ্ছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এরপর বলেন, মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্ত হত্যা, অনুপ্রবেশ, মাদক, অস্ত্র, গোলাবারুদ, আন্তঃসীমান্ত বিভিন্ন অপরাধ দমনের লক্ষ্যে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং অনুরূপভাবে ভারত সীমান্তে স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম বিবেচনাধীন রয়েছে।