বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
বুধবার, আগস্ট ১২, ২০২৬
28.5 C
Dhaka

ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ কর্মসূচি

0

আগামী ৩১ জানুয়ারি দেশের জেলা ও মহানগরে, আর ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন। নির্বাচন বাতিল, শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তন ও ট্রান্সজেন্ডারকে ‘প্রমোট’ করার প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ করবে দলটি।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকালে পুরানা পল্টনে দলের মজলিসে আমেলার সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। দলটির আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

চরমোনাই পীর বলেন, দেশ পরিচালনায় সার্বিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। তারা সুশাসন উপহার দিতে পারেনি। সরকারের ব্যর্থতার কারণেই মূল্যস্ফীতি এখন সব সময়ের সীমা অতিক্রম করেছে। জাতীয় অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সরকার জনগণের সমস্যা সমাধানে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি, বরং তারা যা করছে, তার সঙ্গে জনগণের স্বার্থের কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই। ‘ডামি ও প্রহসনের’ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা জবর দখল করে জনগণকে শোষণ করছে সরকার।

দলের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদের পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য খন্দকার গোলাম মাওলা, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ প্রমুখ।

পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়

0

তিন দেশ নিয়ে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভালো শুরু করেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী দল। পরের ম্যাচেই সেই জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে লাল-সবুজের মেয়েরা। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে পাকিস্তানকে ৩৬ রানের হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে পাকিস্তানকে ১৩৭ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ১০০ রানেই গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের মেয়েরা। এতে ৩৬ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।

এদিন টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৪ বলে ৩২ রান করেছেন অধিনায়ক সুমাইয়া আক্তার। শুরুটা আহামরি ছিল না। দ্রুত ফিরে যান ওপেনার ইভা (৬)। আরেক ওপেনার সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা ৩৩ বলে করেছেন ২৪ রান।

তিন নম্বরে নেমে দারুণ ব্যাটিং করেছেন অরভিন তানি। ৩ চারের সাহায্যে ৩০ বলে ৩১ রান করেছেন। ঝড়ো গতিতে ব্যাটিং করেছেন সুমাইয়া আক্তার। সাজঘরে ফেরার আগে অধিনায়কের ব্যাট থেকে এসেছে ২৪ বলে ৩২ রান। তাছাড়া ২৩ বলে অপরাজিত ২৩ রান করেছেন রাবেয়া। শেষ পর্যন্ত ১৩৬ রানের লড়াকু পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের হয়ে আনুশা নাসির ২২ রান খরচায় সর্বোচ্চ ২ উইকেট শিকার করেছেন। এছাড়া ১৩ রান খরচায় ১ উইকেট উইকেট নিয়েছেন মাহাম আনিস।

জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের বোলিং তোপে পড়ে ১০০ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস। আয়মান ফাতিমা ও সামিয়া আফসারের ওপেনিং জুটি বাদে আর কেউ লড়াই করতে পারেননি। দু’জনের ৫১ রানের জুটির পর ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। ফাতিমা সর্বোচ্চ ৩৯ রানের ইনিংস খেলেছেন। এছাড়া সামিয়ার ব্যাট থেকে আসে ২৫ রানের ইনিংস। মিডল অর্ডার ও লেট অর্ডারের ব্যর্থতায় ৭ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান তুলতে পারে সফরকারীরা। এতে ৩৬ রানের জয় পায় স্বাগতিকরা।

বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন আফিয়া। এ ছাড়াও রাবেয়া ও ফারিয়া একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

কাবা শরিফ ও মসজিদে নববীতে বিয়ের অনুমতি দিল সৌদি

0

মক্কা ও মদিনায় আসা হজ ও উমরাহ যাত্রীদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে দুই পবিত্র স্থান কাবা শরিফ ও মসজিদে নববীতে বিয়ে পড়ানোর অনুমতি দিয়েছে সৌদি সরকার।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) সৌদির দৈনিক আল ওয়াতানের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পবিত্র মক্কা ও মদিনায় স্বস্তিতে যেন বিয়ে পড়ানো যায়, সেজন্য এই উদ্যোগ নিয়েছে হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই দুই মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করে- সেখানে বিয়ে আয়োজনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘ব্যতিক্রম আইডিয়া’ নিয়ে আসার জন্য- এটি একটি বড় সুযোগ।

মাসুদ আল জাবরি নামের সৌদির এক বিবাহ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মসজিদে বিয়ে পড়ানোর ক্ষেত্রে ধর্মীয় সম্মতি আছে। মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) একবার এক সহযোগীর বিয়ে মসজিদে পড়িয়েছিলেন।

মাসুদ আরও জানিয়েছেন, মদিনার যে স্থানীয় মানুষ আছেন তাদের অনেকেই এখনই মসজিদে নববীতে বিয়ের কার্য সম্পাদন করেন।

তিনি বলেছেন, বিভিন্ন কারণে মদিনাবাসী এটি করেন। মদিনার অনেক মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে বিয়েতে তাদের সব আত্মীয়-স্বজনকে দাওয়াত দেন। বেশিরভাগ সময়ই কনের পরিবার সবার জন্য ঘরে জায়গা করতে পারে না। ফলে মসজিদে মসজিদে নববী বা কাবায় এসে বিয়ে পড়ানো হয়।

অনেকের বিশ্বাস মসজিদের বিয়ে পড়ানো হলে সেটি মঙ্গলজনক হয় বলে জানান মাসুদ আল জাবরি।

মসজিদে নববী অথবা কাবা শরিফে যারা বিয়ে পড়াতে আসবেন তাদের কিছু নিয়ম-কানুন মানতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌদির এ বিবাহ কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, জোরে শব্দ করে মুসল্লিদের মনযোগ নষ্ট করা যাবে না। মসজিদগুলোর পবিত্রতা রক্ষা করতে হবে এবং কফি, মিস্টিসহ অন্যান্য খাবার বেশি পরিমাণে আনা যাবে না।

সূত্র: গালফ নিউজ

৩০ জানুয়ারি আওয়ামী লীগেরও কর্মসূচি

0

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি বিএনপি কালো পতাকা মিছিল ডেকেছে। সেদিন আওয়ামী লীগ শান্তি উন্নয়ন শোভাযাত্রা করবে। পাহারায় থাকবে। কোনো অপশক্তিকে রাজপথ ছেড়ে দেওয়া হবে না।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘শান্তি ও গণতন্ত্র’ সমাবেশে কাদের এসব কথা বলেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ওবায়দুল কাদের বলেন, গয়েশ্বর বাবু আজ পল্টনে হাজির হয়েছেন, কোথায় ছিলেন এতদিন। বলেছিলেন, আমরা অলিগলি খুঁজে পাব না। এখন গয়েশ্বর বাবু অলিগলি খুঁজে পাচ্ছেন না। দেখতে দেখতে ১৫ বছর। সামনে আছে আরও ৫ বছর। কবে হবে আন্দোলন। রোজার পর না ঈদের পর। মানুষ বাঁচে আর কয় বছর। এই আন্দোলন মানুষ মানে না। হরতাল ডাকে, অবরোধ ডাকে মানুষ আসে না।’

তিনি বলেন, কালো পতাকা শোকের মিছিল ভুয়া। ৩০ তারিখে ডাকছে। ভুয়া। নেতাকর্মীরা আর তারেকের কথায় কান দেয় না। নির্বাচনের খেলা শেষ। রাজনীতির খেলা হবে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এখন খেলা হবে আগুনসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশিরা ভয় দেখায়। ৪১.৮ পার্সেন্ট ভোটারের ভোটে শেখ হাসিনা সরকার নির্বাচিত করেছে। এটা জনগণের সরকার। কোনো বিদেশিদের সরকার না। বাংলাদেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত সরকার। তারা কালো পতাকা মিছিল করে। কালো পতাকা মানে কী, শোকের মিছিল। কালো পতাকা ভুয়া।

এর আগে, দুপুর থেকেই সমাবেশস্থলে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আসতে থাকে ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। বিকেল চারটার মধ্যে সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। নেতাকর্মীরা দলীয় স্লোগানে সমাবেশস্থল মুখরিত করে রাখে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী। সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের সভপতিমণ্ডলীর সদস্য এডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, হান্নান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হকসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তৃতা রাখেন।

শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ আ.লীগের রাজনৈতিক অঙ্গীকার: শিক্ষামন্ত্রী

0

শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ করা আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। আমরা শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ করছি এবং আগামীতেও করে যাবো। জনগনের অর্থ, আমাদের জাতির প্রয়োজনে আমরা শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ করছি।

শনিবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালের উপাচার্য ভবন লনে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন মন্ত্রী। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ সিজিপিএপ্রাপ্ত প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেন, আমাদের সন্তানদের শিক্ষার জন্য এই বিনিয়োগকে ছোট করে দেখা যাবে না। আজকে আমাদের প্রফেসর ও ইমেরিটাস যারা এখানে এসেছেন তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে, একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে, আমাদের শিক্ষা অঙ্গণের গুরু হিসেবে আপনারা আমাদের পথ দেখাবেন। শিক্ষা অঙ্গণে আমাদের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় আপনারা আমাদের পরামর্শ দিবেন।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব। পৃথিবীর কোনো বিশ্ববিদ্যালয় পাওয়া যাবে না যা একটি রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি অঙ্গনে অবদান রাখছে। সমাজের সবক্ষেত্রে যেভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অবদান রাখছে তা আর অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয় রাখতে পারছে কি না আমার জানা নেই। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীরা এখানে এসেছেন। স্বায়ত্তশাসিত এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাবিদদের কাছে অনুরোধ থাকবে, আমাদের রাজনৈতিক যে অঙ্গীকার, তা ফলপ্রসূ করতে আপনারা কাজ করছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির এবং সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল রউফ মামুন। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্লিম হতে অস্ত্রোপচার, মারা গেলেন গায়িকা

0

নিজেকে ফিট দেখাতে কিংবা আরও সুন্দরী করে তুলতে কতকিছুই না করেন তারকারা। নিয়মিত শরীরচর্চা, খাবার না খাওয়া থেকে শুরু করে অস্ত্রোপচারও করেন। আর এসববের কারণেই বিপত্তিও যে ঘটে না, তা নয়। স্লিম হওয়ার সহজ উপায় খুঁজতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি হয় ব্রাজিলিয়ান পপ গায়িকা ডানি লি ওরফে ড্যানিয়েল ফনসেকা মাচাদোর। মেদ কমাতে অস্ত্রোপচার করার পর অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করলেন এই গায়িকা।

স্লিম হতে অস্ত্রোপচার করাতে চেয়েছিলেন ডানি লি। পেট এবং স্তনের মেদ কমাতে লাইপোসাকশন করানও তিনি। কিন্তু তারপর থেকেই নানারকম অস্বস্তিবোধ করতে থাকেন। তাই তড়িঘড়ি ডানিকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে হয়। কিন্তু হাসপাতালে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডানির স্বামী মার্সেলো মিরা বলেন, আমরা গোটা পরিবার এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকে ভেঙে পড়েছি। শনিবার ডানিকে সমাহিত করা হবে।

এদিকে লাইপোসাকশনই মৃত্যুর কারণ কিনা, তা খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশ এরইমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।

অ্যামাজনের দ্বীপ আফুয়ার বাসিন্দা গায়িকা ডান লি। ‘ইউ সু দা আমাজোনিয়া’ গানটির জন্য সর্বাধিক পরিচিত তিনি, যা ২০১৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

ব্রাজিলের জনপ্রিয় এ গায়িকার সবশেষ গান ‘গুয়েরা দে আমর’ প্রকাশ পেয়েছে গত ১৪ জারুয়ারি।

টিকটক এক করল বিক্রি হয়ে যাওয়া যমজ বোনকে

0

ঘটনাটি ইউরোপের দেশ জর্জিয়ার। জন্মের পর দুই বোনের বিচ্ছিন্ন হওয়া ও নাটকীয় পুনর্মিলনের এই গল্প প্রকাশ করেছে বিবিসি।

পাশাপাশি বিবিসির এই প্রতিবেদনে জর্জিয়ার একটি গুরুতর সমস্যার কথাও উঠে এসেছে। সেটি হচ্ছে, দেশটির হাসপাতাল থেকে উদ্বেগজনক হারে শিশু চুরি ও বিক্রি। দশকের পর দশক ধরে জর্জিয়ায় এই সমস্যা চলছে। কিন্তু সমস্যাটির কোনো সুরাহা হচ্ছে না।

অ্যামি ও অ্যানোর পরস্পরকে খুঁজে পাওয়ার এই গল্পের শুরু তখন, যখন তাঁদের বয়স ১২ বছর।

অ্যামি বাড়িতে বসে তাঁর প্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ‘জর্জিয়া’স গট ট্যালেন্ট’ দেখছিলেন। প্রতিভা খোঁজের এই অনুষ্ঠানে একটি মেয়েকে নাচতে দেখে অ্যামি রীতিমতো চমকে যান। কারণ, মেয়েটি দেখতে হুবহু তাঁর মতোই ছিল। তবে অ্যামি তখনো জানতেন না, এই মেয়েটি তাঁর হারিয়ে যাওয়া যমজ বোন।

এই ঘটনার সাত বছর পর ২০২১ সালের নভেম্বরে অ্যামি টিকটকে তাঁর একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। নীল রঙের চুলের অ্যামির ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

ভিডিওটি অ্যানোকে পাঠান তাঁর এক বন্ধু। অ্যানো ভিডিওটি দেখেন। অ্যানোর মনে হয়, ভিডিওতে থাকা মেয়েটি তো দেখতে একদম তাঁরই মতো।

ভিডিওর মেয়েটিকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন অ্যানো। কিন্তু তাঁকে খুঁজে পেতে তিনি ব্যর্থ হন। পরে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ভিডিওটি শেয়ার করেন অ্যানো। অ্যামিকে চেনেন—এমন কেউ এই বার্তা দেখেন। তিনি দুজনকে ফেসবুকে যুক্ত করে দেন।

অ্যামির মনে পড়ে যায়, এই মেয়েটিকেই (অ্যানো) তো তিনি বছর সাতেক আগে ‘জর্জিয়া’স গট ট্যালেন্ট’ অনুষ্ঠানে দেখেছিলেন। তিনিও তো এই মেয়েটিকে খুঁজছিলেন।

অ্যামি ও অ্যানো পরস্পরের সঙ্গে যত কথা বলছিলেন, তত তাঁদের মধ্যকার নানা মিল বের হচ্ছিল। এমনকি দুজনের একই জিনগত রোগ থাকার তথ্যও সামনে আসে।

জর্জিয়ায় পরস্পর থেকে প্রায় দুই শ মাইল দূরে অবস্থান করা অ্যামি ও অ্যানো একপর্যায়ে দুই বছর আগে রাজধানী তিবলিশের রুসতাভেলি সেতুতে দেখা করেন। পরে তাঁরা নিজ নিজ পরিবারের মাধ্যমে আসল সত্য জানতে পারেন।

২০০২ সালে জন্ম হওয়া অ্যামি-অ্যানোর মা আজা শোনি। জন্ম-সংক্রান্ত অজ্ঞাত এক জটিলতায় তিনি কোমায় চলে গিয়েছিলেন। তখন তাঁর স্বামী গোচা গখরিয়া অ্যানো ও অ্যামিকে আলাদা দুটি পরিবারের কাছে বিক্রি করে দিয়েছিলেন। এর এতদিন পর এক হলো দুইবোন।

১ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

0

প্রতি বছরের মতো এবারও ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনে শুরু হতে যাচ্ছে মাসব্যাপী দেশের বৃহত্তম বইমেলা ঐতিহাসিক ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২৪’।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা কমিটির সদস্য সচিব ড. কে এম মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠেয় মেলার উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এবার মেলায় ৫৭৩টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৮৯৫টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭৮৬টি সাধারণ স্টল এবং ১০৯টি স্টল লিটল ম্যাগাজিন চত্বরকে দেয়া হবে বলে জানান ড. মুজাহিদুল।

তাছাড়া এ বছর মোট ৩৭টি প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ করা হয়েছে। গত বছর ৬০১টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৯০১টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল।

এ বছর মেলার পুরো কাজ বাংলা একাডেমি একাই করছে উল্লেখ করে ড. মুজাহিদুল আরও বলেন, আগের বছরগুলোতে মেলা আয়োজনে কিছু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি জড়িত ছিল, যা গত বছর কিছুটা সমালোচনার মুখে পড়েছিল।

তিনি জানান, মেলা শেষ হওয়ার পরপরই শুরু হয় পরবর্তী মেলার প্রস্তুতি এবং প্রস্তুতি পর্বের জন্য, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য এবং মাসব্যাপী মেলা পরিচালনার জন্য তিন ধাপে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মাসব্যাপী সেমিনারের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের জন্য ছবি আঁকা, সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা থাকবে।

আয়োজকরা জানান, ২৩ জানুয়ারি ডিজিটালাইজড লটারি পদ্ধতির মাধ্যমে পুরানো এবং নতুন তালিকাভুক্ত প্রকাশনার জন্য স্টল বরাদ্দ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তালিকাভুক্ত ৬০১টি সংস্থা ছাড়াও, প্রায় ৭০টি নতুন প্রকাশনা নোটিশে সাড়া দিয়ে স্টল বরাদ্দ পেতে আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ২৩টি নতুন প্রকাশনা মেলায় অংশ নেওয়ার জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

ড. মুজাহিদুল বলেন, বিগত বছরের মতো এবারও মেলার মূল মঞ্চ হবে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণে তৈরি করা হবে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও লেখক বলছি মঞ্চ। রমনা কালী মন্দিরের পাশে সাধুসঙ্গ এলাকায় ‘শিশু চত্বর’ স্থাপন করা হবে।

বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য এ বছর ১১টি বিভাগে ১৬ জনকে কবিতা, কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ/গবেষণা, অনুবাদ, নাটক, শিশুসাহিত্য বিভাগ, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু পরিবেশ/বিজ্ঞান ক্ষেত্র, জীবনী ও লোককাহিনী ইত্যাদি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ দেয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার তুলে দেবেন।

এদিকে বর্তমান পরিস্থিতি এবং বইমেলা এলাকায় মেট্রোরেল পরিচালনার ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় মেলার নিখুঁত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বিগত বছরের মতো সব ব্যবস্থা নিয়েছে।

ডিএমপি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, বইমেলাকে কেন্দ্র করে প্রধান চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে- জঙ্গিবাদ, অগ্নিসংযোগ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা।

ডিএমপির মতে মেট্রোরেলে দুর্বৃত্তরা নাশকতা চালানোর চেষ্টা করছে এমনটি লক্ষ্য করায় মেট্রোরেল পরিষেবা একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে উপস্থিত হয়েছে।

তবে বইমেলা মাঠের ভিতরে ও বাইরে ডিএমপি ইউনিফর্ম এবং সাদা পোশাকে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে এবং মেলার আশেপাশের সবকিছু পর্যবেক্ষণের জন্য একটি ওয়াচ টাওয়ার এবং ফায়ার টেন্ডার স্থাপন করা হবে।

এছাড়াও মেলার মাঠ ও এর আশপাশ সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোন দিয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপির টিম পুরো ঘটনাস্থল ঝাড়ু দেবে এবং গুজব ঠেকাতে সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং করা হবে।

সূত্র: বাসস

শসা পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে

0

শসাকে যদিও বেশির ভাগ মানুষ সবজি বলে মনে করেন, কিন্তু আসলে এটি একটি ফল। শসা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। শসাতে ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম যার ফলে শসা ওজন কমায় ও পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। শসায় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদি বিভিন্ন পদার্থ উপস্থিত থাকে। সম্পূর্ণভাবে শসার পুষ্টিগুণ পাওয়ার জন্য খোসা শুদ্ধ খাওয়া  উচিত।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, শসাতে ফ্লাবনয়েড ও ট্যানিন জাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ নিষ্ক্রিয়করণে সাহায্য করে। পানি আমাদের দেহে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শসাতে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকে যা দেহে পানির যোগানোর পাশাপাশি দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। যার ফলে শরীরের মেটাবোলিজম বৃদ্ধি পায়। শসাতে ক্যালোরির পরিমাণ খুব কম থাকে। যার ফলে অন্য খাবারের পরিবর্তে শসা খেলে ক্ষুধা মেটে ও দেহে ক্যালোরিও কমে যায়, যার ফলে ওজন কমে।

ডায়াবেটিসের রোগীদের পক্ষে শসা একটি উপকারী খাদ্য। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে, খোসা শুদ্ধ শসা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে। ফলে যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তাদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও শসাতে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ জল থাকে তাই শসা পেট পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রধান কারণ পানির অভাব। তাছাড়াও শসাতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। ফাইবার আমাদের অন্ত্রের সমস্যা সমাধানে উপকারী। তাই শসা খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।

পাঞ্জাবে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ২৩৪ শিশুর মৃত্যু

0

চলতি মাসে পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবে নিউমোনিয়ার প্রাদুর্ভাবে ২৩৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ধোঁয়াশ, তীব্র শীত এবং শিশুদের টিকার কম হার এর পেছনে দায়ী।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) পাঞ্জাবের তত্ত্বাবধায়ক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঠাণ্ডা আবহাওয়া কমে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

নিউমোনিয়া হলো ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক সৃষ্ট একটি সংক্রমণ। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী এবং দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য রোগটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ। পাঞ্জাবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ঠাণ্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে প্রতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে প্রায় ৫৫ হাজার থেকে ৬০ হাজার শিশু এ রোগে আক্রান্ত হয়।

পাঞ্জাবের তত্ত্বাবধায়ক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক জাভেদ আকরাম বলেছেন, ‘পাঞ্জাব বা পাকিস্তানে এটি কোনো নতুন ঘটনা নয়। তবে দীর্ঘ সময় ধরে ধোঁয়াশা ও হিমায়িত আবহাওয়ার কারণে প্রদেশে মৃত্যুর হার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। ঠাণ্ডা আবহাওয়ার ছাড়াও নিউমোনিয়া এবং শিশুদের মৃত্যুর প্রধান কারণ মায়ের দুধ খাওয়ানোর এবং টিকাদানের কম হার’।

মন্ত্রীর মতে, প্রদেশটিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৮ হাজার মানুষ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে এবং মৃত্যুর হার ১.৩ শতাংশ। সংক্রমণ এড়াতে তিনি শীত মৌসুমে শিশু ও বয়স্কদের জন্য ঘর গরম রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘মায়ের দুধ খাওয়ানোর সুবিধা এবং সঠিক টিকাদান সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে আমরা গনমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছি’।

জাভেদ আকরাম আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী সপ্তাহগুলোতে ঠাণ্ডা আবহাওয়া কমলে নিউমোনিয়া আক্রান্তের সংখ্যাও কমবে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিউমোনিয়া একটি মৌসুমী রোগ, যা টিকা এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসের (পিআইএমএস) শিশু হাসপাতালের প্রধান অধ্যাপক মকবুল হুসেন বলেছেন, ‘নিউমোনিয়া একটি শীতকালীন রোগ। কারণ এই মৌসুমে ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পায়। তাই শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা আক্রান্ত হন। নিউমোনিয়ায় আক্রান্তদের অধিকাংশই অপুষ্টিতে ভুগছে, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম’। এই ধরনের রোগের বিরুদ্ধে শিশুদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তাদের বুকের দুধ খাওয়াতে মায়েদের প্রতি আহ্বান জানান এ বিশেষজ্ঞ।

সূত্র: আরব নিউজ