মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬
33.8 C
Dhaka

বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান

0
বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান
বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা রহমান

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অধীন অধস্তন আদালতে আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপ এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এ পরীক্ষায় পাস করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। পরে, জাইমা রহমান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া স্টোরিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জাইমা রহমান লিখেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমি আপনাদের কাছে ছোট একটি ব্যক্তিগত সাফল্যের কথা শেয়ার করতে চাই। আমার দেশে আইন প্র্যক্টিসের জন্য আজ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রথম ধাপ এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিই। আল্লাহর রহমতে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।

জানা গেছে, এবারের পরীক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকন্যা জাইমা রহমান বিএএফ শাহীন কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

এবারের এমসিকিউ পরীক্ষায় আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী। প্রথম ধাপে মোট ৯ হাজার ২০১ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণদের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

তিন ধাপের এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হবেন। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত দেশের অন্যান্য আদালত ও ট্রাইব্যুনালে আইন পেশায় নিয়োজিত হতে পারবেন। বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে।

প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ইতিহাস গড়া জয় যুক্তরাষ্ট্রের

0
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ইতিহাস গড়া জয় যুক্তরাষ্ট্রের
প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ইতিহাস গড়া জয় যুক্তরাষ্ট্রের

স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে দুর্দান্ত এক জয় দিয়ে। ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘ডি’র ম্যাচে প্যারাগুয়েকে ৪-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শক্তিশালী বার্তা দিয়েছে মাউরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে যুক্তরাষ্ট্র। সপ্তম মিনিটে ওয়েস্টন ম্যাককেনি ও ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকের দারুণ সমন্বয়ে তৈরি আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার দামিয়ান বোবাদিয়া। আত্মঘাতী ওই গোলেই এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

এরপর ম্যাচের ৩১ মিনিটে পুলিসিকের পাস থেকে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফোলারিন বালোগান। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও গোল করে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন তিনি। বালোগানের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে প্যারাগুয়ে। ৭৩ মিনিটে মিগুয়েল আলমিরন ও হুলিও এনসিসোর আক্রমণ থেকে বদলি খেলোয়াড় মাউরিসিও গোল করে ব্যবধান কমান। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ফিরতে পারেনি দক্ষিণ আমেরিকার এই দল।

অতিরিক্ত সময়ের অষ্টম মিনিটে জিওভানি রেইনা বক্সের বাইরে থেকে দৃষ্টিনন্দন শটে চতুর্থ গোল করেন। তার সেই গোলেই ৪-১ ব্যবধানের বড় জয় নিশ্চিত করে যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এমন দাপুটে জয়ে গ্রুপ পর্বে নিজেদের অন্যতম ফেবারিট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বালোগানের জোড়া গোল, পুলিসিকের সৃজনশীলতা এবং দলগত আধিপত্যে উজ্জ্বল এই জয়ে স্বাগতিক সমর্থকদের স্বপ্ন আরও বড় হয়েছে।

কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

0
কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ৯টায় সকারপ্রধান গুলশানের বাসা থেকে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিমানে কক্সবাজারে যাচ্ছেন। গুলশানের বাসা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেছেন। তার সঙ্গে ডা. জুবাইদা রহমানও সফরে আছেন। বৃক্ষরোপণ, খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে রাতে তিনি ঢাকায় ফিরবেন। কক্সবাজার পৌঁছে সকাল সাড়ে ১০টায় পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার কর্মসূচি শুরু করবেন।

দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান এবং বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভা, সন্ধ্যায় সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এ ছাড়া মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখবেন তারেক রহমান। কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী নতুন উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে জেলায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রত্যাশার কথাও জানাচ্ছেন তারা।

কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর উদ্যোগ। এছাড়া পর্যটন খাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণ ব্যবহার এবং শুঁটকি শিল্প রক্ষায়ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান স্থানীয়রা।

পাশাপাশি কুতুবদিয়া রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ, মহেশখালী-কক্সবাজার চ্যানেলে সেতু, মাদক চোরাচালান বন্ধ ও সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার দাবিও রয়েছে স্থানীয়দের।

সরকারপ্রধানের এ সফরকে কেন্দ্র করে জোরদার করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সমাবেশস্থল ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এলাকা ইতোমধ্যেই পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমেদ ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

0
কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ৯টায় সকারপ্রধান গুলশানের বাসা থেকে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিমানে কক্সবাজারে যাচ্ছেন। গুলশানের বাসা থেকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসেছেন। তার সঙ্গে ডা. জুবাইদা রহমানও সফরে আছেন। বৃক্ষরোপণ, খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচি শেষ করে রাতে তিনি ঢাকায় ফিরবেন। কক্সবাজার পৌঁছে সকাল সাড়ে ১০টায় পিএমখালী ইউনিয়নের পাতলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তার কর্মসূচি শুরু করবেন।

দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান এবং বিকেলে চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভা, সন্ধ্যায় সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এ ছাড়া মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখবেন তারেক রহমান। কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পেকুয়া পৌরসভা ও মাতামুহুরী নতুন উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে জেলায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রত্যাশার কথাও জানাচ্ছেন তারা।

কক্সবাজারবাসীর প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছে- চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর উদ্যোগ। এছাড়া পর্যটন খাতের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণ ব্যবহার এবং শুঁটকি শিল্প রক্ষায়ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান স্থানীয়রা।

পাশাপাশি কুতুবদিয়া রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ, মহেশখালী-কক্সবাজার চ্যানেলে সেতু, মাদক চোরাচালান বন্ধ ও সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার দাবিও রয়েছে স্থানীয়দের।

সরকারপ্রধানের এ সফরকে কেন্দ্র করে জোরদার করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সমাবেশস্থল ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এলাকা ইতোমধ্যেই পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমেদ ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

সীমান্তে সমন্বিত টহল ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় বাড়াবে বাংলাদেশ-ভারত

0

রয়টার্সে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে শুক্রবার (১২ জুন) এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে দুই দেশের সীমান্তে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সমন্বিত টহল আরও বাড়ানো হবে।

২০২৪ সালে শেখ হাসিনার পতনের পর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এর মাঝেই ভারতের ‘অবৈধ’ অভিবাসী চিহ্নিত করে ঢালাওভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইন কার্যক্রম সেই চেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার তোয়াক্কা না করেই জোরপূর্বক অভিবাসীদের সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে ঢাকা।

এই পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লিতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের চার দিনব্যাপী বৈঠক শেষে এই যৌথ বিবৃতি এল। তাতে বলা হয়েছে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স-এর (বিএসএফ) মধ্যে ‘আন্তরিক, ইতিবাচক ও দূরদর্শী’ আলোচনা হয়েছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সীমান্তে ‘অবৈধ, অসচেতন ও বলপূর্বক অনুপ্রবেশ’-এর মতো বিতর্কিত ইস্যুগুলোও এই নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে।

বিশ্বের দীর্ঘতম সীমান্তগুলোর অন্যতম হলো বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত, যার দৈর্ঘ্য ৪ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। ভারতের ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও আসামের মতো প্রধান সীমান্ত রাজ্যগুলোর ক্ষমতায় রয়েছে।

বিজেপি সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানোকে তাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার ও অগ্রাধিকার হিসেবে নিয়েছে। গত বছর থেকেই তারা বাংলাভাষী মুসলমানদের ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ তকমা দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

ভারতের এই একতরফা পদক্ষেপ বন্ধের দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যে নয়াদিল্লিকে এক ডজনেরও বেশি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ।

বিজিবি জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে বিএসএফের বেশ কয়েকটি পুশ-ইনের চেষ্টা ঠেকিয়ে দিয়েছে তারা। একইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন, গোয়েন্দা তৎপরতা ও ড্রোন নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া যেকোনো ধরনের পুশ-ইন ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’। তিনি সতর্ক করে দেন, এ ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের সব চেষ্টাই ভেস্তে দিতে পারে।

জোরপূর্বক সীমান্ত পারাপার প্রতিরোধে যেমন সীমান্তে টহল ও জনসচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে মে মাসে দিল্লি জানায়, ভারতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাসকারী প্রায় ২ হাজার ৮৬০ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাগরিকত্ব যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশকে অনুরোধ করেছে তারা।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, মানব পাচার, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড, চোরাচালান, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়েও দুই দেশের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা বলা হয়, ‘ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয় পক্ষই তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।’

সীমান্ত সুরক্ষায় সমন্বিত টহল জোরদার, নজরদারি বৃদ্ধি, রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদান ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান আরও জোরালো করা হবে বলে জানানো হয় এতে।

আগামী নভেম্বরে ঢাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের হঠাৎ সার্ভার ডাউন 

0

শুক্রবার (১২ জুন) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা আনুমানিক ৭:৩০টার দিকে এমনটি ঘটে।

সংবাদমাধ্যম ইউনিলেইড জানিয়েছে, ফেসবুকের হাজার হাজার ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, তারা ফেসবুক চালাতে পারছেন না।

২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ফেসবুকের সার্ভিস পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আসা সংস্থা ইজডাউন কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১২ জুন) রাত প্রায় ৮টার দিকে জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৭০০ ব্যবহারকারী রিপোর্ট করেছেন, তাদের ফেসবুক চালাতে সমস্যা হচ্ছে।

ওয়েবসাইটটি আরও নিশ্চিত করেছে, আজ দুপুর থেকেই ফেসবুকের সার্ভিসে সক্রিয় ত্রুটি শনাক্ত করা গেছে। সমস্যাটি কেবল নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়, বরং বিশ্বের একাধিক দেশের ব্যবহারকারীরা এতে ব্যাপকভাবে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইন থেকে সর্বোচ্চ ব্যবহারকারী এ ব্যাপারে রিপোর্ট করেছেন।

তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যার কারণ সম্পর্কে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান Meta কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। তবে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এটি সার্ভারজনিত সাময়িক ত্রুটি বা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে হয়ে থাকতে পারে।

তবে, বর্তমানে যারা ফেসবুকের নিউজফিড লোড করতে পারছেন না কিংবা লগ-ইন সংক্রান্ত জটিলতায় ভুগছেন, তাদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা হওয়ায় মেটার কারিগরি দল সার্ভার সচল করার কাজ করছে। এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি: এনবিআর চেয়ারম্যান

0

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে সকালে সিপিডির বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এবারও ‘কালো টাকা সাদা করার সুযোগ’ রাখার সমালোচনা করা হয়। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাজেটে কালো টাকা সাদা করার যে সুযোগ রাখা হয়েছে তা ‘সমর্থনযোগ্য নয়’।

অর্থমন্ত্রীর বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে স্বাভাবিকভাবেই সে প্রসঙ্গ আসে। একজন সাংবাদিক বলেন, ‘ভালো বাজেটের কালো দিক কালো টাকা। এই সুযোগটা না রেখে বাজেটকে কালো টাকা মুক্ত করা যেত কিনা।”

সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্নের উত্তর দেন এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তিনি বলেন, একটি বিষয় বুঝতে ‘ভুল’ হচ্ছে। মরা ছোট্ট একটা প্রভিশন গত বছরই করেছিলাম, যারা জমি বিক্রি করেন, যে টাকা পান, কিন্তু রেজিস্ট্রেশন হয় কম দামে। অথচ উনার টাকাটা কিন্তু হোয়াইট, উনি জমি বিক্রি করেছেন ৫ কোটি টাকায়, রেজিস্ট্রেশন হয়েছে ১ কোটি টাকায়। বাকি ৪ কোটি টাকা নিয়ে উনি খুব বিপদগ্রস্ত থাকেন।

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমরা গত বছরেই একটা সুযোগ করেছিলাম যে, উনি যদি বাকি ৪ কোটি টাকা প্রমাণ করতে পারেন যে উনার ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেন হয়েছে এবং উনার যদি বায়নানামা থাকে, যদি প্রুভ করতে পারেন, তাহলে উনি ওটার উপরে রেগুলার ট্যাক্স এবং ১৫% গেইন ট্যাক্স, সেই হারে ট্যাক্স দিয়ে এটা দেখাতে পারবেন।

আব্দুর রহমান বলেন, এটা আমরা গতবারই করেছি, এটা ছিল সেলারের দিক থেকে। এবার বায়ারের জন্যও একইরকম একটা সুবিধা চিন্তা করা হয়েছিল যে, বায়াররাও ঝামেলায় পড়েন যে একটা ফ্ল্যাট উনি কিনলেন ২০ কোটি টাকা দিয়ে, কিন্তু রেজিস্ট্রেশন হল ৩ কোটি টাকায়।

তিনি বলেন, আমাদের ট্যাক্সের লোকজন উনাকে গিয়ে আবার চেইজ করে যে, আপনার আমাদের কাছে প্রমাণ আছে আপনি ২০ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছেন, আপনার এখন এটার উপরে এক্সট্রা ট্যাক্স দিতে হবে, জরিমানাসহ। তারাও বিরাট বড় একটা ঝামেলায় পড়ে যায়।

তাদের ‘একটু রিলিফ দেওয়ার জন্য’ এবার বাজেটে নতুন বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, যদি উনারা নিজেদের থেকে ডিক্লেয়ার করেন, যাতে করে উনি ২০% এক্সট্রা দিয়ে, রেগুলার ট্যাক্সের প্লাস ১৫% এক্সট্রা দিয়ে, যাতে এটা দেখাতে পারেন। আর যাদের নিজের টাকা আছে অলরেডি, যার ট্যাক্স দেওয়ার টাকা আছে, হোয়াইট মানি আছে, তাকে কোনো ট্যাক্স দিতে হবে না। এরকম একটা প্রভিশন আছে, তবে এটা নিয়ে যদি আপত্তি থাকে, আমার মনে হয় স্যাররা এটা নিয়ে চিন্তাভাবনা করবেন।

পরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই যে মৌজা রেটের বিষয়টা, যে সত্যিকার ভ্যালু থেকে অনেক কম থাকে সেটা আপনারা সবাই জানেন। এটার ওপর আমরা কাজ করছি যেহেতু আমরা সময় পাই নাই, দেড় মাসের মধ্যে বাজেট করতে হয়েছে, অনেক কিছু ইচ্ছা থাকলেও আমরা শেষ করতে পারিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, মৌজা রেটের যে বিষয়টা আছে, সেটার উপর একটা কমিটি হয়েছে এবং মৌজা রেটগুলো আমরা রিভিউ করতে যাচ্ছি। আমরা মৌজা রেটগুলো একটা রিয়েল ভ্যালুতে আনার চেষ্টা করছি যাতে করে ওই কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে আর কোনো সুযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, এটা দীর্ঘ একটা কাজ। এখানে কিন্তু সারা বাংলাদেশের একটা সার্ভে করতে হবে, মৌজাভিত্তিক করতে হবে। এখানে একটা মৌজার বাজারের এক মূল্য, তারপরে ধানের একেবারে চাষবাসের জায়গার আরেকটা মূল্য। এই সার্ভেটা আমরা করতে যাচ্ছি এবং এটা কমপ্লিট হলে মৌজা রেটটা যখন মার্কেট রেটের সাথে আমরা নিয়ে আসতে পারব, তখন কালো টাকা সাদা করার খুব বেশি সুযোগ থাকবে না।

ফটিকছড়ির হালদা নদীতে ডানা মেলেছে স্বপ্নের পাঁচপুকুরিয়া সেতু

0
স্বাধীনতার ৫৫ বছর ধরে এ নরক যন্ত্রণা বুকে ধারণ করে চলছিল সুন্দরপুর, সুয়াবিল ও নাজিরহাট পৌরসভার বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবনযাপন। তবে, বিরাট প্রস্থের হালদা নদীর উপর একটি সেতুর নির্মাণের দাবী দীর্ঘদিনের। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত শেষে অবশেষে সেতুটির নির্মাণকাজ আরম্ভ হয়েছে কিছুদিন আগে। বিগত সরকার সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলো। বর্তমানে পুরোদমে চলছে এই সেতু নির্মাণের কাজ।
৪৭ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দের এই সেতুটির পিলার সংখ্যা ৮টি। ৯.৮ মিটার প্রস্থ এবং ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটির ৫০-৬০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। বৈরী আবহাওয়া, বর্ষার ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নির্মাণকাজে ব্যাঘাত হলেও এখন বিরামহীন ভাবে কাজ চলছে৷
হালদা নদীর সিদ্ধাশ্রম ঘাটে নির্মাণাধীন পাচঁপুকুরিয়া সেতু নির্মাণের ফলে সুন্দরপুরের সাথে নাজিরহাট পৌরসভা ও সুয়াবিলবাসীর সেতুবন্ধন যেমন হবে, পাশাপাশি নদীর পশ্চিম পাশের সুয়াবিল ইউনিয়ন, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন এবং পূর্ব পাড়ের ফটিকছড়ি পৌরসভা, উপজেলা সদরের সাথে দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াতও নির্বিঘ্ন হবে। এ সেতুটির পূর্বে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং পশ্চিমে চট্টগ্রাম-কাজিরহাট-হেয়াকো সড়ক।সেতুটি নির্মিত হলে সিদ্ধাশ্রম সড়কটি সরাসরি সংযুক্ত হবে দুপাশে বয়ে যাওয়া সড়কের সাথে। এতে করে হালদার দুই পাশের বিরাট জনগোষ্ঠীর জীবনমানের অভাবনীয় ও ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে।
সুয়াবিলের বাসিন্দা শিক্ষক মানষ চক্রবর্তী  বলেন, অতীতে অনেকেই এ সেতু নির্মাণের দাবীতে লবিং তদবির করেছিলেন। সাংবাদিকদের নিয়মিত লিখনীতে উঠে এসেছিল সেতুর প্রয়োজনীয়তা।
পূর্ব সুয়াবিল গ্রামের শিবু শীল বলেন, কিছুদিন আগেও হালদা পার হতে গিয়ে সাকোঁ থেকে মোটরসাইকেল সহ নদীতে পড়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ রকম মৃত্যুর ঘটনা অহরহ ঘটেছে এখানে৷ সেতুটি আমাদের জন্য আর্শিবাদ হবে।
সুন্দরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজুদ্দৌলাহ্ চৌধুরী দুলাল  বলেন, সেতুটি দুই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নত করার পাশাপাশি, প্রাণহানির ঝুঁকি থেকে মানুষদের মুক্তি দিবে।
নাজিরহাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গাজী আমান উল্লাহ  বলেন, আমরা চাই সেতুর কাজ দ্রুত শেষ হোক। সেতুর নির্মাণকাজ টেকসই করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ ও তদারকি প্রয়োজন।
সেতুর কাজে নিয়োজিত প্রকৌশলী খলিলুর রহমান বলেন, নির্মাণসামগ্রীর গুণগত মান অটুট রেখে দক্ষ শ্রমিক দ্বারা সেতুর কাজ চলছে৷
ফটিকছড়ি উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুস সালাম বলেন, ৯.৮ মিটার প্রস্থ এবং ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটির নির্মাণ কাজ দ্রুততার সাথে এগোচ্ছে। মেয়াদকালের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে আশা করা যায়।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম  বলেন, এ সেতুর অভাবে অনেক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মেয়াদকালের মধ্যে কাজ সমাপ্ত হবে এবং দুই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান যথেষ্ট উন্নতি ঘটবে। এছাড়াও সুয়াবিল, হারুয়ালছড়ি অংশের কৃষিপণ্য সহজে ফটিকছড়ি সদর, নাজিরহাটসহ জেলা শহরে বাজারজাত করাও সহজ হবে।

খালি পেটে কোন ৫ ধরনের খাবার গ্যাস্ট্রিক বাড়ায়

0

১. মশলাদার খাবার: অতিরিক্ত মশলা খালি পেটে গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বাড়ায়।

২. সাইট্রাস ফল: যেমন লেবু, কমলালেবু—এগুলোর মধ্যে অ্যাসিড থাকে, যা খালি পেটে গ্যাস্ট্রিক বাড়াতে পারে।

৩. কফি: খালি পেটে কফি খেলে অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়।

৪. টমেটো: টমেটোতে থাকা অ্যাসিড খালি পেটে খেলে গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডের বৃদ্ধি ঘটায়।

৫. শর্করাযুক্ত খাবার: যেমন পেস্ট্রি বা কেক খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে এবং গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড বাড়াতে পারে।

এই ধরনের খাবার এড়িয়ে চললে খালি পেটে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।

ঘরোয়া তৈরি শুকনো আদার উপকারিতা জানলে অবাক হবেন

0

সর্দি-কাশি, জ্বর কিংবা গলা ব্যথার মতো সমস্যায় অনেকেই ঘরোয়া উপায়ের ওপর ভরসা করেন। এর মধ্যে শুকনো আদা দীর্ঘদিন ধরেই একটি কার্যকর প্রাকৃতিক সমাধান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষ করে বমি ভাব, বদহজম কিংবা চলন্ত গাড়িতে অস্বস্তি কমাতে শুকনো আদা বেশ উপকারী বলে মনে করেন অনেকে।

বাজারে শুকনো আদা সহজেই পাওয়া গেলেও অনেক সময় তা অতিরিক্ত নুনযুক্ত বা স্বাদে অস্বস্তিকর হয়। তাই বিশেষজ্ঞরা ঘরেই পরিষ্কারভাবে শুকনো আদা তৈরি করার পরামর্শ দেন।

কীভাবে বানাবেন শুকনো আদা

শুকনো আদা তৈরির জন্য প্রথমে আদার খোসা ছাড়িয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে, কারণ মাটির নিচে জন্মানোর কারণে এতে ময়লা লেগে থাকতে পারে।

এরপর ছুরি বা গ্রেটারের সাহায্যে আদাকে সরু করে কেটে নিতে হবে। সংরক্ষণের জন্য সামান্য নুন ব্যবহার করা হয়, যা আদার জলীয় অংশ বের করে দিয়ে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক জন্মাতে বাধা দেয়।

চাইলে সামান্য হলুদ ও গোলমরিচও মেশানো যেতে পারে।

শুকানোর পদ্ধতি

মশলা মেশানোর পর আদার কুচিগুলো পরিষ্কার সুতির কাপড়ে ছড়িয়ে রোদে শুকাতে হবে। যতক্ষণ না পুরোপুরি শুকিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ রোদে রাখতে হবে।

চাইলে দ্রুত শুকানোর জন্য মাইক্রোওভেনেও হালকা তাপে শুকিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

সংরক্ষণ পদ্ধতি

শুকিয়ে গেলে শুকনো আদা কাচের বয়ামে ভরে রাখতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে, বয়ামের ঢাকনা যেন ভালোভাবে বন্ধ থাকে।

কারণ বাইরের আর্দ্রতা ঢুকে গেলে আদার স্বাদ, ঝাঁঝ ও কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

উপকারিতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুকনো আদা—

  • সর্দি-কাশিতে আরাম দেয়
  • গলা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে
  • বমি ভাব ও বদহজমে উপকারী
  • ভ্রমণের সময় অস্বস্তি কমায়
    সহজ এই ঘরোয়া উপায়ে তৈরি শুকনো আদা দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করা যায়, যা স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।